• কমলা লেবুর খোসার ৭টি অসাধারণ ব্যবহার!

    কমলালেবু খাওয়ার পর সাধারণত আমরা এর খোসা ফেলে দেই। কারণ আপাত দৃষ্টিতে এর কোনো গুণাগুণ আমরা খুঁজে পাই না। কিন্তু অনেকেই জানি না যে এই কমলার খোসার রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুন ও ব্যবহার। অন্যান্য অনেক ফলের খোসার চেয়ে কমলার খোসার গুনাগুন অনেক বেশি।

  • ত্বকের দাগ দূর করার ঘরোয়া গোপন ৩ টি কৌশল

    ত্বকের রঙ যেমনই হোক না কেন ত্বক যদি পরিষ্কার থাকে তাহলেই আসল সৌন্দর্য ফুটে উঠে। রঙ ফর্সাকারী কেমিক্যাল যুক্ত ক্রিম, ফেসওয়াশ, মাস্ক ব্যবহার করে যদি শুধু ত্বকের রঙ ফর্সা করতে গিয়ে ত্বকে ব্রণের দাগ বা ছোপ ছোপ দাগ করে ফেলেন তাহলে কি তা দেখতে ভালো দেখাবে? মোটেই নয়।

  • আপনার চেহারায় ফুটে থাকুক চিরতারুণ্য

    বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার ত্বকে, আপনার মুখে তার ছাপ রেখে যাচ্ছে। আপনার কি এই বুড়োটে হয়ে যাওয়া দেখতে ভাল লাগছে? লাগছে না। বয়সের ছাপ থাকুক কিন্তু সেটা যেন বয়সের চাইতে বেশী না দেখায় । তাই আপনার চির সবুজ মনের সাথে সাথে চেহারায়ও যদি চিরতারুণ্য ধরে রাখা যায় তবে তার চাইতে ভাল আর কি হতে পারে। তারুণ্যদীপ্ত চেহারার জন্য যা কিছু করা দরকার-

ভিন্ন স্বাদে মজাদার কমলার ক্ষীর!




ক্ষীর বা পায়েস প্রায় সব মানুষের অনেক পছন্দ। সাধারণত গুঁড়ের বা চিনির ক্ষীর করা হয়ে থাকে।আজ বিডি রমণী আপনাদের জন্য নিয়ে এলো  কমলা দিয়ে ভিন্ন স্বাদে মজাদার কমলার ক্ষীর রেসিপি। এই ক্ষীর খেতে খুবই সুস্বাদু ও আকর্ষণীয়। এর আগে আপনারা দেখেছেন পাউরুটি দিয়ে মজাদার রসমালাই রেসিপি। তাহলে জেনে নিন কমলার ক্ষীর তৈরির সহজ রেসিপিটি।



উপকরণ
✿ ২ লিটার দুধ (গরুর দুধ)

✿ ৪ টেবিল চামচ চিনির গুঁড়ো

✿ ৩/৪ চা চামচ এলাচ গুঁড়ো

✿ ৬টি কমলার রস

✿ ১/২ চা চামচ জাফরন

✿ ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ পেস্তা কুচি

প্রস্তুত প্রণালী
প্রথমে দুধ মাঝারি আঁচে চুলায় জ্বাল দিতে দিন। জ্বালা দেওয়ার সময় নাড়তে থাকুন। লক্ষ্য রাখবেন দুধ প্যানের নিচে না লেগে যায়। কিছুক্ষণ পর দুধ ঘন হয়ে আসলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। এবার নাড়তে থাকুন যতক্ষণ পর্যন্ত না এটি ঘন হয়ে যায়। দুধ ঘন হয়ে হালকা হলদে রং ধারণ করলে চুলা নিভিয়ে দিন। এরপর এতে চিনি, এলাচ গুঁড়ো এবং জাফরন দিয়ে দিন। অল্প আঁচে ৫ মিনিট বা এর চেয়ে কিছু সময় বেশি জ্বাল দিন।

ঘন হয়ে এলে এটি চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হয়ে গেলে এতে কমলার রস বা কমলার কুচি বা মাল্টা কুচি দিয়ে দিন। এখন দুধ এবং কমলার কুচি ভাল করে কিছুক্ষণ নাড়ুন। তারপর এটি ৩-৪ ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিন। ৪ ঘণ্টা পর ক্ষীরে উপর পেস্তা কুচি, বাদাম কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার কমলা ক্ষীর।

বিকেলের নাস্তায় ঝটপট ঝাল পোয়া পিঠা !

বিকেলের নাস্তায় ঝটপট ঝাল পোয়া পিঠা !

বিকেলের নাস্তায় চায়ের সাথে গরম গরম এই পোয়া পিঠা খেতে দারুণ লাগে। খুব সহজ এই রেসিপিটি আপনি অল্প সময়ের মধ্যেই তৈরি করতে পারবেন।



উপকরণ
আতপ চালের গুড়া – ২ কাপ
ময়দা – ১ কাপ
ডিম – ২ টা
খাবার সোডা – ১ চিমটি
লবন – স্বাদ মত
চিনি – ১ চা চামচ
আদা বাটা – ১ চা চামচ
জিরা + রসুন বাটা – ১ চা চামচ
হলুদ গুড়া – ১/২ চা চামচ
মরিচ গুড়া – ১/২ চা চামচ
পেয়াজ কুচি – ২ চা চামচ
কাচা মরিচ কুচি – ১ চা চামচ
ধনে পাতা কুচি – ১ মুঠি
পানি – পরিমান মত
তেল – ভাজার জন্য
প্রণালী
সব উপকরণ একসাথে মাখিয়ে পিঠার গোলা বানাতে হবে । গোলাটা বেশ কিছু সময় রেখে দিয়ে তারপর ভাল করে ফেটে নিলে খুব সুন্দর পিঠা হয় ।

তেলের পিঠা / পোয়া পিঠার মত ঘন গোলা হবে । আন্দাজ মত গোলা গরম তেলে ভাল করে দুই পিঠ ভেজে তুলে নিন। টমেটো সস দিয়ে এই পিঠা খেতে খুব মজা ।

ঝটপট তৈরি করুন জিরা রাইস!

ঝটপট তৈরি করুন জিরা রাইস!

প্রতিদিন একই রকম সাদা ভাত খেতে খেতে বিরক্ত! স্বাদে পরিবর্তন আনতে তৈরি করতে পারেন জিরা রাইস। চলুন দেখে নিই এর পুরো প্রণালী।



উপকরণ
বাসমতি চাল ১ কাপ
জিরা ২ চা চামচ
পেঁয়াজ কুচি হাফ কাপ
কাঁচা মরিচ কয়েকটি
দারচিনি টুকরা
এলাচ ৩- ৪ টি
তেজপাতা ২ টি
ঘি / তেল ৪ টেবিল চামচ
লবন স্বাদ মত
পানি ২ কাপ
কমলা রং অল্প (না দিলেও হবে)
প্রণালী
– চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।

– প্যানে ঘি গরম করে তাতে জিরা দিন এর পরই পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচা মরিচ ,দারচিনি , এলাচ ও তেজপাতা দিয়ে ১ মিনিট ধরে ভাজুন।তারপর ২ কাপ পানি দিন ও পানি ফুটে উঠলে চাল ও লবন দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন।

– মাঝারি আঁচে ধাকনা লাগিয়ে রান্না করুন ,হয়ে আসলে অল্প রং ছিটিয়ে দিন। নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন !

জেনে নিন বেগুন ভর্তার একেবারেই নতুন একটি রেসিপি

জেনে নিন বেগুন ভর্তার একেবারেই নতুন একটি রেসিপি

ঝাল মশলায় চটপটে কিছু খেতে ভালোবাসেন? তাহলে ইসরাত জাহান বিথীর এই রেসিপিটি আপনাদের ভালো লাগবে খুব। চলুন, জেনে নিই গরম ভাতের সাথে একটি দারুণ ভর্তার রেসিপি।



উপকরণ –
গোল বেগুন -বড় ১ টি  (লম্বা বেগুন দিয়েও করা যায়)

পিঁয়াজ কুচি -আধা কাপ

রসুন মোটা করে  কুচি – ৪ টেবিল চামচ

কাঁচা মরিচ ফালি করা -৪-৫ টি

রসুন বাটা – আধা চা চামচ

হলুদ গুঁড়ো – আধা চামচ থেকে একটু কম

মরিচ গুঁড়ো -১ চা চামচ

ধনিয়া গুঁড়ো -আধা চা চামচ

লবণ -স্বাদমত

আস্ত জিরা – ১ চিমটি

কালো জিরা – ১ চিমটি

ধনেপাতা কুচি -২ টেবিল চামচ

সরিষার তেল  – ৪ টেবিল চামচ



প্রণালী –
-প্রথমে বেগুন ধুয়ে নিয়ে ,বেগুনের গায়ে একটু তেল মাখিয়ে ,সরাসরি চুলাতে অথবা তাওয়াতে দিয়ে বেগুন পুড়ে নিতে হবে। এরপর ঠান্ডা করে বেগুনের পোড়া খোসা ফেলে দিয়ে হাত দিয়ে চটকে নিতে হবে।
-কড়াইতে তেল গরম করে আস্ত জিরা ও কালোজিরার ফোড়ন দিতে হবে। তারপর পিঁয়াজ ও রসুন কুচি দিয়ে ভাজতে হবে।
-পিঁয়াজ-রসুন কুচি নরম হয়ে আসলে অর্ধেক কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে আরো কিছুক্ষণ ভাজতে হবে।
-যখন পিঁয়াজ,রসুন ও কাচা মরিচ হালকা বাদামী হতে শুরু করবে ,তখন এর মধ্যে রসুন বাটা ,মরিচ,হলুদ,ধনিয়া লবন ও অল্প পানি দিয়ে মশলা খুব ভালো করে কষাতে হবে।
-মশলা ভালো করে কষানো হলে চটকে রাখা বেগুন ও বাকি কাচা মরিচ ফালি দিয়ে নেড়ে চেড়ে ২-৩ মিনিট রান্না করতে হবে।
-বেগুন ভর্তা ভাজা ভাজা হয়ে তেল উপরে উঠলে ধনেপাতা কুচি দিয়ে নেড়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।
-এই ভর্তা গরম ভাত ,পোলাউ,রুটি এমনকি পরোটার সাথে খাওয়া যায়।

সুস্বাদু ও মজাদার মেওনিজ

সুস্বাদু ও মজাদার মেওনিজ

এই রেসিপিটি খুব সহজ আর সময়ও লাগে তুলনামূলক কম। এর আগে আপনারা দেখেছেন সুস্বাদু ছানা বিস্কুট তৈরির রেসিপি। তাহলে চলুন জেনে নিই আজকের রেসিপিটি।



উপকরণ
✿ ডিম ২ টা,
✿ ভেজিটেবল ওয়েল বা অলিভ ওয়েল ১ কাপ ( এর মধ্যে ১ টে- চামুচ সরিষার তেল হবে ),
✿ লবন সামান্য, চিনি ১ চা- চামুচ,
✿ সাদা সরিষাবাটা আধা চা- চামুচ,
✿ লেবুররস ২ টে- চামুচ,
✿ গোলমরিচগুড়া ১ চা- চামুচ।,
✿ শশাকুঁচি, গাজরকুঁচি পরিমানমত ( ইচছা )- আমি দেইনি।

প্রনালী
প্রথমে বিটারে বা ব্লেন্ডারে ডিমের সাদা অংশ বিট করতে হবে বেশ কয়েকবার তারপর ডিমের কুসুম দিয়ে কয়েকবার বিট করে তেল বাদে সব উপকরন দিয়ে আবার বিট বা ব্ল্যান্ড করতে হবে। তারপর ১ চামুচ

করে তেল দিতে হবে আর বিট করতে হবে। এভাবে সব তেল দিয়ে দিয়ে বিট করতে হবে । ভুলেও একবারে তেল ঢালা যাবে না। তাহলে মেওনিজ শেষ।

এভাবে ৯/১০ মিনিট ধরে ব্ল্যান্ড বা বিট করতে হবে আর একটু একটু করে তেল দিতে হবে। একদম ক্রিমিক্রিমি হয়ে যাবে । ইচছা করলে কুঁচিকুঁচি সসা ও গাজর দিয়ে হালকা ব্ল্যান্ড বা বিট করে নিতে হবে। ব্যস হয়ে গেল
মেওনিজ।

কাঁচের বয়মে ভরে ফ্রিজে মেওনিজ রেখে প্রয়োজনে ব্যবহার করুন।

১০ মিনিটে তৈরি চাট চানা

১০ মিনিটে তৈরি চাট চানা

সন্ধ্যেবেলা কি খাবেন অথবা টিফিনে তারাহুড়োর সময় কি দেবেন? রোজই ভাবতে হয় নিত্যনতুন খাবারের কথা৷ একটু হাল্কা চটজলদি সুস্বাদু খাবার কার না ভালো লাগে টিফিনে৷ আর যদি আসে বাচ্ছাদেরর কথা তাহলে পেটের কথাও খেয়াল রাখতে হয় আপনাকে৷ এই সবরকম কথা মাথায় রেখেই নতুন জলখাবার নিয়ে আসা হল এবার আপনার মুসকিল আসান করতে৷ খাবারের নাম চানা চাট৷ তৈরি করতে মাত্র ১০ মিনিট লাগবে৷



উপকরন
তিন চা চামচ মাখন, ঝিরিঝিরি করে কাটা দুটি কাঁচা লঙ্কা, ১০০গ্রাম পেঁয়াজ কুচি, ১৫০গ্রাম টমেটো কুচি, আধ চা চামচ লঙ্কার গুড়ো, আধ চা চামচ গড়ম মশলার গুড়ো, আধ চা চামচ চাট মশলা, ১০০গ্রাম সেদ্ধ আলুর টুকরো, ১০০গ্রাম সেদ্ধ কাবলি ছোলা অথবা ২০০গ্রাম সেদ্ধ কাঁচা ছোলা, দেড় চা চামচ কাঁচা আমের টুকরো, এক চা চামচ ধনিয়া, চার চা চামচ লেবুর রস, স্বাদ মতো নুন।

প্রণালী
প্রথমে ফ্রাইং প্যান গরম করে তাতে মাখন দিয়ে দিন৷ মাখন গলে গেলে তাতে পেঁয়াজ কুচি ও লঙ্কা কুচি গুলো দিয়ে দিতে হবে৷ পেঁয়াজ লাল না হওয়া অবধি সাঁতলাতে হবে৷ তারপর টমেটো কুচি, লঙ্কার গুড়ো এবং গড়ম মশলার গুড়ো দিতে হবে৷ মিনিট দুই তিন সাঁতলানোর পরে সেদ্ধ করে রাখা আলুর টুকরো, ছোলা, কাঁচা আমের টুকরো, ধনিয়া, স্বাদ মতো নুন ও লেবুর রস দিয়ে ভালো করে এক মিনিট সাঁতলে নিলেই তৈরি চাট চানা৷
রান্নার পর গরম গরম প্লেটে সাজিয়ে পরিবেশন করুন চাট চানা৷

সহজেই তৈরি করে ফেলুন ভেজিটেবল পোলাও

সহজেই তৈরি করে ফেলুন ভেজিটেবল পোলাও


পোলাও মানেই ভীষণ আয়োজন করে তৈরি উৎসবের রান্না। অনেকটা সময় লাগে বলেই সহজে কেউ পোলাও রান্না করতে চান না। কিন্তু খুব স্বাস্থ্যকর এই ভেজিটেবল পোলাও আপনি তৈরি করে ফেলতে পারেন খুব সহজেই। আর উপভোগ করতে পারেন পরিবারের সকলের সাথে। তাহলে জেনে নিন রেসিপি।



