• কমলা লেবুর খোসার ৭টি অসাধারণ ব্যবহার!

    কমলালেবু খাওয়ার পর সাধারণত আমরা এর খোসা ফেলে দেই। কারণ আপাত দৃষ্টিতে এর কোনো গুণাগুণ আমরা খুঁজে পাই না। কিন্তু অনেকেই জানি না যে এই কমলার খোসার রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুন ও ব্যবহার। অন্যান্য অনেক ফলের খোসার চেয়ে কমলার খোসার গুনাগুন অনেক বেশি।

  • ত্বকের দাগ দূর করার ঘরোয়া গোপন ৩ টি কৌশল

    ত্বকের রঙ যেমনই হোক না কেন ত্বক যদি পরিষ্কার থাকে তাহলেই আসল সৌন্দর্য ফুটে উঠে। রঙ ফর্সাকারী কেমিক্যাল যুক্ত ক্রিম, ফেসওয়াশ, মাস্ক ব্যবহার করে যদি শুধু ত্বকের রঙ ফর্সা করতে গিয়ে ত্বকে ব্রণের দাগ বা ছোপ ছোপ দাগ করে ফেলেন তাহলে কি তা দেখতে ভালো দেখাবে? মোটেই নয়।

  • আপনার চেহারায় ফুটে থাকুক চিরতারুণ্য

    বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার ত্বকে, আপনার মুখে তার ছাপ রেখে যাচ্ছে। আপনার কি এই বুড়োটে হয়ে যাওয়া দেখতে ভাল লাগছে? লাগছে না। বয়সের ছাপ থাকুক কিন্তু সেটা যেন বয়সের চাইতে বেশী না দেখায় । তাই আপনার চির সবুজ মনের সাথে সাথে চেহারায়ও যদি চিরতারুণ্য ধরে রাখা যায় তবে তার চাইতে ভাল আর কি হতে পারে। তারুণ্যদীপ্ত চেহারার জন্য যা কিছু করা দরকার-

পাতলা চুলগুলোকে ঘন করে নিন একদম সহজ কিছু উপায়ে


পাতলা চুল নিয়ে অনেক নারীরই আক্ষেপের শেষ নেই। চুল পড়ে যাবার কারণে অনেকের চুল পাতলা হয়ে যেতে পারে আবার কারও কারও জন্মগতভাবেই চুল পাতলা হয়ে থাকতে পারে। ঘন, ভারী চুল পেতে চাইলে আপনিও করতে পারেন এই কাজগুলো।

১) খাদ্যভ্যাসে অনুন পরিবর্তন –

চুল পাতলা হয়ে যাওয়াটা হতে পারে কোনো ভিটামিনের অভাবের লক্ষণ। হেয়ারস্টাইলিস্ট নুনজিও স্যাভিয়ানো এর মতে আপনার খাদ্যভ্যাসের সাথে খেতে পারেন কোনো ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট। এটা চুলকে শক্তিশালী করবে।

২) সঠিক যত্ন নিন –

নিজের চুলের ব্যাপারে থাকুন সচেতন। চুল পড়ার ক্ষেত্রে মাথার তালুতে কোনো সমস্যা আছে কিনা তা নিয়ে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। নিয়মিত তালু ম্যাসাজ করুন। চুল শ্যাম্পু hair shampo এবং কন্ডিশন করার ক্ষেত্রে ভালো এবং আপনার চুলের সাথে মানানসই পণ্য ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত স্টাইলিং, আয়রনিং, কার্লিং এবং রাসায়নিক থেকে চুলকে বাঁচিয়ে রাখুন। বেশিক্ষণ রোদে বা ধুলাবালিতে থাকলে চুল ঢেকে রাখার চেষ্টা করুন। ব্লো ড্রাই কম করে প্রাকৃতিকভাবে চুলশুকানোর চেষ্টা করুন।

৩) ভলিউমিনাইজিং পণ্য ব্যবহার করুন –

চুল প্রাকৃতিকভাবে ঘন করতে না পারলে ব্যবহার করতে পারেন এমন সব পণ্য যেগুলো আপনার চুলকে ঘন দেখাতে সাহায্য করে। ভলিউমিনাইজিং শ্যাম্পু, কন্ডিশনার এগুলো তো আছেই। স্যাভিয়ানো পরামর্শ দেন সম্ভব হলে ভলিউমিনাইজিং জেল এবং মুজ ব্যবহার করার। ভেজা-ভেজা চুলে এই পণ্য ব্যবহার করে ব্লো ড্রাই করলে সাথা সাথেই চুল ঘন মনে হবে। ড্রাই শ্যাম্পুও এক্ষেত্রে ভালো কাজ করে।

৪) ঠিকভাবে চুল কাটুন –

হেয়ারকাট আপনার চুলে অনন্য পরিবর্তন আনতে পারে। লং লেয়ার এবং ব্লান্ট কাট আপনার চুলকে ঘন দেখাতে সাহায্য করে। নিয়মিত ট্রিম করাটাও জরুরী।

৫) ছোট চুল ভালো –

আপনি সাধারণত যতো লম্বা চুল long hair রাখেন, তার চাইতে কিছুটা ছোট করে চুল কাটালে তা দেখতে ঘন মনে হবে।

৬) প্রাকৃতিক উপাদান –

কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে যেগুলো প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার চুল করে তুলবে ঘন। ঘরেই এসব উপাদান ব্যবহার করে উপকার পেতে পারেন আপনি। এই উপাদানগুলো হলো-
–   ক্যাস্টর অয়েল
–   নারিকেল তেল
–   আপেল
–   অ্যালো ভেরা
–   মধু
–   লেমন গ্রাস

