Pages - Menu
▼
যেভাবে সহজেই তৈরি করবেন চিকেন রেজালা
যেভাবে সহজেই তৈরি করবেন চিকেন রেজালা
ছবি ও রেসিপিঃ বিথী জগলুল
যা প্রয়োজনঃ
দেশী চিকেন– ১টি
টকদই– ১/২ কাপ
সেদ্ধ আলু– ৭-৮টি (ইচ্ছা)
পিয়াজ কুচি– ২ টে চামচ
আস্ত গরমমসলা– দরকারমতো
হলুদ,মরিচ গুড়া– ১ চা চামচ করে
জিরা, ধনে গুড়া– ১/২ চা চামচ করে
পিয়াজ বাটা– ২ টে চামচ
জিরা বাটা– ১ চা চামচ
আদা, রসুন বাটা– ১ টে চামচ করে
জায়ফল, জয়ত্রি বাটা– ১/২ চা চামচ করে
বেরেস্তা– ১/২ কাপ
কাচামরিচ ফালি– ৫-৬টি
তেল, লবন– পরিমানমতো
ঘি– সামান্য
চিনি– সাদমতো
যেভাবে করবেনঃ
– মুরগী পছন্দমতো টুকরা করে ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। মুরগীর সাথে ফেটানো টকদই দিয়ে মাখিয়ে রাখুন কমপক্ষে ১ ঘন্টা।
– হাড়িতে তেল গরম করে পিয়াজ কুচি ভেজে অল্প পানিতে জায়ফল-জয়ত্রি বাটা ছাড়া অন্য সব মসলাগুলি ভালোভাবে কষিয়ে নিন।
– এইবার টকদইসহ মুরগী ঢেলে জায়ফল-জয়ত্রি বাটা সহ আবার কষান। খুব ভালোভাবে কষানো হলে বেরেস্তা গুড়া করে ও সেদ্ধ আলু মিশিয়ে পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন।
– পছন্দমতো ঘন হলে ঢাকনা খুলে কাচামরিচ ফালি, চিনি ও ঘি দিয়ে কিছুক্ষন দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন।
পরিবেশনঃ
** পরিবেশন করুন আপনার পছন্দের চাপাতি, নান, পরোটা অথবা পোলাউ দিয়ে।
** সবাই খুব ভালো থাকুন, সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন। আর সবসময় আমাদের সাথেই থাকুন। কারন, আপনাদেরকে নিয়ে আমরা যেতে চাই আরও বহুদুর!! ধন্যবাদ।
এই রেসিপি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন
চিংড়ি-চিচিংগার চচ্চড়ি
উপকরণঃ
চিংড়ি মাছ– ২৫০ গ্রাম
চিচিংগা– ২৫০ গ্রাম
কাঁঠালের বিচি– ১/২ কাপ (কুচি করা)
টমাটো কুচি– ১ টি
পিয়াজ কুচি– ১/৪ কাপ
হলুদ-মরিচ-ধনে গুঁড়া– ১/২ চা চামচ করে
কাঁচামরিচ– ৪-৫টি
লবণ– স্বাদমতো
তেল– পরিমাণমতো
** চিংড়ি স্টাফ করার জন্যে চিচিংগা ভাপ দিয়ে নেয়া। আমি জাস্ট প্ল্যাটারের জন্যে করেছি। আপনারা না করলেও পারেন।
যেভাবে করবেনঃ
প্যানে তেল গরম করে পিয়াজ দিন। পিয়াজ নরম হয়ে আসলে অল্প পানিতে মসলা ও কাঁঠালের বিচি কষিয়ে নিন।
কষানোর মধ্যেই কাঁঠালের বিচি প্রায় সেদ্ধ হয়ে আসলে চিচিংগা কুচি ও চিংড়ি মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন।
সব কিছু সেদ্ধ হয়ে গেলে টমাটো কুচি ও কাঁচামরিচ মিশিয়ে কিছুক্ষন দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন।
প্ল্যাটার রেডিঃ
চিচিংগা লম্বা-লম্বি মাঝ বরাবর কেটে ভেতরের অংশ পরিষ্কার করে নিন।
এবার ফুটন্ত গরম পানিতে মিনিটখানেক ভাপ দিয়ে পানি ঝরিয়ে মুছে নিন।
এই ভাপ দেয়া চিচিংগার ভেতরে রান্না করা চিংড়ির পুর ভরে সাজিয়ে পরিবেশন করুন চচ্চড়ি ।
আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।
চিংড়ী- পুইশাক আলু ভাজি
চিংড়ি দিয়ে পুইশাক -আলু ভাজি। সাথে কচকচে কাচাঁমরিচ ! অনেক মজার এই রান্নাটি করতে পারেন সাহরিতে বা যে কোন সময়।
রেসিপি ও ছবিঃ আনার’স কিচেন এন্ড রেসিপি
উপকরণ:
পুইশাক এক আটিঁ
আলু কুচি মিড়িয়াম ১টি
মাঝারি চিংড়ী কুচি ১/২কাপ
কাচাঁমরিচ ফালি ২-৩টি