উপকরণ
✿ পোলাওয়ের চাল (বাসমতী চাল) ৫০০ গ্রাম,

✿ ফুলকপি আধা কাপ,

✿ ব্রকলি আধা কাপ,

✿ গাজর কিউব করে কাটা আধা কাপ,

✿ আলু কিউব করে কাটা আধা কাপ,

✿ মটরশুঁটি আধা কাপ,

✿ সবজির স্টক সাড়ে তিন কাপ,

✿ আদা বাটা ১ টেবিল-চামচ,

✿ রসুন বাটা ১ চা-চামচ,

✿ পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল-চামচ,

✿ জিরা বাটা ১ চা-চামচ,

✿ পোস্তদানা বাটা ১ টেবিল-চামচ,

✿ লবণ পরিমাণমতো,

✿ লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ,

✿ চিনি ১ চা-চামচ,

✿ দুধ আধা কাপ,

✿ কাঁচামরিচ ১০-১২টি,

✿ তেল আধা কাপ,

✿ লবঙ্গ ৪টি,

✿ দারচিনি ৪ টুকরা,

✿ তেজপাতা ২টি,

✿ এলাচ ৪টি,

✿ ঘি ৩ টেবিল-চামচ।

প্রণালি:
ফুটন্ত পানিতে লবণ দিয়ে সব সবজি আলাদাভাবে আধা সেদ্ধ করে নিতে হবে। চাল ধুয়ে পানি ঝরাতে হবে। তেল গরম করে গরম মসলা ও তেজপাতা ফোঁড়ন দিয়ে সব বাটা মসলা কষিয়ে সবজির স্টক দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে লেবুর রস ও চাল দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে দুধ, চিনি ও কাঁচামরিচ দিয়ে ৫-৭ মিনিট অল্প আঁচে রাখতে হবে। সব সবজি দিয়ে, সবজির ওপর ঘি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট দমে রাখতে হবে। সবজি পোলাও ভাজা, কাবাব ও ভুনা মাংসের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

সম্পূর্ণ নতুন স্বাদের রেসিপি “ফুলকপির টিক্কা মাসালা

সম্পূর্ণ নতুন স্বাদের রেসিপি “ফুলকপির টিক্কা মাসালা

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পোলাওয়ের সাথে সবজি রাখা হয়। আজকাল বিয়ের অনুষ্ঠানেও পোলাও বিরিয়ানির সাথে সবজি রাখাটা রেওয়াজ হয়ে গেছে।বিডি রমণী আজ আপনাদের জন্য রেখেছে সম্পূর্ণ নতুন স্বাদের রেসিপি “ফুলকপির টিক্কা মাসালা” যা ঘরোয়া অনুষ্ঠানে পোলাওয়ের সাথে পরিবেশন করতে পারবেন। এ ছারাও খাবারটি ভাত, পোলাও বা পরোটা সবকিছুর সাথে দারুন লাগে খেতে। এর আগে আপনারা দেখেছেন মুরগির কিমা দিয়ে বাঁধাকপি ভাজির রেসিপি। জেনে নিন আজকের রেসিপিটি।



উপকরণ
✿ ৩ কাপ ফুলকপি
✿ ২/৩ কাপ ক্যাপসিকাম
✿ ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুচি
✿ ১ কাপ টকদই
✿ ১/২ চা চামচ গরম মশলা
✿ ১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
✿ ১/২ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো
✿ ১ টেবিল চামচ কসরী মেথি পাতা (ইচ্ছা)
✿ ১ টেবিল চামচ লেবুর রস
✿ লবণ

গ্রেভির জন্য

✿ ১ চা চামচ জিরা
✿ ১/২ চা চামচ মৌরি
✿ ১টি ছোট এলাচ
✿ ১টি বড় এলাচ
✿ ২-৩ টি দারুচিনি
✿ ২-৩ টি লং
✿ ১ টেবিল চামচ আদাকুচি
✿ ১ কাপ টমেটো পিউরি
✿ ১/২ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো
✿ ২ চা চামচা ধনিয়া গুঁড়ো
✿ ১ চা চামচ জিরা গুঁড়ো
✿ ১ চা চামচ টমেটো কেচাপ
✿ ২ চা চামচ মধু
✿ ১ চা চামচ কর্ণ ফ্লাওয়ার
✿ ১/৪ কাপ ফ্রেশ ক্রিম
✿ তেল
✿ লবণ
✿ ১/৪ কাপ পানি

প্রণালী:

প্রথমে ফুলকপিগুলো ছোট ছোট টুকরা, ক্যাপসিকাম এবং পেঁয়াজ চারকোণা করে কেটে নিন। এবার টকদই, গরম মশলা, হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, মেথি পাতা, লেবুর রস এবং লবণ দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার ফুলকপি, ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ পেস্টের সাথে ভাল করে মিশিয়ে ৩-৪ ঘণ্টা ফ্রিজে মেরিনেট জন্য রেখে দিন।

৪ ঘণ্টার পর মেরিনেট করা সবজিগুলো বের করে নিন। এবার তেল গরম করে সবজিগুলো ভাজুন। প্যানে ঢাকনা দিয়ে কয়েক মিনিট রান্না করুন। বাদামী রং হয়ে এলে সবজিগুলো নামিয়ে ফেলুন। আরেকটি প্যানে তেল দিয়ে জিরা, মৌরি, ছোট এলাচ, বড় এলাচ, লং, দারুচিনি দিয়ে ভাজুন। তারপর এতে আদা কুচি দিয়ে ভাজুন। এরপর এতে টমেটো পিউরি দিয়ে রান্না করুন।

টমেটো পিউরির পানি শুকিয়ে গেলে এতে মরিচ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো দিয়ে নাড়ুন। কিছুক্ষণ নাড়ার পর এতে টমেটো কেচাপ, মধু, কর্ণ ফ্লাওয়ার দিয়ে আবার কিছুক্ষণ রান্না করুন। গ্রেভি শুকিয়ে গেলে এতে পানি দিয়ে দিন। পানি শুকিয়ে তেল উঠে আসলে এতে লবণ দিয়ে আবার কিছুক্ষণ রান্না করুন।

এরপর এতে ক্রিম দিয়ে দিন। বলক আসলে এতে সবজিগুলো দিয়ে দিন। সবজিগুলো ঢাকনা দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। খুব বেশি সময় রান্না করবেন না। ৫ মিনিট নামিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ফুলকপি টিক্কা মশলা।

তৈরি করে ফেলুন একেবারেই নতুন এই ডিমের স্ন্যাক্স

তৈরি করে ফেলুন একেবারেই নতুন এই ডিমের স্ন্যাক্স

ডিম এমন একটা খাবার যেটা বিভিন্ন রূপে, বিভিন্ন উপকরণের সাথে খাওয়া যায় এবং এতে স্বাদ আরও বাড়ে। ডিমের ডেভিল কখনো খেয়েছেন কী? না খেয়ে থাকলে দেরি না করে তৈরি করে ফেলুন মাছের কিমা দিয়ে তৈরি ডিমের ডেভিল। হ্যাঁ, মাছ এবং ডিম দিয়েই তৈরি হবে স্বাস্থ্যকর এই স্ন্যাক্স। দেখে নিন রেসিপি এবং ছবি।
উপকরণ
– ৪০০ গ্রাম ভেটকি অথবা অন্য কোন কাঁটাছাড়া মাছ
– ৩টা আলু সেদ্ধ করে ভর্তা করা
– ১ কাপ পিঁয়াজ কুচি
– ২ টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা
– আধা কাপ ধনেপাতা কুচি
– ৫টা হার্ড বয়েল করা ডিম
– আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
– মরিচ গুঁড়ো স্বাদমতো
– ১ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো
– ২ চা চামচ জিরা গুঁড়ো
– ৩টা শুকনো মরিচ ভেঙ্গে নেওয়া
– ১ কাপ বেসন
– ২ কাপ ব্রেড ক্রাম্ব
– ১ টেবিল চামচ চিনি
– লবণ স্বাদমতো
– তেল ভাজার জন্য
এই রেসিপির জন্য আপনি ভেটকি মাছ ছাড়াও অন্য মাছ ব্যবহার করতে পারেন তবে তার জন্য মাছের কাঁটা ছাড়িয়ে নিতে হবে।
প্রণালী
১) নন-স্টিক প্যানে তেল গরম করে নিন। এপিঠ-ওপিঠ করে ভেজে নিন মাছের টুকরোগুলো। এরপর চামচ দিয়ে ভেঙ্গে নিন মাছ। এরপর ভাজা ভাজা হয়ে গেলে মাছটা নামিয়ে নিন। এখন লবণ দেবেন না।
২) ওই একই প্যানে কিছুটা তেল গরম করে নিন। এতে পিঁয়াজ কুচি, আদা-রসুন বাটা, শুকনো মরিচ, চিনি, লবণ, হলুদ, জিরা এবং মরিচ গুঁড়ো দিন। ভালো করে মিশিয়ে ভুনে নিন যতক্ষণ না পিঁয়াজ বাদামি হয়ে আসে। এর মাঝে ভাজা মাছটুকু দিয়ে মিশিয়ে নিন।