একটিমাত্র তেল দেবে চুলের সব সমস্যার সমাধান


চুলের গোড়া মজবুত করে, চুলকে সিল্কি ঝলমলে করে তুলতে মেহেদি অতুলনীয়। প্রাচীনকাল থেকে চুলের যত্নে মেহেদি ব্যবহার করা হয়। প্রাকৃতিক উপায়ে চুল রং করতেও মেহেদি বেশ কার্যকর।
এই মেহেদি পাতা দিয়ে এক ধরণের তেল তৈরি করা হয়, যা চুল পড়া রোধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। নারকেল তেল এবং মেহেদি পাতার সমন্বয়ে তৈরি এই তেলটি চুলের অনেকগুলো সমস্যা সমাধান করে দেবে নিমিষেই।

যা যা লাগবে

  • ৫০০ মিলিটার নারকেল তেল
  • কিছু তাজা মেহেদি পাতা

যেভাবে তৈরি করবেন

১। মেহেদি পাতা কুচি করে পেস্ট তৈরি করে নিন। পেস্ট তৈরির সময় খুব বেশি পানি মেশাবেন না। অল্প পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।
২। এবার মেহেদি পেস্ট দিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করে নিন।
৩। এখন একটি প্যানে নারকেল তেল গরম করতে দিন।
৪। তেল গরম হয়ে আসলে মেহেদির বলগুলো নারকেল তেলে দিয়ে দিন।
৫। তেল বাদামী রং না হওয়া পর্যন্ত জ্বাল দিতে থাকুন।
৬। চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন।
৭। আপনি চাইলে সারারাত মেহেদির বলগুলো তেলে ভিজিয়ে রাখতে পারেন।
৮। এই তেলটি এয়ার টাইট কনটেইনারে সংরক্ষণ করুন। এটি দুই তিন মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারবেন।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

এই তেলটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন। প্রতিদিন না পারলে সপ্তাহে অন্তত দুইবার এই তেলটি ব্যবহার করুন। কমপক্ষে ২ ঘন্টা তেলটি মাথায় রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

মেহেদি তেলের উপকারীতা

  • মেহেদি চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে
  • চুল সিল্কি ঝলমলে করে তুলে
  • মাথা ঠান্ডা রাখে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে
  • চুল পাকা প্রতিরোধ করে
  • খুশকি দূর করে চুলকে করে স্বাস্থ্যোজ্বল সুন্দর

ঝলমলে সুন্দর চুল পেতে শ্যাম্পুর করার আগে যা করবেন


অনেকে শ্যাম্পু করার আগের দিন বা ঘণ্টাখানেক আগে চুলে তেল দিয়ে থাকেন। এতে করে চুল নরম কোমল ও মসৃণ হয়ে থাকে। আবার অনেকে হট টাওয়াল ট্রিটমেন্ট করেন। এটি চুল সিল্কি করার পাশাপাশি চুলের গোড়াও মজবুত করে থাকে। সুন্দর ঝলমলে চুল পাওয়ার জন্য শ্যাম্পু করার আগে কিছু কাজ করা উচিত। আসুন জেনে নিই চুলা ধোয়ার আগে করণীয় কিছু কাজ।
১। চুল ধোয়ার আগে বা আগের রাতে মাথায় তেল দিন। কোন সাধারণ তেল নয়। চেষ্টা করুন দুই প্রকার তেল মিশিয়ে দেওয়ার। ক্যাস্টর অয়েল, অলিভ অয়েল বা বাদাম তেল মিশিয়ে নিন। চাইলে এর সাথে ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিতে পারেন।
২। এবার এই তেলটি তালুতে ভালভাবে ম্যাসাজ করুন। কমপক্ষে ২০ মিনিট ম্যাসাজ করুন।
৩। এরপর আপনি চাইলে হট টাওয়েল ট্রিটমেন্ট করতে পারেন। একটি টাওয়েল গরম পানিতে ভিজিয়ে সেটা দিয়ে মাথা পেঁচিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।
 ৪। কখনও গরম পানি দিয়ে চুল ধোবেন না। গরম পানি আপনার চুলকে রুক্ষ করে তুলবে।
৫। চুলে প্যাক ব্যবহার করুন। ২টি পাকা কলা, ২ টেবিল চামচ ম্যায়নিজ, এবং ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। ঘন্টাখানেক এই প্যাকটি চুলে রাখুন। তারপর চুল ধুয়ে ফেলুন। কলা ও মধু চুলের রুক্ষতা দূর করে চুলকে করে তুলবে সিল্কি।
৬। টক দই এবং ডিমের প্যাক ও ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার চুলকে কোমল  করে তোলার পাশাপাশি খুশকিও দূর করে দিবে।
৭। শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার ব্যবহার করতে ভুলবেন না। আপনি চাইলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারও ব্যবহার করতে পারেন। চায়ের লিকার এবং লেবুর রস এক্ষেত্রে ভাল কাজে দিবে।
৮। চুল ধোয়ার পর টাওয়েল দিয়ে জোরে জোরে ঘষবেন না। এটি আপনার চুলের গোড়া দুর্বল করে দেয়। টাওয়াল দিয়ে হালকা চাপ দিয়ে চুল থেকে পানি মুছে নিবেন।
তথ্যসুত্রঃ প্রিয় লাইফ

মাত্র দুটি উপাদান মাথায় নতুন চুল গজাতে দারুন সহায়ক


চুল পড়া সমস্যায় ছেলে মেয়ে উভয়ই ভুক্তভোগী। নতুন চুল গজানোর জন্য কত রকমের হেয়ার প্যাক, কত প্রোডাক্ট ব্যবহার করে থাকি আমরা। এইসব রাসায়নিক পণ্য ব্যবহারে নতুন চুল গজানোর চাইতে চুলের ক্ষতি করে থাকে বেশি। অথচ আমাদের হাতের কাছে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই নতুন চুল গজানো সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন হবে শুধু মাত্র দুটি উপাদানের!

