• কমলা লেবুর খোসার ৭টি অসাধারণ ব্যবহার!

    কমলালেবু খাওয়ার পর সাধারণত আমরা এর খোসা ফেলে দেই। কারণ আপাত দৃষ্টিতে এর কোনো গুণাগুণ আমরা খুঁজে পাই না। কিন্তু অনেকেই জানি না যে এই কমলার খোসার রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুন ও ব্যবহার। অন্যান্য অনেক ফলের খোসার চেয়ে কমলার খোসার গুনাগুন অনেক বেশি।

  • ত্বকের দাগ দূর করার ঘরোয়া গোপন ৩ টি কৌশল

    ত্বকের রঙ যেমনই হোক না কেন ত্বক যদি পরিষ্কার থাকে তাহলেই আসল সৌন্দর্য ফুটে উঠে। রঙ ফর্সাকারী কেমিক্যাল যুক্ত ক্রিম, ফেসওয়াশ, মাস্ক ব্যবহার করে যদি শুধু ত্বকের রঙ ফর্সা করতে গিয়ে ত্বকে ব্রণের দাগ বা ছোপ ছোপ দাগ করে ফেলেন তাহলে কি তা দেখতে ভালো দেখাবে? মোটেই নয়।

  • আপনার চেহারায় ফুটে থাকুক চিরতারুণ্য

    বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার ত্বকে, আপনার মুখে তার ছাপ রেখে যাচ্ছে। আপনার কি এই বুড়োটে হয়ে যাওয়া দেখতে ভাল লাগছে? লাগছে না। বয়সের ছাপ থাকুক কিন্তু সেটা যেন বয়সের চাইতে বেশী না দেখায় । তাই আপনার চির সবুজ মনের সাথে সাথে চেহারায়ও যদি চিরতারুণ্য ধরে রাখা যায় তবে তার চাইতে ভাল আর কি হতে পারে। তারুণ্যদীপ্ত চেহারার জন্য যা কিছু করা দরকার-

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে অনন্য সবজি বীটের দারুণ কিছু ব্যবহার


বীট সবজিটির সাথে কম বেশি আমরা সবাই পরিচিত। অনেকভাবেই এটা রান্না করে খাওয়া হয় বা সালাদেরও এটা ব্যবহার করা হয়। আবার এর অসাধারণ লাল রঙ অনেক খাবারের প্রাকৃতিক রঙ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু ত্বকের সৌন্দর্য চর্চায় বীটের ব্যবহার অনেকেরই অজানা। মুখের ত্বকের বলিরেখা বা ভাঁজ দূর করতে অনেক বেশি কার্যকর। কারন এই সবজিটিতে রয়েছে অনেকবেশি পুষ্টি উপাদান যা ত্বককে করে তোলে স্বাস্থ্যউজ্জ্বল এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ার গতিকে ধীর করতে সাহায্য করে। ভিটামিন সিতে ভরপুর বীটে রয়েছে পটাসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, ফোলেট এবং খাদ্যআঁশ। এগুলো বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার প্রতিকার করে এবং এটি রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দিয়ে ত্বককে করে সতেজ। বীটের রস মুখের ব্রণ, দাগ এবং ডার্ক সার্কেল দূর করতে ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া ত্বকের রঙ উজ্জ্বলও করতে পারে এই বীট।

চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক ত্বকের ক্ষেত্রে বীট ব্যবহার-

উজ্জলতা বাড়াতে
বীটের জুসে আয়রন ছাড়াও রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ যা খেলে ত্বকের উজ্জলতা বাড়ে। এছাড়া এটা মুখেও লাগাতে পারেন। মুখ ধুয়ে বীটের রস লাগিয়ে কিছুক্ষন রেখে ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিন পরই দেখুন চমক।

ব্রণ সারাতে
২ চা চামচ বীটের রস নিয়ে তাতে ১ চা চামচ টকদই দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে ব্রণ আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া নিয়মিত বীটের জুস খেতে হবে।

ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে
ত্বকের উজ্জলতা যদি বাড়াতে চান তাহলে বীটের রস এবং লেবুর রস মিশিয়ে মুখে মাখুন। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারের পর পার্থক্যটা চোখে পড়বেই।

ডার্ক সার্কেল
যদি কারো ডার্ক সার্কেল বা চোখের চারপাশ ফোলা থাকে তাহলে রাতে ঘুমানোর আগে বীটের রস আক্রান্ত স্থানে লাগান।