ক্রিস্পি ফ্রায়েড ফিস

ক্রিস্পি ফ্রায়েড ফিস

কথাতেই আছে মাছে-ভাতে বাঙালি৷ বাঙালিদের মাছ প্রায় প্রতিদিনের খাওয়ার তালিকায় থাকে। তবে রোজই মাছের ঝোল একঘেয়ে হয়ে যায়। আবার জেন এক্সের অনেকেই পছন্দ করেন না মাছ৷ তাদের জন্য মাছকে যদি অন্যরকমভাবে পরিবেশন করা যায় তা ভালো লাগতে পারে৷ মাছের চপ, মাছ ভাজা তো খেয়েছেন। ক্রিস্পি ফ্রায়েড মাছ খেয়েছেন কখনও? খুব সহজেই আপনি বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারবেন এই ক্রিস্পি ফ্রায়েড ফিস৷ দেখে নিন রেসিপি৷



উপকরণ

এক কেজি পছন্দের টাটকা মাছ,

 ১৫০ গ্রাম ময়দা,

স্বাদ মতো নুন,

সাদা তেল,

 গার্লিক সস,

 ছ’টি পাঁউরুটি,

 ছ’টি খোসা ছাড়ানো এবং অল্প বেটে রাখা রসুনের কোয়া,

চার চা চামচ লেবুর রস,

 আট চা চামচ তেল,

মরিচ গুঁড়ো,

 চার চা চামচ ঝিরিঝিরি করে কাটা ধনেপাতা৷

প্রক্রিয়া
একটি পাত্রে ময়দা নিয়ে তাতে একটুখানি নুন এবং জল দিয়ে ঘন একটি মিশ্রণ তৈরি করুন৷ এবার একটি ফ্রাইং প্যানে বেশ অনেকটা সাদা তেল দিয়ে গরম করুন৷ এবার মাছের টুকরোগুলোকে ময়দার মিশ্রণে চুবিয়ে ওই গরম তেলে ডিপ ফ্রাই করুন৷ এরপরে জলে চুবিয়ে রাখা পাউরুটির টুকরো গুলোকে চিপে তুলে নিন৷ এবার তাতে বেটে রাখা রসুন, লেবুর রস এবং ধনেপাতা দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিন৷ এবার ভেজে রাখা মাছের টুকরোগুলোর দুই দিকেই এই মিশ্রণটি মাখিয়ে

মাত্র ১০ মিনিটে ঘরেই তৈরি করুন সুস্বাদু মাখন!

মাত্র ১০ মিনিটে ঘরেই তৈরি করুন সুস্বাদু মাখন!

মাত্র ১০ মিনিটে মাখন? হ্যাঁ, সেটা নিঃসন্দেহে সম্ভব। সত্যি বলতে কি, মাখন তৈরি করতে ১০ মিনিটেরও কম সময় লাগবে। আর এতে উপাদান লাগবে মাত্র ২টি! বিশ্বাস হচ্ছে না? তাহলে চলুন জেনে নিই রেসিপি আর সাথে দেখে নিই মাখন তৈরির বিস্তারিত প্রণালি।



উপকরণ
হেভি ক্রিম ১ বোতল/প্যাকেট/কৌটা।
(আমাদের দেশে বড় সুপারশপে হেভি ক্রিম কিনতে পাওয়া যায়। যদি হেভি ক্রিম না পান, তাহলে দুধ জ্বাল দেয়ার সময় ওপরে যে সর জমে, সেটাকে প্রতিদিন তুলে তুলে জমিয়া রাখুন ফ্রিজে। বেশ কিছু পরিমাণ সর জমে গেলে সেটা দিয়ে একই ভাবে মাখন তৈরি করতে পারবেন)
লবণ- ১ চিমটি
প্রণালি
একটি ফুড প্রসেসর বা হ্যান্ড বিটার নিন। ফুড প্রসেসর হলে ভালো। এর মাঝে ক্রিম ও লবণ দিয়ে বিট করতে শুরু করুন। (লবণ না দিলেও চলবে। লবণের বদলে নিজের পছন্দের যে কোন ফ্লেভার যেমন মিনট, ধনিয়া, পেপ্রিকা এইসবও যোগ করতে পারেন)
বিট হতে হতে দেখবেন ক্রিম ঘন হতে শুরু করে করেছে। ঘন হতে হতে ক্রমশ জমাট বাঁধতে শুরু করবে।
যখন দেখবেন জমাট প্রায় বাঁধে বাঁধে অবস্থা, এমন সময়ে ২/৩ চামচ বরফ শীতল পানি যোগ করুন। এতে সহজে জমাট বাঁধবে।
আবার বিট করুন। এক সময়ে দেখবেন আবার বিট করতে পারবেন না। দেখতে পাবেন যে মাখন জমাট বেঁধে গেছে আর এক রকমের সাদা পানি বের হয়েছে। এটাই বাটারমিল্ক।
মাখন হাত দিয়ে সংগ্রহ করে বল বানিয়ে রাখুন। আর এই বাটার মিল্ক আপনি ব্যবহার করতে পারবেন নানান রকমের রান্নায়।

চার ধাপে মজাদার পিৎজা কেক

চার ধাপে মজাদার পিৎজা কেক


পিৎজা কে না পছন্দ করে? আর যদি সেটি দেখতে কেকের মতো হয়, সঙ্গে চিজে ভরপুর লেয়ার কয়েকটি থাকে, তাহলে তো আর কথাই নেই! এক টুকরোও পড়ে থাকবে না, শেষ হয়ে যাবে নিমেষেই! আজকের আয়োজনে এমনই একটি পিৎজা কেকের রেসিপি থাকছে। খুব সহজে বাসায় তৈরি করতে যায় এই রেসিপিটি। জেনে নিন, কী কী উপকরণ লাগবে এই রেসিপিতে এবং কীভাবে তৈরি করবেন স্পাইসি পিৎজা কেক।



উপকরণ
✿ ময়দা চার কাপ,

✿ ইস্ট সামান্য,

✿ পিৎজা সস আধা কাপ,

✿ মোজারেলা চিজ কুচি তিন কাপ,

✿ স্লাইস করা মাংসের সসেজ এক কাপ,

✿ মাখন এক টেবিল চামচ ও

✿ লবণ স্বাদমতো।

চারটি ধাপে পিৎজা কেক তৈরি করতে হবে


ধাপ-১ :
প্রথমে ময়দার সঙ্গে ইস্ট ও লবণ মিশিয়ে পিৎজার ডো তৈরি করে নিতে হবে। এবার একটি ট্রেতে পাতলা করে ডো বেলে নিতে হবে। একটি বাটি বা কাটার দিয়ে সমানভাবে গোল করে রুটির মতো করে ময়দার ডো কেটে নিন। এভাবে চার থেকে পাঁচটি রুটির লেয়ার কেটে নিন। এবার ওভেন প্রি-হিট করে নিন। একটি ট্রেতে অলিভ অয়েল ছিটিয়ে দিন। এর পর রুটির লেয়ারগুলো আট মিনিট বেক করে নিন। এখন এগুলো ঠান্ডা করে নিন।

ধাপ-২ :
ছয় ইঞ্চি চওড়া একটি প্যান নিন, যার উচ্চতা হবে চার ইঞ্চি। এবার এতে সামান্য অলিভ অয়েল দিয়ে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল অথবা কেক বেক করার কাগজ দিন। এর পর একটি বেক করা রুটি দিয়ে এর ওপর পিৎজা সস, স্লাইস করা সসেজ ও মোজারেলা চিজ কুচি ছিটিয়ে দিন।