যা যা লাগবে

১/ নারকেল তেল
২/ লেবুর রস।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

১। ৫-৬ টেবিল চামচ নারকেল তেল।
২। ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস।
৩। নারকেল তেল এবং লেবুর রস খুব ভাল করে মিশিয়ে নিন।
৪। আঙুল দিয়ে মাথার তালুতে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করুন।
৫। এভাবে ১০ থেকে ২০ মিনিট ম্যাসাজ করুন।
৬। এটি চুলে ২ ঘন্টা রাখুন, তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।
৭। এটি সবসময় শ্যাম্পু করার আগে ব্যবহার করুন। সর্বোচ্চ ২ ঘন্টা এটি মাথায় রাখবেন এর বেশি নয়।

যেভাবে কাজ করে

-নারকেল তেল মাথার তালুতে পুষ্টি যুগিয়ে হাইড্রেডেট করে থাকে। নিয়মিত ব্যবহারে যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে থাকে। এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান চুল এবং মাথার তালুর জন্য অনেক উপকারী।
-লেবু সাইট্রাস জাতীয় ফল। এতে ভিটামিন সি আছে যা চুল থেকে খুশকি, অতিরিক্ত তেল দূর করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

অন্যভাবে ব্যবহার

১। নারকেল তেল এবং বাদাম তেল মিশিয়ে হালকা গরম করে ১০-১৫ মিনিট মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। ১ ঘন্টার পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।
২। ১ টেবিল চামচ শুকনো আমলকির গুঁড়ো এবং ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল চুলায় জ্বাল দিয়ে নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে মাথায় ম্যাসাজ করুন। সারা রাত এভাবে রাখুন। সকালে শ্যাম্পু করে ফেলুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করুন। এটিও নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।
৩। লেবুর রস এবং টক দই মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করতে পারেন। এটি চুলের খুশকি দূর করে মাথার তালু পরিষ্কার করে থাকে। যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে থাকে।

সুন্দর আর ঝলমলে চুলের জন্য কলার ডিপ কন্ডিশনিং


এক মাথা সুন্দর আর ঝলমলে চুলের স্বপ্ন কে না দেখে? চুলের আকার বা ধরন যাই হোক সেটাকে সুন্দর আর ঝলমলে করে তুলতে আমাদের চেষ্টার অন্ত থাকেনা। একবার ভেবে দেখুন তো আপনার সেই সুন্দর ঝলমলে চুলের জন্য দেখা স্বপ্নটা যদি পূরণ হয়ে যায় সামান্য কলা দিয়ে তাহলে কেমন হবে? ঘরে বসেই আপনি কলা দিয়ে আপনার চুলের ডিপ কন্ডিশনিং করে পেয়ে যেতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত চুল।
বাজারে নানা ব্র্যান্ডের নামি দামী ডিপ কন্ডিশনিং কিনতে পাওয়া যায়। এতে হয়তো আপনার চুল সুন্দর আর ঝলমলে হয়ে উঠবেও কিন্তু আপনাকে কেউ গ্যারান্টি দিতে পারবে না যে এই কেমিক্যাল ডিপ কন্ডিশনিং ব্যবহার করার পর আপনার চুল কি আগামীতে এমন সুন্দরই থাকবে। আর আপনি যদি ঘরোয়াভাবে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে চুলের যত্ন করেন করেন তাহলে আর যাই হোক চুলের কোন ক্ষতি হবে না এই গ্যারান্টি আপনাকে নিশ্চিন্তে দেওয়া যায়।
আসুন আজ আপনাদের কলা দিয়ে সেরকমই একটি ডিপ কন্ডিশনিং রেসিপির সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো যা আপনার চুল সুন্দর আর ঝলমলে করার সাথে সাথে চুলের সুস্বাস্থ্যও বজায় রাখবে।
কলার ডিপ কন্ডিশনিং রেসিপিঃ

যা যা লাগবে

-কলা(২ থেকে ৩ টি)
-নারকেলের দুধ(২ টেবিল চামচ)
-নারিকেল তেল(১ টেবিল চামচ)
-অরগানিক মধু(২ বড় টেবিল চামচ)

যেভাবে করবেন


কলাগুলোর খোসা ছিলে টুকরো টুকরো করে কেটে একটি বাটিতে রাখুন। এবার ২ টেবিল চামচ নারিকেলের দুধ কলা রাখা বাটিতে ঢালুন। ১ টেবিল চামচ নারিকেল তেল যোগ করুন এতে। এবার ২ টেবিল চামচ মধু দিয়ে দিন। সব উপাদান একটি ব্লেন্ডারে নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। পুরো উপাদান ভালোভাবে ব্লেন্ড করা হয়ে গেলে এই পেস্টটি আপনার মাথার ত্বক সহ চুলে লাগিয়ে নিন। চুলে লাগানো শেষে একটি প্লাস্টিকের ক্যাপ দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন। ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর চুল সুন্দর করে ধুয়ে ফেলুন। খেয়াল রাখুন যেন আপনার চুল থেকে কলার প্রতিটি কণা ধুয়ে চলে যায়। এটি আপনার চুল নরম কোমল আর ঝলমলে করে তোলে। ভালো ফলাফল পেতে সপ্তাহে একবার অন্তত এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।
যে কারণে এই ডিপ কন্ডিশনিং ব্যবহার করবেনঃ

কলা

কলার পটাশিয়াম চুলের গোঁড়া শক্ত করে। চুলের ভাঙ্গনরোধ করে ও ড্যামেজ চুল স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে। কলায় উপস্থিত প্রাকৃতিক তেল চুল ময়েশ্চারাইজ করে ও কলার বিদ্যমান ৭৫% পানি আপনার চুলের রুক্ষতা প্রতিরোধ করে।
নারিকেল দুধঃ
নারিকেল দুধে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্যাট থাকে। যা চুল সুন্দরভাবে কন্ডিশনিং করে এবং চুলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে আর এর প্রাকৃতিক তেল চুল নারিশ করে।

নারিকেল তেল

নারিকেল তেলের ভিটামিন ই ও ফ্যাটি অ্যাসিড চুল ময়েশ্চারাইজ করে, চুলের গ্রোথ বাড়িয়ে তোলে, চুল উজ্জ্বল করে ও চুলের ক্যারোটিন লস কমিয়ে তোলে। এমনকি নারিকেল তেল চুলের খুশকি ও অন্যান্য ফাংগাল দূর করতে সাহায্য করে।