চুলপড়া রোধে
চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। চুল পড়ার সমস্যা কমাতে বীট খুবই উপকারি। বীটের রসের সাথে কিছুটা আদার রস মিশিয়ে গোসলের আগে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষন তারপর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়া কমে যাবে।

ত্বকের দাগ কমাতে
ত্বকের দাগ কমাতে টমেটোর রসের সাথে বীটের রস মিশিয়ে মুখে লাগালে উপকার পাবেন।

শুষ্ক ত্বক
অনেকেই শুষ্ক ত্বক নিয়ে খুব সমস্যায় ভোগেন। তাদের ক্ষেত্রে বীট বেশ উপকারি ভূমিকা রাখতে পারে। বীটের রসের সাথে কিছুটা দুধ এবং কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে মুখে মেখে রাখুন এবং ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধে
ত্বকের বলিরেখা প্রতিরোধে বীটের রস বেশ উপকারি। সপ্তাহে একদিন মুখে বীটের রস মাখুন।

ঠোট
প্রতিদিন রাতে বীটের রস ঠোটে লাগিয়ে ঘুমাতে যান। কিছুদিন পর আবিস্কার করুন ঠোটের বর্ধিত সৌন্দর্য।
লেখিকা
শওকত আরা সাঈদা(লোপা)
জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ
এক্স ডায়েটিশিয়ান,পারসোনা হেল্‌থ
খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান(স্নাতকোত্তর)(এমপিএইচ)
মেলাক্কা সিটি, মালয়েশিয়া।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

জেনে নিন মেথি ব্যবহার করে ওজন কমাবার ৫টি দারুণ কৌশল


ওজন কমানোর জন্য আমরা কত ভাবেই না যুদ্ধ করি। তবে তার মানে এই না যে শুধুমাত্র মোটা হওয়ার কারনে এইসব চেষ্টা। দেহকে একটি সুন্দর আকৃতি দেয়ার জন্যও এই ধরনের চেষ্টা আমরা করে থাকি। কারণ যাই থাকুক না কেন ভাল থাকার জন্য দেহের সুন্দর আকৃতি ও শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই ওজন কমানোর উদ্যোগকে আরো ফলপ্রসূ করতে আজ আপনাদের কিছু জাদুকরি উপায় জানাবো। ভেষজ মশলা হিসেবে মেথি বীজ আমাদের সবার কাছে বেশ পরিচিত। সেই সাধারণ মেথিও কিন্তু আপনার ওজন কমানোতে দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে। কীভাবে? যেমন আপনি জানেন কি, মেথি ভেজানো পানি খেলে খব দ্রত ওজন কমে? চলুন, জেনে নিই মেথি ব্যবহার করে ওজন কমানোর ৫টি দারুণ কৌশল।

ভাজা মেথিবীজ-
এটি হচ্ছে ওজন কমানোর জন্য চমৎকার একটি উপায় যার জন্য অন্য কোন ঔষধ খেতে হবে না। কিছু মেথিবীজ একটি প্যানে নিয়ে কম আঁচে ভেজে নিয়ে সেটাকে গ্রাইন্ডারে গুড়ো করে পাউডার করতে হবে। তারপর কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে এবং সেই সাথে এই মেথিবীজের পাউডার চাইলে তরকারিতেও ব্যবহার করতে পারেন ওজন কমানোর জন্য।

মেথিবীজ পানিতে ভিজিয়ে-
মেথিবীজ ভেজানো পানি খেলে তা ওজন কমাতে সহায়ক হয়। কারণ এটি খেলে তা খাবারের পরিতৃপ্তি এনে দেয়। যার ফলে ক্ষুধা কম অনুভূত হয় এবং বেশি খাওয়ার ইচ্ছেটা কমে যায়। এর ফলে খুব দ্রুত ওজন কমে। আরো এক ভাবে খেতে পারেন। ১ কাপ মেথিবীজ পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর পানি ছেঁকে নিয়ে ভেজানো সেই মেথিবীজ গুলো প্রতিদিন সকালে খালি পেটে চিবিয়ে খেতে হবে।