ধাপ-৩ :
এভাবে চারটি লেয়ারে সমান পরিমাণে সস, সসেজ ও চিজ ছড়িয়ে দিন। সবশেষে চারপাশে ময়দার ডো পেঁচিয়ে দিন। ওপরেও সমান পরিমাণে সস, সসেজ ও চিজ ছড়িয়ে দিন।

ধাপ-৪ :
এর পর ওভেনে ২০ থেকে ২৫ মিনিট পিৎজাটি বেক করুন। বেক করা হয়ে গেলে পাঁচ মিনিট ঠান্ডা করুন। এবার প্যান থেকে পিৎজা প্লেটে তুলে নিন। ওপরে ব্রাশ দিয়ে সামান্য মাখন লাগান। এর পর ছুরি দিয়ে কেকের মতো করে কেটে পরিবেশন করুন স্পাইসি পিৎজা কেক।

রূপচর্চায় মধুর যত গুনাগুণ

রূপচর্চায় মধুর যত গুনাগুণ


আগেকার দিনে দাদি নানীদের রূপচর্চার প্রধান উপাদান হিসেবে এবং বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে মধুই ছিল যেন একমাত্র ভরসা। আধুনিক কালে আমরা সবাই যেন মধুর ব্যবহার ভুলতে বসেছি। মধুর ব্যবহার আজকাল কমে গেলেও এর গুনাগুণ কিন্তু কমেনি এক ফোঁটাও। ভিটামিনস, মিনারেলস, এন্টি অক্সিডেন্ট এবং এন্টি ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিজ এ সমৃদ্ধ এই মধু দৈনন্দিন জীবনের মোটামুটি সব সমস্যা সমধানে ব্যবহার করা যেতে পারে। আজ তাই আপনাদের মধুর কিছু অতুলনীয় গুনাগুণ এবং ব্যবহার সম্পর্কে জানাতেই এই লেখা।

– মধু খুব ভালো প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বককে ভিতর থেকে এক্সফলিয়েট করে ময়লা এবং মরা কোষ দূর করে ত্বককে স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে তোলে। নিয়মিত মধু দিয়ে মুখ পরিষ্কার করার ফলে ত্বক হয়ে উঠে দাগহীন এবং সুন্দর। এক চামচ মধু এবং এক চামচ লীজান উপটান মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ফেইস ওয়াশ এর বদলে এটি দিয়ে সকাল এবং রাতে মুখ পরিষ্কার করুন। কয়েকদিনের মধ্যেই লক্ষ্যনীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

– ময়েশ্চারাইজার হিসেবে মধু বেশ কার্যকরী। নিমিষেই এটি ত্বককে নরম ও মসৃণ করে তোলে। যাদের ত্বক শুষ্ক তারা মুখে মধু লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক নরম ও উজ্জ্বল হবে।

– বয়স কমিয়ে তারুণ্যকে ধরে রাখতে মধুর জুড়ি নেই। মধুতে থাকা বিভিন্ন উপকারী উপাদান ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে এবং ত্বক টানটান রাখে। তাই প্রতিদিন এক চামচ মধু খেতে ভুলবেন না যেন।

– মধু প্রাকৃতিক এন্টি-সেপটিক হিসেবেও খুব ভালো কাজ করে। খাঁটি মধুতে রয়েছে ‘ইনহিবিন’ যা এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকারী এজেন্ট। পোড়া বা কাটা জায়গায় মধু লাগানোর মাধ্যমে ব্যথা কমে যায় এবং এটি ক্ষত স্থান থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর করে যার ফলে ইনফেকশন হয় না। এছাড়াও এটি খুব দ্রুত ক্ষত স্থানের কোষ গঠনে সাহায্য করে।

– চুল সিল্কি রাখতে ও চুলের ফ্রিজি ভাব দূর করতে শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনারের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে চুলের নিচের অংশে ভালো মতো লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর চুল ভালো মতো ধুয়ে ফেলুন। চাইলে কন্ডিশনারের বোতলে পরিমাণমত মধু মিশিয়ে রেখে দিতে পারেন।

– মুখের দাগ দূর করতে মধু, আমণ্ড অয়েল, গুঁড়া দুধ এবং লেবুর রস পরিমাণমত মিশিয়ে ফেইস মাস্ক হিসেবে লাগান। ১০-১৫ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ বা রোদে পোড়া দাগ দূর করতে এই প্যাকটি বেশ কার্যকরী।

– দেহের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে এক চা চামচ মধু ও ২ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। তবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে খাবেন না বা ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিবেন।

– লিপবাম হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন মধু। এক চামচ আমণ্ড অয়েল এবং এক চামচ মধু মিশিয়ে লিপ বাম পটে সংরক্ষণ করুন। এটি ঠোঁট ফাটা রোধ করে এবং ঠোঁটে গোলাপি আভা নিয়ে আসে।

– দুই চামচ মধু, আধা চামচ চিনি এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে তৈরি করুন হানি স্ক্রাব। এই স্ক্রাবটি ২-৩ মিনিট মুখে হালকা ভাবে ম্যাসাজ করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। চিনি খুব ভালো এক্সফলিয়েটিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে, লেবু ত্বকের দাগ দূর করে এবং মধু ত্বকে পুষ্টি জুগিয়ে একে নরম ও স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে তোলে।

– চুল ন্যাচারালি হাইলাইট বা কালার করতে চুলের লম্বা অনুযায়ী মধু নিন এবং এতে টক দই দিন যাতে মধুর আঠালো ভাবটা দূর হয়। এবার চুলের যে জায়গা হাইলাইট করতে চান সেখানে মিশ্রণটি ভালো মতো লাগান এবং ২ ঘণ্টা এভাবে রেখে দিন। এরপর চুল ধুয়ে ফেলুন। ফলাফল পেতে কমপক্ষে ৩-৪ দিন লাগান।

–  ২ চামচ মধু, ৩ চামচ অলিভ অয়েল এবং টক দই একসাথে ভালো মতো মিশিয়ে চুলে ভালো মতো লাগান। ৩০ মিনিট রেখে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি চুলের রুক্ষভাব দূর করে এতে প্রয়োজনীয় ময়েশ্চার জোগায় এবং হেয়ার ফলিকল উজ্জীবিত করে চুলের বৃদ্ধি তে সহায়তা করে।

কম ওজন বাড়িয়ে নিন সহজে




অনেকেই জানতে চেয়েছেন যে ওজন বাড়ানোর জন্য কী করতে হবে। আজকে আমি ওজন বাড়ানোর কিছু টিপস দিব। তবে আগেই জানিয়ে দিচ্ছি যে ওজন বাড়ানো বা কমানো যাই করেন না কেন তা একজন ডায়েটিশিয়ান কে দেখিয়ে নেয়া ভালো। কারণ কারো ওজন কারো সাথে মিলবে না, কিংবা খাবার ধরনও এক হয় না। তাই সবাই এক রকম ডায়েট ফলো করলে তা কাজে নাও লাগতে পারে।



ওজন বাড়াতে হলে আগে জানতে হবে আপনার ওজন কম কেন??? এর কয়েকটি কারণ হতে পারে।

১। বিভিন্ন ধরনের রোগ- যক্ষা, ডায়রিয়া সংক্রামক ব্যধি ইত্যাদি থাকলে।

২। দেহের তুলনায় কম খাদ্য খেলে এবং সেই সাথে খুব বেশি কাজ করলে।

৩। থাইরয়েড গ্রন্থির অসামাঞ্জস্যতা।

৪। উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, অতিরিক্ত চিন্তা আহারে অরুচি তৈরি করতে পারে।

৫। দুর্বল খাদ্য নির্বাচন।

৬। নিদ্রাহীনতা, অনিয়মিত খাদ্য গ্রহণ, পুষ্টিহীনতা।

৭। খাওয়ার ব্যাপারে অনীহা বা খুতখুত স্বভাব।

৮। বংশগত।

আরো অনেক কারণ আছে যে কারণে কম ওজন দেখা যায়। তাই আগে বের করতে হবে আপনার ওজন কেন কম?