অরগানিক মধু

মধু আইরন, জিঙ্ক, সালফার ও ভিটামিন বি-তে ভরপুর যা চুলের গ্রোথ বৃদ্ধির সাথে চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখে।
এইসব উপাদানের মিলিত মিশ্রণ স্বাভাবিকভাবেই আপনার চুল সুন্দর আর ঝলমলে করে তোলে। এটি ব্যবহারে আপনার চুল আরও বেশি ম্যানেজেবল ও নজরকাড়া হয়।

মাথায় নতুন চুল গজাতে দারুণ কার্যকরী পেঁয়াজের রস ! কিভাবে ব্যবহার করবেন জেনে নিন


বর্তমানে চুল পড়া একটা সাধারন ত্বক সমস্যা । আমরা সবাই কম বেশি এই সমস্যার সম্মুখীন হই। পেঁয়াজের রস নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে, চুলপড়া কমায় এবং চুলের গোড়া শক্ত করে এই কথা আমাদের সবারই কম বেশি জানা। কিন্তু অনেকেই জানি না কীভাবে মাথায় পেঁয়াজের রস ব্যবহার করবেন। এই রসের সঙ্গে অন্য প্রাকৃতিক উপাদান মেশালে এর কার্যকারিতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
কীভাবে মাথায় পেঁয়াজের রস ব্যবহার করবেন সে সম্বন্ধে কয়েকটি উপায়ের কথা বলা হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের লাইফস্টাইল বিভাগে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার পরখ করতে পারেন।
১. পেঁয়াজ কেটে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এর রস বের করে নিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। ৩০ থেকে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
 ২. পেঁয়জের রসের সঙ্গে হালকা গরম পানি মিশিয়ে নিন। গোসলের পর এই পানি দিয়ে মাথা ভালো করে ধুয়ে নিন। একদিন পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতে মাথা থেকে পেঁয়াজের গন্ধ আসতে পারে। তবে চুলের জন্য এই পানি বেশ উপকারী।
৩. পেঁয়াজের রসের সঙ্গে নারকেল তেল ও কয়েক ফোটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।
৪. দুই চা চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন এই প্যাক মাথায় লাগান।
৫. পেঁয়াজ বেটে এর সঙ্গে অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

প্রাণহীন চুল ও ত্বক! দারুন কার্যকরী কিছু ফলের মাস্ক


বর্তমানে চুল পড়া একটা সাধারন ত্বক সমস্যা । আমরা সবাই কম বেশি এই সমস্যার সম্মুখীন হই। পেঁয়াজের রস নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে, চুলপড়া কমায় এবং চুলের গোড়া শক্ত করে এই কথা আমাদের সবারই কম বেশি জানা। কিন্তু অনেকেই জানি না কীভাবে মাথায় পেঁয়াজের রস ব্যবহার করবেন। এই রসের সঙ্গে অন্য প্রাকৃতিক উপাদান মেশালে এর কার্যকারিতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
কীভাবে মাথায় পেঁয়াজের রস ব্যবহার করবেন সে সম্বন্ধে কয়েকটি উপায়ের কথা বলা হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের লাইফস্টাইল বিভাগে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার পরখ করতে পারেন।
১. পেঁয়াজ কেটে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এর রস বের করে নিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। ৩০ থেকে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
 ২. পেঁয়জের রসের সঙ্গে হালকা গরম পানি মিশিয়ে নিন। গোসলের পর এই পানি দিয়ে মাথা ভালো করে ধুয়ে নিন। একদিন পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতে মাথা থেকে পেঁয়াজের গন্ধ আসতে পারে। তবে চুলের জন্য এই পানি বেশ উপকারী।
৩. পেঁয়াজের রসের সঙ্গে নারকেল তেল ও কয়েক ফোটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।
৪. দুই চা চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন এই প্যাক মাথায় লাগান।
৫. পেঁয়াজ বেটে এর সঙ্গে অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

মাত্র দুই দিনে চুল পড়া বন্ধ করতে কার্যকরি টিপস!


চুল পড়ে hair fall যাওয়ার সমস্যায় সাধারনত কমবেশি সবাই ভোগেন। এর ফলে বয়স বাড়ার আগেই আপনার মাথায় টাক পড়তে শুরু করে। এই সমস্যার সমাধানে সরিষার তেল ও দারুচিনি গুঁড়া ব্যবহার করুন। প্রাকৃতিক এই উপাদান দুটি অনেক দ্রুত আপনার চুল পড়া hair fall সমস্যার সমাধান করবে।

যা যা লাগবে –

সরিষার তেল এক টেবিল চামচ ও দারুচিনি গুঁড়া দুই চা চামচ। এ উপাদান দুটি চুল পড়া রোধ করে এবং চুলের গোড়া মজবুত করে। এ ছাড়া এটি রুক্ষতা দূর করে চুল নরম ও মসৃণ করে। আর নতুন চুল গজাতেও hair growth এ উপাদান দুটি বেশ কার্যকর।

যেভাবে ব্যবহার করবেন –

প্রথমে একটি বাটিতে সরিষার তেল ও দারুচিনি গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ চুল ও মাথার তালুতে লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। ২৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে চুলে মাইল্ড শ্যাম্পু লাগান। শ্যাম্পু ভালোভাবে পরিষ্কার করে চুলে বেশি করে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

পরামর্শ –

১. ভালো ফল পেতে হলে পরপর দুদিন এই প্যাক ব্যবহার করুন।
২. খাবারের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। ডায়েটের তালিকায় চুলের জন্য পুষ্টিকর খাবার রাখুন।
৩. চুল ঘামলে সঙ্গে সঙ্গে শুকানোর চেষ্টা করুন। না হলে মাথার তালু ভেজার কারণে চুলের গোড়া নরম হয়ে যাবে। আর চুল পড়ে hair fall যাওয়ার অন্যতম কারণ এটি।