 অঙ্কুরিত মেথিবীজ-
অঙ্কুরিত মেথিবীজে উচ্চ মাত্রার ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন এ, বি, সি এবং ই, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, পটাসিয়াম, অ্যামাইনো এসিড, হজম সহায়ক খনিজ পদার্থ এবং আরো অনেক কিছু রয়েছে। একটি বাটিতে মেথিবীজ নিয়ে তা একটি পাতলা কাপড় পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে ঢেকে রেখে তার উপর ভারি কিছু দিয়ে ৩ রাত এভাবে রেখে দিতে হবে।তারপর দেখা যাবে মেথিবীজ অঙ্কুরিত হয়েছে এবং সেই বীজগুলো খেতে পারেন।
মেথিবীজের চা-
চমৎকার মেথিবীজের এই চা দুইটি কাজে সাহায্য করে,ওজন কমাতে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে। এছাড়া হজমের ক্ষেত্রে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনেরও তা ভাল কাজ করে।সামান্য পানি দিয়ে কিছু মেথিবীজ পেস্ট করতে হবে।একটি পাত্রে পানি ফুটিয়ে নিয়ে তাতে সেই পেস্ট দিতে হবে। চাইলে তাতে কিছু ভেষজ মশলা দেয়া যায় যেমন আদা এবং দারুচিনি। তারপর পাত্র ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। প্রতিদিন এই চা খালি পেটে খেতে হবে।

মেথিবীজ ও মধু চা-
দেহের আকর্ষণীয় আকৃতি পেতে ও ওজন কমাতে মধুমিশ্রিত মেথিবীজের চা চমৎকার কাজ করে। মেথিবীজ গ্রাইন্ডারে গুড়ো করে নিতে হবে। সেই পাউডার পানিতে দিয়ে ফুটিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে এবং এভাবে ৩ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। তারপর সেই পানিটা ছেকে নিয়ে তাতে লেবুর রস ও মধু যোগ করতে হবে। ভাল ফলাফল পেতে এই চা টি প্রতিদিন সকালে খেতে হবে।

এই পাঁচটি উপায়ই হচ্ছে মেথিবীজ ব্যবহার করে কার্যকর ভাবে ওজন কমানোর প্রক্রিয়া। তাহলে আর দেরি কেন,শুরু করে দিন আজ থেকেই আর পৌছে যান আপনার লক্ষ্যমাত্রার ওজনে।

লেখক
শওকত আরা সাঈদা(লোপা)
জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ
এক্স ডায়েটিশিয়ান,পারসোনা হেল্‌থ
খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান(স্নাতকোত্তর)(এমপিএইচ)
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

পেটপুরে খেলেও মজাদার এই দারুণ স্যুপটি ওজন কমাবে


ডায়েট করতে করতে বিরক্ত হয়ে গেছেন, তবুও কমে না ওজন? এখন থেকে কমবে! আজই ভুলে জান ডায়েটের কথা আর পেটপুরে খেতে শুরু করুন। কী খাবেন? জেনে নিন একটি জাদুকরী স্যুপের ব্যাপারে। এই ভীষণ মজাদার স্যুপটি দিনে একবার বা দুবার করে খেতে শুরু করুন, বিনা কষ্টে ডায়েট ছাড়াই কমবে ওজন। মাত্র ৭দিনেই ঝড়ে যাবে অনেকটা বাড়তি ওজন।

জেনে নিন স্যুপটির প্রস্তুত প্রণালি-

উপকরণঃ

-কাটা ছাড়া বড় মাছ কিংবা মুরগির কিমা ১ কাপ
-ফিশ বা চিকেন ষ্টক ২ কাপ (মাছ হলে ফিশ আর মুরগি হলে চিকেন ষ্টক ব্যবহার করুন। ষ্টক তৈরি করতে মাছ বা মুরগির টুকরো আদা, রসুন, লবণ, গোল মরিচ দিয়ে জ্বাল দিন অল্প আছে। ঘণ্টা খানেক জ্বাল দিলে আপনার ষ্টক তৈরি ব্যবহারের জন্য। চাইলে সবজির ষ্টকও ব্যবহার করতে পারেন।)
-মরিচ, পুদিনা পাতা কুচি, গোল মরিচ গুঁড়ো স্বাদমত
-সবজি পছন্দ মত ১ কাপ (গাজর, পেঁপে, ফুলকপি, ব্রকলি, বাঁধাকপি, বরবটি, পালং শাক, বেবি কর্ণ ইত্যাদি)
-সয়াসস সামান্য
-কর্ণ ফ্লাওয়ার ১ চা চামচ
-ফিশ সস ১ চামচ (না দিলেও হবে)
-লবণ স্বাদমত।