তারপর জানতে হবে আপনার ওজন কত কম, স্বাভাবিক ওজন থেকে। এজন্য আপনি আপনার বিএমআই টা মেপে নিতে পারেন। সেই ভাবে আপনি আপনার আদর্শ ওজন কত তা জানতে পারবেন। ১৮.৫-২৪.৯ হলো স্বাভাবিক বিএমআই।

৫-৬ কেজি কম হলে মোট ক্যালরির সাথে ২০০ ক্যালরি যোগ করে খেতে পারেন। ৬-১২ কেজি কম হলে ৫০০ ক্যালরি এবং ১২ কেজি বা তার অধিক হলে মোট ক্যালরির সাথে ৬০০ ক্যা্লরি যোগ করতে পারেন।

ওজন বাড়ানোর জন্য খাবারের ক্ষেত্রে কিছু নীতি নির্ধারণ করা প্রয়োজন। যেমন – উচ্চ ক্যালরির, উচ্চ প্রোটিন, চর্বি, এবং উচ্চ শর্করা জাতীয় খাবার গ্রহণ। যাদের ওজন কম তাদের খাবারের প্রতি অরুচি থাকে, তাই এক বারে না খেয়ে বারে বারে ( ১ ঘণ্টা পর পর) খেতে হবে।

উচ্চ ক্যালরি
কেউ যদি সকালে ২ টি রুটি খেতে না চায় সে ১ টি তেলে ভাজা পরোটা খেতে পারে। উচ্চ ক্যালরির কয়েকটি খাবার হলো – হালুয়া, পুডিং, মিষ্টি, মাখন, জ্যাম, জেলী, কলা, কোল্ড ড্রিঙ্কস ইত্যাদি।

উচ্চ প্রোটিন
প্রতি কিলোগ্রাম ওজনের জন্য ১ গ্রাম প্রোটিন দরকার। কিন্তু যাদের ওজন কম তাদের দৈনিক ৯০-১০০ গ্রাম প্রোটিন দরকার। ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, ডাল ও বাদামে প্রচুর প্রোটিন পাওয়া যায়।

উচ্চ চর্বি
স্বাভাবিক সময় থেকে চর্বির পরিমাণ বাড়াতে হবে। মাখন, তেল ঘি, মেয়োনেজ, দুধের সর ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। বাচ্চাদের জন্য দুধে একটু তেল দিয়ে গরম করলে তাতে ক্যালোরির পরিমাণ বাড়বে।

উচ্চ শর্করা
পাতা জাতীয় শর্করা না খাওয়া ভালো। অধিক শর্করা পেতে পাউড়ুটি, বিস্কুট, আলু, নুডুলস, মিষ্টি ফল ইত্যাদি খাবারের তালিকায় রাখতে হবে।

তরল
খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে পানি, সরবত, দুধ ইত্যাদি। বেশি পানি খেলে তা পাকস্থলিকে বড় করতে সাহায্য করে। তবে খাবার গ্রহণের আগে ও মাঝে পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। খাবারেও যদি ওজন না বাড়ে তবে সাপ্লিমেন্ট দিতে হবে। বাচ্চাদের কে জিঙ্ক দেয়া যেতে পারে, বড়দেরকেও সাপ্লিমেন্ট দেয়া যেতে পারে। এ জাতীয় ১টি সাপ্লিমেন্ট। তাছাড়া আয়রন ট্যব্লেট, ক্যালসিয়াম ট্যব্লেট, মাল্টি ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট দেয়া যেতে পারে।

সবকিছুর জন্য দরকার নিজের ইচ্ছা এবং প্রচেষ্টা। তাই খাবার বুঝে শুনে খান এবং সুস্থ থাকুন।



ফুড অ্যালার্জি দূর করুন ৪টি ঘরোয়া উপায়ে



অনেকই আছেন যাদের কিছু খাবার খেলে অ্যালার্জি হয়। এই ধরণের অ্যালার্জিকে সাধারণত ফুড অ্যালার্জি বলে। বিশেষ কোন খাবার যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে অসহনশীল। আর এই খাবারগুলো খেলে শরীরে চুলকানি, লাল হয়ে যাওয়া, ফুলে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা যায়। ছোট বড় সবার হতে পারে ফুড অ্যালার্জি।


যে খাবারগুলোর কারণে ফুড অ্যালার্জি হতে পারে

চীনাবাদাম
ডিম
দুধ
সয়া
সামুদ্রিক খাবার
বিভিন্ন কেমিক্যাল দেওয়া খাদ্য
শাকজাতীয় খাবার
চিংড়ি ইত্যাদি
ফুড অ্যালার্জির লক্ষণ


– হাত-পা চুলকানি

– চোখ চুলকানো, চোখ দিয়ে পানি পড়া

– অনেক সময় ঠোঁট, মুখ ফুলে যায়

– মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা

– হাঁচি, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া

– বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা ইত্যাদি।

ঘরোয়া কিছু উপায়ে ফুড অ্যালার্জি দূর করা সম্ভব। আসুন জেনে নেওয়া যাক উপায়গুলো।

১। আপেল সাইডার ভিনেগার
এক গ্লাস গরম পানিতে এক টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার, এক চা চামচ মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি দিনে ২ থেকে ৩ বার পান করুন। আপেল সাইডার ভিনেগারে অ্যান্টিহিস্টামিন এবং অন্যান্য উপাদান বিভিন্ন ফুড অ্যালার্জি দূর করে থাকে।

২। আদা
দিনে ২ থেকে ৩ কাপ আদা চা পান করুন। আদার অ্যান্টিইনফ্লামেটরি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে যা বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, চুলকানি দূর করে দেয়। দুই কাপ পানিতে অল্প কিছু আদা কুচি দিন। এটি ১০ মিনিট জ্বাল দিন। এটি পান করুন। এছাড়া এক চাচামচ আদার রস এবং মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

৩। গাজর এবং শসার রস
গাজর এবং শসার রস একসাথে মিশিয়ে পান করুন। গাজর এবং শসার অ্যান্টিঅ্যালার্জিক উপাদান ত্বকের চুলকানি, লাল লাল ভাব দূর করে থাকে।

৪। গ্রীণ টি
সবুজ চায়ের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্লামেন্টরী উপাদান ফুড অ্যালার্জি দূর করে দিয়ে থাকে। সবুজ চায়ের সাথে মধু এবং লেবু মিশিয়ে নিতে পারেন স্বাদ বৃদ্ধির জন্য। দিনে ৩ থেকে ৪ কাপ গ্রিণ টি পান করুন।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

সুস্বাদু ছানা বিস্কুট

রেসিপিঃ সুস্বাদু ছানা বিস্কুট




আমাদের সকাল বিকালের চায়ের সঙ্গে একটি সাধারন খাবার হল, বিস্কুট। চায়ের সাথে বিস্কুটের স্বাদ না নিলেই যেন চলে না। ছোট বড় সকলেই বিস্কুট পছন্দ করে। চায়ের সাথে এই মজাদার বিস্কুটের স্বাদ যদি ঘরেই তৈরি করে নেয়া যায়। তবে বেশ মজাই হয়। তাই চলুন তাহলে দেখে নেই, সুস্বাদু ছানা বিস্কুট রেসিপি।



উপকরণ
মিষ্টি বিস্কুট গুঁড়া ২৫০ গ্রাম
ছানা ১ কেজি
পেস্তা বাদাম কুঁচি
কাঠ বাদাম কুঁচি
কিছমিছ
বাটার
চিনি
দুধ ২ কাপ
কালার মন মত
বিস্কুট বানানোর ট্রে
প্রস্তুত প্রণালী
প্রথমে ছানা ভালো ভাবে মিহি করে তার সাথে চিনি মিশিয়ে ৩-৪ মিনিট পর দুধ মিলাতে হবে, আলাদা ভাবে বিস্কুট গুঁড়ার সাথে বাটার মিক্স করে নিতে হবে, ট্রেতে ওভেন পেপার বসিয়ে তার উপরে বিস্কুট গুঁড়া গুলো ঢেলে দিয়ে ভালোভাবে চেপে দিতে হবে,তার উপর ছানা ঢেলে দিয়ে ১২০ তাপমাত্রায় সর্বমোট ১ ঘন্টা ওভেনে রাখতে হবে।