রুক্ষ চুল মসৃণ করে যে তিনটি উপাদান


চুলের রুক্ষতা দূর করতে প্রাকৃতিক উপাদান বেশ কার্যকর। কারণ এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। কেমিক্যাল সমৃদ্ধ কোনো প্যাক যদি চুলে ব্যবহার করেন তাহলে চুলের রুক্ষতা তো দূর হবেই না উল্টো চুল পড়ে যেতে পারে। তাই এসব প্রসাধনী থেকে সাবধান।
কোন তিনটি উপাদান চুলের রুক্ষতা দূর করে চুলকে মসৃণ করবে সে সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে। এক নজরে চোখ বুলিয়ে নিন।

যা যা লাগবে

আধা কাপ নারকেলের দুধ,
দুই টেবিল চামচ নারকেল তেল ও
দুটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল।

প্রস্তুত প্রণালী

নারকেলের দুধ চুলে তেলের মতোই কাজ করে। যা চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত মসৃণ করে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখে। আর নারকেল তেল চুলের গভীরে গিয়ে পুষ্টি জোগায় এবং চুলের গোড়া শক্ত করে। অন্যদিকে ভিটামিন ই ক্যাপসুল চুলের রুক্ষতা দূর করে চুলকে নরম করে এবং চুল পড়া কমায়।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

প্রথমে একটি বাটিতে নারকেলের দুধ ও নারকেল তেল নিয়ে ভালো করে মেশান। এবার এর মধ্যে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল দিন। এই মিশ্রণ পুরো চুলে ভালো করে লাগান। এবার একটি শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে দিয়ে চুল পেঁচিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর শ্যাম্পু করে চুলে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। প্রতি সপ্তাহে ১দিন এই প্যাক লাগালে আপনার চুলের রুক্ষতা সহজেই দূর হবে।

চুল উঠে যাচ্ছে টাক পড়ে যাচ্ছে রইল কার্যকর ১০টি ঘরোয়া টিপস


বড় বড় ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়েছেন, ওষুধও খেয়েছেন কিন্তু কাজ দিচ্ছে না কিছুই। যত দিন যাচ্ছে আপনিও হয়তো আরও বেশি শঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। কিন্তু কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ খরচ না-করে হাতের কাছেই থাকা কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখতে পারেন আপনি।
১। নারকেলের দুধ এবং নারকেল তেল মিশিয়ে ম্যাসাজ করুন।
২। চুলের প্রধান খাবার তেল। নিয়মিত ম্যাসাজ করে যান।
৩। হেনা পাতা জোগাড় করুন। সরষের তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় লাগান সপ্তাহে অন্তত দু’বার।
৪। দই এবং বেসন মিশিয়ে লাগাতে পারেন। তবে খুব ঘনঘন নয়।
৫। পেঁয়াজ চুল গজানোর ক্ষেত্রে দারুণ ভূমিকা পালন করে। কাঁচা পেঁয়াজ মাথার ক্ষতিগ্রস্থ অংশে ঘষতে পারেন।
৬। পেঁয়াজের রস এবং মধু মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগান।
৭। অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন মাঝেমধ্যেই।
৮। আমলা খুবই উপকারী। আমলার তেল ও নির্যাস দিয়ে মাথার ক্ষতিগ্রস্থ অংশে প্রলেপ লাগিয়ে রাখুন।
৯। ডিমের সাদা অংশ অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
১০। স্যাফ্রন, আমলা এবং পেয়ারা পাতা বেটে সেই মিশ্রণ মাথায় লাগিয়ে রাখুন অন্তত তিরিশ মিনিট।
মাথায় রাখবেন, কোন পদ্ধতিতে সবথেকে বেশি সুফল পাচ্ছেন সেটি নিজেকেই বুঝে নিতে হবে এবং সেই মোতাবেক আপনাকে চলতে হবে।