প্রণালিঃ

-মাছ বা মাংসের কিমাকে মাখিয়ে নিন সয়াসস, লবণ ও গোলমরিচ দিয়ে। চাইলে দিতে পারেন আপনার পছন্দের যে কোন মশলা। তবে না দিলেই ভালো লাগবে বেশি।
-এই মাখানো মাছ বা মাংসের মাঝে মরিচ ও পুদিনা পাতা কুচি ভরে ছোট ছোট বল আকারে গড়ে নিন।
-চুলায় ষ্টক গরম দিন। এতে একে একে সয়াসস, ফিশ সস, লবণ ও গোলমরিচ দিয়ে দিন। তারপর ফিশ বা চিকেন বল গুলো দিয়ে দিন। অল্প আঁচে বলগুলো সিদ্ধ হতে দিন।
-সবজিগুলোকে আগেই ভাপিয়ে রাখুন। বলগুলো সিদ্ধ হয়ে গেলে সবজিগুলো ষ্টকের মাঝে দিয়ে দিন।
-আরও কিছুক্ষণ রান্না করুন। এরপর কর্ণফ্লাওয়ার টুকুন পানিতে গুলিয়ে স্যুপের মাঝে দিয়ে দিন। নাড়ুন। স্যুপ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে নিন। খুব বেশি ঘন হবে না , আবার পাতলাও না। চাইলে আরও কর্ণ ফ্লাওয়ার দিতে পারেন। ব্যস, তৈরি আপনার স্যুপ।

ওজন কমানোর জন্য কীভাবে খাবেন?

দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে এই স্যুপটি এক বাটি করে খান দিনে দুইবেলা। সাথে রাখুন ছোট্ট এক টুকরো টোস্ট। কিংবা আপনি চাইলে এক মুঠো রাইস নুডুলস দিয়েও নিতে পারেন। এখানে যেটুকু তৈরি করা হয়েছে, সেটা আপনি দুবেলা খেতে পারবেন। সকালে আপনার পছন্দমত যে কোন ব্রেকফাস্ট করুন, ভাত-রুটি কিংবা আপনার যা ভালো লাগে। কোন বিধিনিষেধ নেই। কিন্তু দুপুরে ও রাতে খান এই খাবারটি। অর্থাৎ দুপুরে ও রাতে ভাত কিংবা রুটির বদলে এই খাবারটি চলবে।

না, এই খাবার খেলে আপনি মোটেও দুর্বল হয়ে পড়বেন না। কারণ এতে আছে পর্যাপ্ত মাত্রায় প্রোটিন, সামান্য কার্বোহাইড্রেট, প্রচুর সবজি অর্থাৎ প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেলস। একদম লো ফ্যাট ও লো ক্যালোরির এই খাবারটি আপনাকে দুর্বল হয়ে পড়তে দেবে না, কিন্তু ওজন কমাবে দ্রুত। পেটটাও ভরা থাকবে অনেকক্ষণ। তবে হ্যাঁ, ভালো ফল পেতে ভাজাভুজি খাবার কিছুদিনের জন্য বাদ দিয়ে দিন।

পরামর্শ দিয়েছেন-
ফজলুল করিম
পারসোনাল ট্রেইনার
সেনোরিটা স্লিমিং সেন্টার, মেহেদিবাগ, চট্টগ্রাম।

রেসিপি ও ছবি-
আতিয়া আমজাদ
শৌখিন রন্ধন শিল্পী

সূত্র: প্রিয় লাইফ

লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

ঋতুস্রাবের ব্যথা কম করার দারুণ কার্যকরী ১০ টিপস


ঋতুস্রাব মেয়েদের স্বাভাবিক একটি বিষয়। আর এই সময়ে পেটে ব্যথা কম বেশি সব মেয়েদের হয়ে থাকে। অনেকের ব্যথার পরিমাণটা এত বেশি হয়ে থাকে যে মাসিকের সময় তাদের স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি হয়। ঔষধ খাওয়া ছাড়াও ঘরোয়া কিছু উপায় আছে যা পেট ব্যথা অনেকটা কমিয়ে দেয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক ঘরোয়া উপায়গুলো