১৫ মিনিট পর ট্রে বের করে তার উপর কিসমিস, বাদামকুঁচি গুলো দিতে হবে।আবারও ট্রে ওভেনে দিতে হবে ৪৫ মিনিটের জন্য। আশা করি সবাই সঠিক করে বানাতে পারবেন।

দারুণ মজাদার রকমারি ফলের চাটনি তৈরির সহজ রেসিপি


চাটনি তো সবাই খেতে খুব পছন্দ করেন কিন্তু রকমারি ফলের চাটনি খেয়েছেন কি? আজ দেখে নিন বিডি রমণীর দেওয়া দারুণ মজাদার রকমারি ফলের চাটনি তৈরির সহজ রেসিপি। এখন রেসিপি জেনে নিন আর তৈরি করে খান যখন ইচ্ছা তখনই।


উপকরণ
কাঁচা আম (কিউব করে কাটা) – ১ কাপ
আনারস (কিউব করে কাটা)- ১ কাপ
টমেটো (কিউব করে কাটা)- ১ ও ১/২ কাপ
আলু বোখারা- ৭-৮ টা
কিসমিস – ১০-১৫ টা
আস্ত লাল মরিচ (অর্ধেক করে কেটে নিন) – ৩-৪ টা
পাঁচ ফোড়ন – ১/২ চা চামচ
গোল মরিচ – ১/৪ চা চামচ
লাল মরিচ গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
লবন ১ চা চামচ বা স্বাদমত
চিনি – ২ টেবিল চামচ
তেল – ৪ টেবিল চামচ

প্রণালী
পাত্রে তেল গরম করে পাঁচ ফোড়ন দিয়ে কয়েক সেকেন্ড পর আস্ত লাল মরিচ দিন এবং কয়েক সেকেন্ড ভাজুন।এবার কাঁচা আম, আনারস, টমেটো একে একে দিন। গোলমরিচ গুঁড়া, লবন, লাল মরিচ গুঁড়া দিয়ে ভাল করে নেড়ে দিন। অল্প একটু পানি দিয়ে ঢেকে দিন। মাঝারি আঁচে ফলগুলো নরম হয়ে আসা পর্যন্ত রান্না করুন।


ঢাকনা খুলে ভাল করে নেড়ে দিন যেন ফলগুলো ভাঙ্গা ভাঙ্গা হয়ে যায়। এবার আলু বোখারা, কিসমিস ও চিনি দিয়ে নেড়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে আরও ৫ মিনিটমত রান্না করে চুলা বন্ধ করে দিন।

রকমারি ফলের এই চাটনি উপভোগ করুন খিছুড়ি, পোলাও বা বিরিয়ানীর সাথে।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে ঘরেই বানিয়ে নিন এই হেলথ এনার্জি ড্রিংক



কখনোও কখনোও আমাদের শরীর অনেক বেশি ক্লান্ত হয়ে যায়। ক্লান্ত হলে আমরা প্রায় শুয়ে বসে থাকি। হাঁটাচলা বন্ধ করে দিই। বিছানায় ছেড়ে দেই ক্লান্ত শরীর। কিন্তু এই কাজগুলো করেই আমরা আমাদের শরীরকে করে তুলছি আরও বেশী ক্লান্ত।


বিশেষজ্ঞদের মতে এই সময় বিছানায় না শুয়ে থেকে সূর্যের আলো ও তাজা বাতাস রয়েছে এমন স্থানে খানিকটা সময় কাটিয়ে আসুন। এই আলো বাতাস আপনার শরীরের ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি আপনার মনের ক্লান্তি ও দূর করে দেবে।সূর্যের আলো থেকে পাবেন ভিটামিন ডি আর বাতাস থেকে পাবেন অক্সিজেন যা আপনার শরীরের ক্লান্তি দূর করে থাকবে।

ক্লান্ত হবার কারণসমূহ
-আমাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম আর অনিয়ম অনেকখানি দায়ী শরীর ক্লান্ত করার জন্য । যেমন,


-অতিরিক্ত শারীরিক প্ররিশ্রম

-অ্যালকোহল পান

-ক্যাফিন পান

-নিষ্ক্রিয়তা

-পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব

-অস্বাস্থ্যকর খাবার

-অতিরিক্ত ঔষধের ব্যবহার

অতিরিক্ত ক্লান্তির ফলে যে সকল অসুখ হবার সম্ভাবনা রয়েছে
-রক্তাল্পতা

-ক্যান্সার

-লিভার অকার্যকারিতা

-কিডনি অকার্যকারিতা

-হৃদরোগ

-স্থূলতা

-মানসিক সমস্যা

ক্লান্তির লক্ষণসমূহ
শুধু ঘুম পেলে কি ক্লান্তি হয়ে পড়ে শরীর? তা নয় অনেক সময় আমাদের শরীর ক্লান্ত থাকে কিন্তু তা আমরা্ নিজেরাই বুঝতে পারি না। অতিরিক্ত ক্লান্তির লক্ষণ গুলো হচ্ছে:

-শারীরিক বা মানসিক কার্যকলাপ পর অবসাদ

-এমনকি ঘুমের বা বিশ্রামের পর ঝরঝরে অনুভূতি না হওয়া

-স্বাভাবিক কাজকর্ম করার আগ্রহ না পাওয়া

-শরীরের মাংস পেশি সমূহ ব্যাথা করা

-মাথা ঘোরা

-প্রেরণার অভাব

-বিরক্ত লাগা

-খিটখিটে মেজাজ

অল্প কাজে ক্লান্ত হওয়া ভাল লক্ষণ নয়। এতে করে কাজের আগ্রহ কমে যায়। আর নান অসুখ হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায় বহুগুন। ক্লন্তি দূর করতে পারেন একটি হেলেথ ড্রিংকের মাধ্যমে। নিজেই ঘরে বানিয়ে নিন এই হেলথ ড্রিংক।

কী কী লাগবে
-১ গ্লাস দুধ

-২ টেবিল চামচ মধু

-১ চা চামচ যষ্টিমধু

কীভাবে তৈরি করবেন এই পানীয়টি?
-এক গ্লাস গরম দুধে ২ টেবিল চামচ মধু, ১ চা চামচ যষ্টিমধু খুব ভালভাবে মিশিয়ে একটি পানীয় তৈরি করুন।

-এই পানীয়টি দিনে দুইবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। সকালে একবার আরেকবার বিকালে।

-সকালে অফিসে যাওয়ার আগে নাস্তার সাথে খেতে পারেন এটি আবার অফিস থেকে ফিরে খেয়ে নিতে পারেন এই পানীয়টি।

এটি আপনার ক্লান্তি দূর করার সাথে সাথে আপনার কর্মশক্তিকে ফিরিয়ে আনবে।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

গ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রণা দূরে রাখবে এই ২ টি জাদুকরী পানীয়



গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা পেটের অন্যান্য নানা সমস্যার মধ্যে সবচাইতে বিরক্তিকর সমস্যা। আপাত দৃষ্টিতে এই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা তেমন মারাত্মক মনে না হলেও আপনার অবহেলার কারণে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে কিছুদিনের মধ্যেই। এই বিরক্তিকর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা মূলত আমাদের খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপনের নানা ভুলের কারণেই হয়ে থাকে।


বিশেষ করে খাবার সময় একটু আগে-পরে হলে এবং বেশি ভাজাপোড়া ও তেল মসলা জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া পড়লে এই সমস্যাটি বড় আকার ধারণ করা শুরু করে। তবে এই সমস্যার সমাধানও কিন্তু আমাদের হাতেই রয়েছে। বিশেষ কিছু পানীয় রয়েছে যার মাধ্যমে খুব সহজেই গ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রণা দূর করে দেয়া সম্ভব। আজকে চলুন পরিচিত হয়ে নেয়া যাক এমন দুটি পানীয়ের সাথে।