চুল লম্বা করতে করণীয়


চুল লম্বা করার শখ থাকে অনেকেরই, কিন্তু অনেক কারণেই চুল বাড়তে পারেনা। আর সবসময় চুল কাটতেও খারাপ লাগে। পুষ্টিহীনতার অন্যতম লক্ষণ চুল না বাড়া। এছাড়াও রুক্ষতার কারণে চুল ফাটে আর বাড়তে পারে না।
তাই চুল বাড়াতে চুলের পুষ্টি ফিরিয়ে আনতে হবে। তাহলেই চুল দ্রুত লম্বা হবে। চলুন জেনে নিই চুল লম্বা করার কয়েকটি সহজ উপায়।
  • তেল ম্যাসাজ করুনঃ
    চুলের বৃদ্ধিতে সব চাইতে কার্যকরী উপায় হচ্ছে তেলের ম্যাসাজ। নারিকেল তেল,অলিভ অয়েল চুলের জন্য অনেক ভালো। এই দুইটি তেল একসাথে মিশিয়ে কিংবা আলাদা একটি তেল চুলে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে নিন। সারারাত রেখে সকালে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন।
  • ডিমের হেয়ার মাস্কঃ
    ১ টি ডিম, পরিমাণ মতো অলিভ অয়েল এবং মধু মিশিয়ে চুলে লাগান। একটি শাওয়ার ক্যাপ কিংবা কাপড় দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন ৩০ মিনিট। এরপর মৃদু শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ দিন এই মাস্ক ব্যবহার করুন।
  • দুধ বা টক দইঃ
দুধ বা দই চুলকে নরম আর মসৃণ করে চুলের রুক্ষতা দূর করে। ফলে চুল পুষ্টি পাবে এবং চুল ফাটবে না। নারিকেল তেল, আমণ্ড অয়েল (কাঠবাদামের তেল), আধা কাপ দুধ বা টক দই মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি ভালোভাবে চুলে লাগিয়ে ৩০-৪০ মিনিট রেখে দিন এবং শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ২ দিন এই মিশ্রণটি মাথার ত্বকে এবং চুলে ভালো করে লাগিয়ে ১ থেকে ২ ঘণ্টা রাখুন। দ্রুত ভালো ফল পাবেন।
  • লেবুর রসঃ
    চুলের সৌন্দর্য চর্চায় লেবুর রসের ব্যবহার নানাভাবে হয়। লেবুর রসের সাথে সমপরিমাণ পানি মেশান। এবার চুলে ভালো করে লাগান। ২০-৩০ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন।
  • চায়ের লিকারঃ
চুল বৃদ্ধি করতে চায়ের লিকারের তুলনা হয় না। কারণ এটি চুলের কন্ডিশনার হিসেবে খুব ভালো। একটি পাত্রে চায়ের লিকার নিয়ে তাতে চুল ডুবিয়ে রাখুন ১০ মিনিট অথবা গোসল শেষে লিকারটি দিয়ে আস্তে আস্তে চুল ধুয়ে ফেলুন। এভাবে ২/৩ দিন চায়ের লিকার ব্যবহার করুন আপনার চুলে।
  • ভিটামিন-ই ক্যাপস্যুলঃ
চুলের বিশেষ যত্নের জন্য চুলের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী অলিভ অয়েল নিয়ে এতে ১ টি ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল ভেঙ্গে নিন। এরপর একে হালকা গরম করে মাথার ত্বকে ভালোভাবে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। সবচেয়ে ভালো ফলাফলের জন্য পুরোরাত এই মিশ্রণটি মাথায় লাগিয়ে রেখে সকালে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ দিন ব্যবহার করুন।
এভাবে আপনি ঘরে বসে সহজে আপনার চুল সুন্দর করতে পারবেন এবং চুল দ্রুত বড় হবে।
সতর্কতাঃ
  • চুল মোছার জন্য নরম তোয়ালে ব্যবহার করতে হবে। চুল বেশি ঘষে ঘষে মোছা যাবেনা। এতে চুল ফেটে যায় বেশি। ভেজা চুল আস্তে আস্তে মুছতে হবে।
  • ভেজা চুল আঁচড়ানো যাবে না।
  • চুল শুকাতে, চুল ভালোভাবে নরম তোয়ালে দিয়ে মুছে, ফ্যানের বাতাসে বা আলো বাতাসপূর্ণ জায়গায় শুকাতে হবে। কোনক্রমেই হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করা যাবে না।
  • ইলেক্ট্রিক সকল যন্ত্র ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
  • চুলের রুক্ষতা কমাতে এবং আগা ফেটে যাওয়ার প্রবণতা রোধ করতে, প্রতিদিন শ্যাম্পু করা বাদ দিতে হবে। কারণ চুল ধোয়ার ফলে, মাথার ত্বকের তেলও ধুয়ে যায়। তাই সপ্তাহে দুই থেকে তিনবারের বেশি শ্যাম্পু করা উচিত নয়। শ্যাম্পুর রাসায়নিক উপাদানও চুলের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

চুল পড়া কমাতে প্রাকৃতিক উপায়


প্রতিদিন চুল আঁচড়ানোর পর যখন চিরুনির দিকে তাকান তখন প্রায়ই বুক কেঁপে ওঠে, তাই না? চুল পড়ে যাওয়ার এমন কষ্টে আছেন অনেকেই যারা অনেক কিছু চেষ্টা করেও চুল পড়া কমাতে পারছেন না।
আপনারা হয়তোবা প্রাকৃতিক উপায়ের কথা ভুলেই গেছেন। অথচ চুল পড়া কমাতে এর থেকে ভালো উপায় নেই বললেই চলে। চলুন এমন কিছু প্রাকৃতিক উপায় সম্বন্ধে জেনে নেই-

চুল পড়া কমানোর কিছু প্রাকৃতিক উপায়

গরম তেল মাসাজ

ভিটামিন ই সমৃদ্ধ যে কোন তেল (নারকেল, অ্যালমন্ড, সরিষার তেল ইত্যাদি) হালকা গরম করে মাথায় মাসাজ করলে চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
এই মাসাজের পূর্ণ উপকার পেতে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে তেল দিয়ে মাথা মাসাজ করে শুয়ে পড়ুন। সকালে উঠে শ্যাম্পু দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

পিঁয়াজের রস

পিঁয়াজে রয়েছে উচ্চ মানের সালফার, যা চুলের গ্রন্থিতে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। এছাড়াও এটি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান বহন করে, যা জীবাণু এবং পরজীবী ধ্বংস করে দেয়।
কয়েকটি পিঁয়াজ পিষে বা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে রস বের করে নিন। এই রস মাথার ত্বকে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন।

আলুর রস

আলুর মধ্যে থাকে ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, কপার এবং নায়াসিন যা চুলের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেলের অভাব পূরণ করে। ফলে চুলের শুষ্ক এবং ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া কমে আসে।
পরিষ্কার কিছু আলু পিষে এর রস সরাসরি স্ক্যাল্পে ব্যবহার করুন। ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা রেখে শুকিয়ে পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

নারকেলের দুধ

ফ্যাট এবং প্রোটিন চুলের পুনর্গঠন করে, এবং চুল পাতলা হওয়া এবং চুল পড়া রোধে সাহায্য করে। নারকেলের দুধে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট ও প্রোটিন পাওয়া যায়।
নারকেলের দুধ মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পে লাগিয়ে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন।

নিম

অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় নিম খুশকি দূর করার জন্য খুবই উপযোগী। এটি স্ক্যাল্পের নিচের রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে এবং চুলের গোঁড়ায় পুষ্টি যোগায়। ফলে মাথার ত্বক সুস্থ থাকে এবং চুল লম্বা হয়।
একটি পাত্রে পানি নিয়ে তার মধ্যে কিছু নিম পাতা দিয়ে ফুটান। পানি ফুটে অর্ধেক হয়ে গেলে পাত্রটি নামিয়ে রেখে মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ঠাণ্ডা হলে এই মিশ্রণটি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন।