১। গরম পানির প্যাক
পেটে ব্যথার জায়গায় গরম পানির সেঁক দিতে পারেন। হট ব্যাগের মধ্যে গরম পানি নিয়ে পেটের ওপর দিতে পারেন। এটি আপনার ব্যথা অনেকটা কমিয়ে দেবে। এছাড়া গরম পানি দিয়ে গোসলও করতে পারেন। এটিও আপনার পেটের ব্যথা কমিয়ে কিছুটা স্বস্তি হবে।

২। দুধ
প্রতিদিন সকালের নাস্তায় এক গ্লাস দুধ পান করুন। এটি আপনার শরীরের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করবে। যদি আপনি দুধ খেতে না পারেন তবে ক্যালসিয়ামের ট্যাবলেট খেতে পারেন।

৩। আদা
আদা বেশ উপাকারী ঋতুস্রাবের ব্যথা রোধের জন্য। আদা চা পান করলে এই সময় বেশ ভাল উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া কয়েক টুকরো আদা গরম পানিতে সেদ্ধ করে চাইলে এর সাথে মধু বা চিনি যোগ করে এটি দিনে তিন-চারবার পান করতে পারেন।

৪। পেঁপে
ঋতুস্রাবের ব্যথা রোধের জন্য পেঁপে খাওয়া বেশ কার্যকরী। ঋতুস্রাবের সময় নিয়মিত কাঁচা পেঁপে খান। কাঁচা পেঁপে মাসিকের ব্যথা কমিয়ে দেয়।

৫। ল্যাভেন্ডার অয়েল
মাসিকের ব্যথার সময় পেটে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল মালিশ করুন। ১০- ১৫ মিনিটের মধ্যে এটি আপনার ব্যথা কমিয়ে দেবে অনেকখানি।

৬। অ্যালোভেরা রস
অ্যালোভেরা রসের সাথে মধু মিশিয়ে একটি জুস তৈরি করে ফেলুন। মাসিকের ব্যথার সময় এটি পান করুন। দিনে কয়েকবার এটি পান করুন। ব্যথা অনেকখানি কমিয়ে দেবে এই পানীয়টি।

৭। ধনে বীজ
ধনে বীজে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটোরি উপাদান রয়েছে, যা মাসিক ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। কয়েকটা ধনে বীজ গরম পানিতে সেদ্ধ করুন। এই পানীয়টি দিনে দুইবার পান করন। এটি আপনার মাসিক ব্যথা অনেকটা কমিয়ে দেবে।

৮। কফি এড়িয়ে চলুন
এ সময়টায় কফি-জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। কফিতে মূলত ক্যাফেইন থাকে যা রক্তনালীসমূহকে উত্তেজিত করে তোলে। এবং এটি পেটে অস্বস্তিকর অনুভূতি বাড়িয়ে দেয় অনেকখানি।

৯। গাজর
এক গ্লাস গাজরের রস আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পেটে ব্যথা থেকে মুক্তি দেবে। মাসিক চলাকালীন প্রতিদিন এক গ্লাস গাজরের রস পান করার চেষ্টা করুন।

১০। প্রচুর পানি এবং পানীয় জাতীয় খাবার খান
দেহের শুষ্কতারোধে প্রচুর পরিমাণ পানি এবং পানিজাতীয় খাবার খান। কেননা এই সময়টায় শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এছাড়া এই সময় ভিটামিন এবং মিনারেল-জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরী। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় মিনারেল। ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার রাখার চেষ্টা করুন।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন


উপকরণ :

মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম
আদা বাটা ১ চা চামচ
রসুন বাটা ১ চা চামচ
জিরা বাটা ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ
মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ
এলাচ ২টি
দারচিনি ২ টুকরা
তেজপাতা ১টি
পানি পরিমাণমতো
তেল ২ টেবিল চামচ
লবণ স্বাদমতো
পেঁয়াজ বাটা ১ চা চামচ

প্রস্তুত প্রণালী :

মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। চুলায় হাঁড়ি বসিয়ে গোটা গরম মসলার ফোড়ন দিন। এবার সব বাটা ও গুঁড়া মসলা পানি দিয়ে গুলে কড়াইয়ে দিয়ে দিন। মসলা কষিয়ে মাংস দিন। এরপর মাংস ভালো করে কষান। মাংস কষানো হলে তা ডুবে যায় এমন পরিমাণে পানি দিন। মাংস সিদ্ধ হলে এবং ঝোল মাংসের সমান হলে নামিয়ে নিন।

লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।