রসুন ছেচাঁ ৫-৬ টি কোয়া
পেয়াজঁ কুচি ১টি
হলুদ গুড়াঁ ১/২ চা চামচ
মরিচ গুড়াঁ ১/২ চা চামচ
আদ-রসুন বাটা ১চা চামচ
মিক্স মশলা ১/২ চা চামচের কম
লবণ স্বাদ মত
তেল ২ টেবিল চামচ
ধনেপাতা কুচি
পদ্ধতি:-
প্রথমে পুইশাক ও আলু কুচি করে নিতে হবে আলাদা করে। ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
চিংড়ি মাঝারি খোসা ছিলে ময়লা পরিস্কার করে কুচি করে রাখুন।
বাকি উপকরণ পাশে তৈরি করে রাখুন।
এখন রসুন ছেচাঁ ,কাচাঁমরিচ কুচি ও পেয়াজঁ হাওয়ান দিস্তকায় থেতলে নিন।
এবার কড়াইতে তেল গরম করে রসুন পেয়াজের মিশ্রণটা দিন । নেড়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। চিংড়ি মাছ দিন। নেড়ে কয়েক সেকেন্ড পর বাটাও গুড়া মশলা দিন । লবণ ও অল্প পানি দিয়ে কষিয়ে নিন।
এবার আলু দিন আগে । নেড়ে ভেজে নিন কিছুক্ষণ। তারপর পুইশাক দিন।নেড়ে নেড়ে ভাজতে হবে।
এবার অল্প পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করতে হবে ৫ মিনিট। যখন দেখবেন শাক -আলু ভাজা ভাজা হয়ে আসছে তখন ধনেপাতা দিয়ে নেড়ে কয়েক সেকেন্ড পর নামিয়ে নিন।
ধোয়া উঠা গরম ভাতে পরিবেশন করুন ফ্রেশ কাচাঁমরিচ দিয়ে !
আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।
তাওয়া তে তৈরি করুন নান রুটি

উপকরণঃ
২ কাপ ময়দা,
আধা চা চামচ কালো জিরা( ইচ্ছার উপর)
এক চা চামচ ইষ্ট (প্যাকেট এর গায়ে নিয়মাবলী অনুসরণ করুন).
লবন সাধ অনুযায়ী
আধা চামচ চিনি
২ টেবিল চামচ টক দই
দেড় টেবিল চামচ তেল
কুসুম গরম পানি পরিমান মতো
রুটি তৈরি করার সময় আরও ময়দা লাগবে।
প্রনালিঃ-
সব শুকনো উপকরন এক সাথে নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর দই আর পরিমান মতো পানি দিয়ে নরম খামির তৈরি করে নিয়ে ভেজা কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে কোন গরম জায়গায় ৪ ঘণ্টা রেখে দিন খামির।
খামির ৪ ঘণ্টা পর ফুলে উঠবে, আবার ভালো করে মথে নিন। রুটি গুলো নরমাল রুটি থেকে একটু মোটা হয় তাই সেই রকম আন্দাজে খামির গুলো টুকরা করে নিন।
পরে রুটি বানানোর আগে যে জায়গায় উপর রুটি বানাবেন সে জায়গায় ময়দা ছিটিয়ে নিয়ে আপনার পছন্দ অনুযায়ী রুটির আকার দিন।
তাওয়া গরম করতে দিন মাঝারী আঁচে, এখন রুটির এক পাশে পানি ছিটিয়ে দিন। তাওয়া গরম হলে রুটি দিয়ে দিন ছেকার জন্য।
রুটির যে পাশে পানি দিয়েসেন ওই পাশ টা যাতে নিচে থাকে। যখন রুটি একটু ফুলতে থাকবে আর রুটি শুকাতে থাকবে তখন তাওয়া সহ রুটি উলটিয়ে ধরুন চুলার আগুনের ২/৩ ইঞ্চি উপর,চিন্তার কারন নাই রুটি পরবেনা, রুটি তাওয়ার সাথে আটকিয়ে থাকবে।
যখন রুটির রং হাল্কা বাদামি হবে তাওয়া থেকে নামিয়ে প্লেট রেখে কিছু দিয়ে ঢেকে দিন। নান রুটি তৈরী খাওয়ার জন্য।
আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।
সকালের ১টি কাজে ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও ঝলমলে

সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি ত্বকে তেলতেল ভাবের আধিক্য সেইসাথে ছোপ ছোপ দাগ দেখতে পান তাহলে নিশ্চয়ই ভালো লাগে না। এছাড়াও সারারাত ঘুমানোর পর চোখের নিচের ফোলা ভাব কিংবা রাতে ভালো ঘুম না হলে চোখের নিচে কালো দাগ পরা খুব স্বাভাবিক। যদি দিনের বেলায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রোগ্রাম থাকে তাহলে কি এভাবে কাটাতে ভালো লাগবে? মোটেই নয়। তাই সকালে মাত্র ১০ মিনিট বের করে মাত্র ১ টি কাজ করে দেখুন। দেখবেন পুরোদিনই ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও ঝলমলে। সেই সাথে চিরকাল ত্বকে ফুটে থাকবে স্নিগ্ধতা।
যা যা লাগবেঃ
৬-৭ চা চামচ চা পাতা
১০-১২ ফোঁটা লেবুর রস
১ লিটার পানি
পদ্ধতি ও ব্যবহার বিধিঃ
– ১ লিটার পানি চুলায় ফুটতে দিয়ে এতে চা পাতা দিয়ে জ্বাল দিয়ে লিকার করে নিন। লিকার মাঝারি ধরণের গাঢ় হবে।
– এরপর লিকার ঠাণ্ডা করতে দিন। ঠাণ্ডা হয়ে এলে এতে লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন এবং বরফের ট্রে তে মিশ্রণটি ঢেলে বরফ জমতে দিন। সবচাইতে ভালো হয় যদি এই কাজটুকু রাতে করে রাখেন। পুরো রাতে বরফ জমে যাবে।
– এরপর সকালে উঠে প্রথমে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। চাইতে প্রাকৃতিক একটি স্ক্রাবার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিন। চালের গুঁড়ো এবং দুধ মিশিয়ে তা দিয়ে ত্বক স্ক্রাব করে নিন।
– তারপর বানিয়ে রাখা বরফের মাত্র ২ টি খণ্ড নিয়ে একটি সুতি পাতলা কাপড়ে পেঁচিয়ে নিয়ে তা দিয়ে বরফ না গলা পর্যন্ত আলতো করে ঘষে নিন পুরো ত্বকে।
– চোখের নিচের দিকে ভালো ভাবে সতর্কতার সাথে ঘষে নিন। এতে চোখের নিচের ফোলা ভাব ও কালো দাগ অনেকাংশে দূর হয়ে যাবে।
– এরপর মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন এবং ভালো করে ময়েসচারাইজার ও সানস্ক্রিন লাগান। এরপর অন্যান্য প্রসাধনী ব্যবহার করে নিন।
উপকারিতাঃ
– এই কাজটি করার ফলে চায়ের অ্যান্টিএইজিং উপাদান ত্বকের বয়সের ছাপ দূর করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
– লেবুর ব্লিচিং এজেন্ট ত্বকের নানা রকম দাগ ফিকে করে ফেলতে সহায়তা করে। ২ তেলতেলে ভাব দূর করতে সহায়তা করে।
– অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বক হলে বরফ জমানোর আগে মিশ্রনে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন।
নিয়মিত বিউটি টিপস ও রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।
নিখুঁত সুন্দর ত্বকের জন্য একটি জাদুকরী ফর্মুলা
নিখুঁত সুন্দর ত্বকের জন্য একটি জাদুকরী ফর্মুলা
সুন্দর ত্বকের জন্য এটা-সেটা মুখে কত কিছুই তো মাখেন আপনি। কিন্তু জানেন কি, এইসব রাসায়নিক দ্রব্য আপনার ত্বকের কি ভয়াবহ ক্ষতি সাধন করে? এইসব পণ্য মেখে ত্বক তো সুন্দর হয়ই না, উল্টো টাকা খরচের পাশাপাশি উল্টো বুড়িয়ে যেতে থাকেন আপনি। কী করবেন? জেনে নিন খুব অল্প চেষ্টায় নিখুঁত সুন্দর ত্বক পাবার একটি জাদুকরী ফর্মুলা।
শিখে নিন মাত্র ৩টি উপাদান মিশিয়ে একটি দারুণ ক্রিম তৈরি করার উপায়। এই দারুণ ফর্মুলা আপনার ত্বককে রাখবে সুন্দর ও টানটান, শুষ্কতা দূর করবে, তেলতেলে হতে দেবে না এবং আপনার সুন্দর চেহারায় একদম পড়তে দেবে না বয়সের ছাপ ।
ক্রিম তৈরি করতে যা যা লাগবে
একদম বিশুদ্ধ নারিকেল তেল ১/২ কাপ (ঘরে তৈরি হলে ভালো)
১ টেবিল চামচ তরল ভিটামিন ই (ক্যাপসুল কিনে ভেতরের তরল বের করে নেবেন)