আমলকি

প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় আমলকি চুলকে শক্ত ও মজবুত করে। ভিটামিন সি কোলাজেন প্রস্তুত করতে সাহায্য করে যা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এছাড়াও এটি আয়রন শোষণেও সাহায্য করে যা চুলকে শক্ত ও মজবুত রাখে এবং চুল পড়া রোধে সহায়তা করে।
কয়েকটি শুকনা আমলকি নারকেল তেলের মধ্যে দিয়ে গরম করুন। তেলের রং কাল হয়ে আসলে তেলটি নামিয়ে ঠাণ্ডা করে মাথায় মাসাজ করুন। ২০ মিনিট পরে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে রসুনের এই প্যাক


রান্নার অবধারিত একটি মশলা হল রসুন। রসুন ছাড়া রান্নার কথা চিন্তা করা যায় না। ত্বক থেকে ব্রণ দূর করতেও বেশ কার্যকর এই রসুন। শুধু কি ত্বকের যত্নে? চুলের যত্নেও রসুন বেশ কার্যকরী। রসুনে থাকা জিঙ্ক এবং কপার মাথার তালুর রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে এবং খুশকি দূর করে দেয়। যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। চুলের যত্নে কীভাবে রসুনের প্যাক ব্যবহার করবেন আসুন জেনে নেওয়া যাক।

১। রসুন এবং তেল

তেল এবং রসুন নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এমনকি মাথার তালুর ইনফেকশন এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করে দেয় রসুনের তেল। এক টেবিল চামচ রসুনের রসের সাথে আধা কাপ নারকেল তেল মিশিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল দিন। কুসুম গরম হয়ে আসলে এটি মাথার তালুতে ম্যাসাজ করে লাগান। এক ঘন্টা বা তারচেয়ে বেশি সময় এটি চুলে রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

২। রসুনের রস

রসুনের কয়েকটি কোয়া নিয়ে রস করে নিন। এটি সরাসরি মাথার তালুতে ম্যাসাজ করে লাগান। গোসলের আগে চুলে এটি লাগিয়ে নিন। কিছুসময় এটি মাথায় রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। কন্ডিশনার ব্যবহার করতে ভুলবেন না যেন।

৩। কাঁচা রসুনের সিরাম

চুল পড়া রোধের একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি হল কাঁচা রসুনের সিরাম। রসুনের তেলের সাথে এক টেবিল চামচ কাঁচা রসুনের রস মিশিয়ে নিন। এবার একটি তুলোর বলে সেটি লাগিয়ে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করে লাগান। কয়েক মিনিট মাথার তালু ম্যাসাজ করুন। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভাল করে চুল ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পাওয়ার জন্য এটি প্রতিরাতে ব্যবহার করুন।

৪। রসুন এবং অলিভ অয়েল

অলিভ অয়েলের বোতলে এক টুকরো রসুন দিয়ে দিন। এটি এভাবে এক সপ্তাহ রাখুন। এরপর প্রতিদিন রাতে এই তেল চুলে ব্যবহার করুন। পরের দিন সকালে চুল শ্যাম্পু করে নিন। কয়েক সপ্তাহের মাঝে পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

৫। রসুনের কন্ডিশনার

রসুনের কোয়া রোদে শুকিয়ে নিন। তারপর এটি গুঁড়ো করে পাউডার তৈরি করুন। এবার কন্ডিশনার সাথে রসুনের পাউডার মিশিয়ে নিন। এটি চুলে কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করুন। আপনি চাইলে এতে রসুনের রসও মেশাতে পারেন। এটি চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করবে।

৬। রসুনের প্যাক

রসুনের সেলিনিয়াম যখন ভিটামিন ই এবং ডিমের প্রোটিনের সাথে মিশে চুলের পড়া রোধ করে করে। নতুন চুল গোঝাতে সাহায্য করে। একটি ডিমের সাদা অংশ ভাল করে ফেটে নিন এরসাথে এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং এক টেবিল চামচ রসুনের রস মেশান। এবার প্যাকটি চুলে ভাল করে ম্যাসাজ করে লাগান। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে একবার এই প্যাকটি ব্যবহার করুন। এটি নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।

খুশকি তাড়াতে কিছু ঘরোয়া সমাধান


চুলজনিত সমস্যার মধ্যে খুশকিকে মোটামুটি চোখ বুঝে প্রথম সারিতে রাখা যায়। খুশকি নিয়ে বিপদে নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। খুশকির জন্য দায়ী অন্যতম প্রধান কারণ হল মাথার ত্বকের মৃত কোষ। আবার অনেকের মাথার ত্বকে অতিরিক্ত তেল নিঃসৃত হওয়া ও জেনেটিক কারণেও খুশকি হতে দেখা যায়।
আমরা অনেকেই মাথায় খুশকি হওয়াকে পাত্তা দিতে চাইনা কিন্তু যখন সাদা সাদা খুশকি আপনার মাথা থেকে ঘাড়ে ও কাঁধে ঝরে পড়ে তখন যে বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় সেটা কিন্তু পাত্তা না দিয়ে উপায় থাকেনা। এমনকি অতিরিক্ত খুশকি থাকলে আপনার মাথায় স্থায়ী ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে। তাই খুশকিকে খুব হালকাভাবে না নিয়ে এটি প্রতিরোধ বা প্রতিকারের জন্য আজই আপনার সচেতন হওয়া দরকার।
যারা খুশকি নিয়ে বিপদে আছেন তারা আর্টিকেলটি পড়তে মিস করবেন না। এই আর্টিকেলে আজ আপনাদের জানাবো কী করে ঘরে বসে আপনার মাথার খুশকি সমস্যার সমাধান করবেন।