কয়েক ফোঁটা ল্যাভেনডার এসেনশিয়াল অয়েল ( বিদেশী কসমেটিক্সের দোকানে পাবেন। বা দোকানে বললে তাঁরা এনে দেবে। এসেনশিয়াল অয়েলের দাম একটু বেশী মনে হলেও এক বোতল দিয় অনেক বার ক্রিম তৈরি করতে পারবেন। তাই খরচ একদম বেশী হবে না)।
তৈরি ও ব্যবহার প্রণালি
এই সমস্ত উপাদান একত্রে মিশিয়ে নিন। তারপর কাজের কৌটায় ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। সূর্যের আলো লাগতে দেবেন না।
একবার তৈরি করলে অনেকদিন ব্যবহার করতে পারবেন।
সকালে ও সন্ধ্যায় মুখে ম্যাসাজ করে এই ক্রিম লাগান। একদমই অল্প পরিমাণ নেবেন, ভালো জিনিস কখনোই বেশী ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না।
কয়েকদিন নিয়মিত ব্যবহার করলেই দেখবেন যে আপনার এতদিন ব্যবহার করা ময়েসচারাইজার থেকে অনেক ভালো ফল পাচ্ছেন।
যেভাবে কাজ করে এই ক্রিম
শুষ্ক ত্বককে যেমন কোমল করে তুলবে এই ক্রিম, তেমনই তেলতেলে ত্বককে আরও তেলতেলে না করেই কোমল করে তুলবে।
নারিকেল তেল প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন হিসাবে কাজ করে, তাই আপনি থাকবে সূর্যের অত্যাচার মুক্ত।
ভিটামিন ই ত্বককে টানটান রাখতে ও ত্বকের যৌবন ধরে রাখতে খুবই কার্যকর।
এছাড়াও ভিটামিন ই ও ল্যাভেন্ডার ক্ষতিগ্রস্থ ত্বককে সারিয়ে তোলে।
নারিকেল তেলের আছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল গুণাবলী, যা ত্বকের হরেক রকম সমস্যা দূরে রাখে।
শরীরের অন্যান্য স্থানের ত্বকেও লাগাতে পারেন এই ক্রিম। স্ট্রেচ মার্ক দূর করতেও দারুণ কার্যকর। -প্রিয় লাইফ
নিয়মিত বিউটি টিপস ও রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন
ওজন কমাতে নুডুলস স্যুপ
সময়ঃ ৩০ মিনিট
উপকরনঃ
চিকেন / ভেজিটেবল স্টক ১ কাপ,
সিদ্ধ নুডুলস,
অল্প সিদ্ধ সবজি পছন্দ মত,
রসুন কুচি,
লেবুর রস ২ টেবিল চামচ,
সিদ্ধ ডিম ১ টা,
অল্প ধনিয়া পাতা কুচি,
লেমন গ্রাস স্টিক ( থাই পাতা ) কয়েকটা, লবণ স্বাদ মত,
অল্প অলিভ অয়েল লাগবে।
প্রস্তুত প্রণালীঃ
প্রধান উপকরণ হলো চিকেন / ভেজিটেবল স্টক। এর জন্য ৩ কাপ পানিতে ২ কাপ পরিমাণ মুরগির হাড্ডি (মাংস সহ নিতে পারেন, হাড্ডি গুলো পুঁতা দিয়ে একটু ছেঁচে দিবেন)।
পেঁয়াজ টুকরা, রসুন কয়েক কোয়া আদা টুকরা আস্ত গোলমরিচ, অল্প লবণ দিয়ে কম আঁচে রান্না করুন। পানিটা ১ কাপ এর আর একটু বেশি থাকা অবস্থায় নামিয়ে নিন। শুধু পানিটা ছেঁকে নিবেন ।
বাকি বেঁচে যাওয়া মাংস দিয়ে আপনি অন্য যেকোনো নাস্তা যেমন চিকেন সমুচা তে অথবা নুডুলস এ দিতে পারেন।
ভেজিটেবল স্টকও একই ভাবে বানাতে পারেন। এবার একটা হাড়িতে ১ কাপ স্টক দিন। সাথে সিদ্ধ সবজি পছন্দ মত রসুন কুচি লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, অল্প ধনিয়া পাতা কুচি, লেমন গ্রাস স্টিক ( থাই পাতা ) কয়েকটা লবণ স্বাদ মত দিয়ে ৩ মিনিট রান্না করুন।
এরপর সিদ্ধ নুডুলস দিয়ে রান্না করুন আরও ২ মিনিট। রেডি সুপ নামিয়ে বাটিতে নিয়ে উপরে হালকা অলিভ অয়েল ছিটিয়ে দিন।
পরিবেশনঃ
উপরে সিদ্ধ ডিম আর টালা গোল মরিচ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন এই স্যুপ।
আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।