খুশকি তাড়াতে ভিনেগার

যা যা লাগবে-
১ কাপ গরম পানি
-১ কাপ হোয়াইট
ভিনেগার -১ টি কাপ
১ টি কাপে গরম পানি আর ভিনেগার নিয়ে ভালোভাবে মিশান। এবার এই মিশ্রণ নিয়ে আপনার চুলের গোঁড়ায় সুন্দর করে লাগিয়ে নিন। এটা লাগিয়ে রাখার ১০ থেকে ২০ মিনিট পর স্বাভাবিক পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে আপনি সপ্তাহে এক থেকে দুই বার এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে খুশকি কমে আসবে আশা করি তবে আপনি আপনার চুলে খুশকির উপস্থিতি বুঝে এটি ব্যবহার করুন। আর একটা ব্যাপার মনে রাখবেন আপনার চুলের পরিমাণ বুঝে এই দুই উপাদানের মিশ্রণ কম বেশি ইচ্ছে মতো বানাতে পারেন।

খুশকি তাড়াতে বেকিং সোডা

যা যা লাগবে-
১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা
-১ কাপ গরম পানি
-কয়েক ফোটা রোজমেরি অয়েল(বাধ্যতামূলক নয়)
প্রতি ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডার সাথে ১ কাপ গরম পানি মিশিয়ে তা একটি বোতলে পুরে ভালোভাবে ঝাকিয়ে নিন। রেগুলার শ্যাম্পু করার আগে এই মিশ্রণ দিয়ে আপনার চুল ধুয়ে নিন আবার আপনি চাইলে শ্যাম্পুর সাথে এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিয়ে শ্যাম্পু করতে পারেন। প্রথমে হয়তো এতে আপনার চুল কিছুটা ড্রাই লাগতে পারে কিন্তু আস্তে আস্তে সেটা স্বাভাবিক হয়ে যাবে। আর রোজমেরি তেলটা এখানে অপশনাল। আপনি চাইলে ব্যবহার করতে পারেন আবার না চাইলে করবেন না। তবে রোজমেরি তেল খুশকি তাড়াতে সহায়তা করে তাই আপনি এই মিশ্রণ রেডি করার সময় কয়েক ফোটা তেল নিতেই পারেন।

খুশকি তাড়াতে নিমপাতা

যা যা লাগবে
কমপক্ষে দুই মুষ্টি নিমপাতা
-৪ থেকে ৫ কাপ গরম পানি
দুই মুষ্টি নিমপাতা নিয়ে ৪ থেকে ৫ কাপ গরম পানির মধ্যে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে এই পানি দিয়ে আপনার মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কিছুদিন এটি ব্যবহার করে দেখুন খুশকি চলে যাবে। আপনি চাইলে শুধু নিমপাতা বেটে তা চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টা মতো রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন দেখবেন খুশকি কমে যাবে।

খুশকি তাড়াতে লেবু

যা যা লাগবে-
২ টেবিল চামচ ও ১ চা চামচ ফ্রেশ লেবুর রস -১ কাপ পানি
প্রথমে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন ও ২ থেকে ৫ মিনিট রাখুন। এবার ১ চা চামচ লেবুর রস ও ১ কাপ পানি মিশিয়ে সেটা দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। যতদিন খুশকি পুরোপুরি না যায় ততদিন এভাবে ব্যবহার করুন।

খুশকি তাড়াতে অ্যালোভেরা জেল

শুধু মাত্র অ্যালোভেরা জেল নিয়ে আপনার মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর চুল ধুয়ে ফেলুন এবং তারও ১৫ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতেই আপনার মাথায় খুশকির যন্ত্রণা কমে আসবে। এটি আপনার মাথায় খুশকি বুঝে যতদিন ইচ্ছে ফলো করে যান।
চুল খুশকি মুক্ত রাখতে আপনার চুল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। আর একটা ব্যাপার মনে রাখুন, মাথায় অ্যান্টিডান্ড্রাফ শ্যাম্পু দিয়েই মাথার চুল ধুয়ে ফেলবেন না, মিনিমাম ৫ মিনিট অপেক্ষা করে তারপর চুল ধুয়ে নিন এতে শ্যাম্পু সত্যিকার অর্থে কাজ করবে।

মাত্র এক গ্লাসেই উধাও পাকা চুল


অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া খুবই কমন একটি ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে একেকজন মরিয়া হয়ে ওঠেন। কেউ চুলে মেহেদী দিচ্ছেন, কেউ বাজার থেকে কৃত্রিম রং এনে তা চুলে মাখছেন। খাবারের ভেজাল আর পরিবেশ দূষণের কুফলই কম বয়সে চুল পাকার একটি অন্যতম কারণ। একটি মিশ্রণ খেয়েই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন সেই ম্যাজিক মিশ্রণ। যা
যা লাগবে:
– ১০০ গ্রাম তিসির তেল
– ২টি মাঝারি মাপের পাতিলেবু
– ২ কোয়া ছোট রসুন
– ৫০০ গ্রাম মধু
যেভাবে তৈরি করবেন:
একটি লেবু খোসা ছাড়ানো অার অন্যটি ছোট ছোট টুকরো হবে। এবার রসুন ও লেবু পেস্ট করে নিন। পেস্ট করার সময় কোনভাবেই পানি মেশাবেন না। এখন এই মিশ্রণের সাথে তিসির তেল এবং মধু দিয়ে আবার ভালো করে মেশান। মিশ্রণটি একটি পরিষ্কার এয়ার টাইট কাঁচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। একদিন পরে বের করে ব্যবহার করুন। রোজ খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে দিনে তিন বার এক চামচ করে খান। এজন্য কাঠের চামচ ব্যবহার করবেন।
২ সপ্তাহের মধ্যেই তফাতটা ধরতে পারবেন। মিশ্রণটি নিয়মিত খেলে পাকা চুল কালো হয়ে উঠবে। শুধু তাই নয়, মিশ্রণটি খেলে দৃষ্টিশক্তি প্রখর হবে, চুল পড়ার সমস্যা দূর হবে এবং নতুন চুল গজাবে। এছাড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে এবং কুঁচকানো চামড়া টানটান করবে।