১) গাজর ও আলুর পানীয়
গাজর ডেটক্স ফুড নামে পরিচিত যা আমাদের পাকস্থলীসহ দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে টক্সিনমুক্ত রাখতে সহায়তা করে। এবং আলুর রস আমাদের পেট ঠাণ্ডা রাখতে বিশেষভাবে কার্যকরী। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে গাজর ও আলুর পানীয়টি পান করতে পারেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে।


উপকরণ
২ টি মাঝারী আকারের গাজর

১ টি মাঝারী আকারের আল্য

১ ইঞ্চি পরিমাণে আদা

প্রণালি
গাজর ও আলু ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট খণ্ড করে নিন। আদা কুচি করে রাখুন। এবার ব্লেন্ডারের দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে ছেঁকে জুস তৈরি করে নিন অথবা জুসারে দিয়ে একবারে জুস বের করে নিন।

২) পেয়ারা ও কলার পানীয়
পেয়ারা এবং কলা দুটি ফলেই প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। আর এ কারণেই এই পানীয়টি ইনটেস্টিনাল সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী।

উপকরণ
২ টি পেয়ারা

২ টি কলা

প্রণালি
পেয়ারা এবং কলা দুটিই শুকনো ফল তাই এই ফলগুলো ছোট করে কেটে সামান্য পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে নেয়া উচিত। ব্লেন্ড করে বা জুসারে জুস তৈরি করে নিয়ে এই নিয়মিত পানীয় পান করুন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানের জন্য।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

মাত্র একটি পাতা স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবে! কীসের পাতা জানেন?


জলপাইয়ের তেলের গুণের কথা তো প্রায় সবাই জানি। তবে জানেন কি জলপাই গাছের পাতারও রয়েছে জাদুকরি উপকারিতা? প্রাচীন সংস্কৃতিতে বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ের গবেষণাগুলোতেও এটি ব্যবহারের ইতিবাচক দিকগুলো উঠে এসেছে।


মূলত ফিটোকেমিক্যাল নামক উপাদান থেকে সব স্বাস্থ্যকর গুণের শুরু। ফিটোকেমিক্যাল পাওয়া যায় গাছগাছালি বা উদ্ভিদের মধ্যে। কীটপতঙ্গ থেকে এটি গাছপালাকে সুরক্ষা দেয়। যখন আমরা সেই গাছের লতাপাতা খাই, ফিটোকেমিক্যাল আমাদের শরীরে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।

জলপাইয়ের পাতার মধ্যে অলিওরোপিয়েন নামক এক ধরনের ফিটোকেমিক্যাল পাওয়া যায়। এর রয়েছে বিভিন্ন উপকারিতা যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।


বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি অ্যান্ড ন্যাচারাল ওয়ার্ল্ড এবং রিয়েল ফার্মেসি ডট কম জানিয়েছে জলপাইয়ের পাতার বিভিন্ন উপকারিতার কথা।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
জলপাইয়ের পাতার মধ্যে থাকা অলিওরোপিয়েন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি রক্তনালিকে শিথিল করতে সাহায্য করে। রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন কমায়। এ ছাড়া করনারি আর্টারিতে রক্ত চলাচল ঠিক রাখতে কাজ করে।

ডায়াবেটিস
গবেষণায় দেখা গেছে, জলপাইয়ের পাতা রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি ‘টাইপ টু’ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে। জলপাইয়ের পাতা শরীরের স্বাস্থ্যকর টিস্যুগুলোকে সুরক্ষা দেয়।

ক্যানসার প্রতিরোধ করে
জলপাইয়ের পাতার নির্যাস স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি ক্যানসার তৈরিকারী কোষ বৃদ্ধিতে বাধা দেয়। এ ছাড়া টিউমারের বৃদ্ধিও কমিয়ে দেয়।

নিউরোপ্যাথি
জলপাইয়ের পাতার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটোরি উপাদান। এটি মস্তিষ্ককে সুরক্ষা দেয়; কেন্দ্রীয় স্নায়ু পদ্ধতিকে স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখে। এ ছাড়া এটি প্রবীণ বয়সের পারকিনসন এবং স্মৃতিভ্রম রোগও প্রতিরোধ করে।

অ্যান্টি ভাইরাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান
জলপাইয়ের পাতার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি ভাইরাল এবং অ্যান্টিব্যাকেটিরিয়াল উপাদান। এটি বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে। এ ছাড়া এতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি ফ্রি র‍্যাডিকেল প্রতিরোধ করে। জলপাইয়ের পাতা প্রদাহ থেকে রেহাই দেয়।

হাড়ের গঠন
২০১১ সালে স্পেনে একটি গবেষণার ফলাফলে বলা হয়, অলিওরোপিয়েন হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া প্রতিরোধ করে। হাড় ক্ষয় রোগের সঙ্গে লড়াই করে। এ ছাড়া এই পাতা হাড় তৈরিকারী কোষকে তৈরি হতে উদ্দীপ্ত করে। একে মোটামুটি নিরাপদ খাবারই বলা যায়। জলপাইয়ের পাতার নির্যাস তরল আকারে বা শুকিয়ে গুঁড়ো করে খেতে পারেন। জলপাইয়ের পাতার চা বানিয়েও খেতে পারেন।

তবে যদি কেউ কেমোথেরাপি নেয়, এটি না গ্রহণ করাই ঠিক হবে। আর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, যে কোনো কিছু গ্রহণের আগে একবার চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য চর্চায় মেহেদি পাতার ৭টি সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী ব্যবহার



প্রাকৃতিকভাবে চুল রং করতে এবং চুলের গোড়া মজবুত করতে মেহেদি পাতার জুড়ি নেই। মূলত চুলের গোড়া মজবুত করে চুল পড়া রোধ করতে মেহেদি ব্যবহার হয়ে আসছে। কিন্তু এই চুলের যত্ন ছাড়াও আরও কিছু কাজে মেহেদি ব্যবহার করা যায়। মেহেদির এমন কিছু ভিন্নধর্মী ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।


১। পায়ের জ্বলাপোড়া রোধ
তাজা মেহেদি পাতা ভিনেগারে ভিজিয়ে এক জোড়া মোজার ভিতরে রেখে দিন। এবার এই মোজাটি পায়ে সারারাত পরে থাকুন। এটি পায়ের জ্বলাপোড়া কমিয়ে দিবে অনেকখানি।

২। মাথাব্যথা হ্রাস করতে
মেহেদি গাছের ফুল মাথা ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। মেহেদি গাছের ফুল পেস্ট করে এর সাথে ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এটি কপালে অথবা ব্যথার স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এছাড়া আপনি মেহেদির পেস্টও ব্যবহার করতে পারেন।


৩। মুখের ঘা ভাল করতে
এই মেহেদি দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন, মাউতওয়াশ। মেহেদি পাতা গুঁড়ো পানিতে গুলিয়ে নিন। এবার এটি দিয়ে কুলকুচি করুন। এটি মুখের ঘা দ্রুত ভাল করে থাকে এবং মুখ জীবাণুমুক্ত করে তোলে।

৪। টাক পড়া রোধ
সরিষার তেলের সাথে কয়েকটি মেহেদি পাতা দিয়ে জ্বাল দিন। এটি ঠান্ডা হয়ে গেলে মাথার তালুতে ব্যবহার করুন। এটি টাক পড়া প্রতিরোধ করবে।

৫। খুশকি দূর করতে
খুশকি চুলের সবচেয়ে বড় শত্রু। এই খুশকি দূর করতে মেহেদি বেশ কার্যকরী। সরিষা তেল, মেথি, মেহেদি পাতা সিদ্ধ একসাথে যোগ করে এটি চুলে ব্যবহার করুন। ১ ঘন্টার পর শ্যাম্পু করে নিন। এটি খুশকি দূর করে চুলকে করে তুলবে ঝলমলে সুন্দর।

৬। ঘামচির জ্বালাপোড়া রোধ করতে
মেহেদির পেস্ট পিঠ, ঘাড় এবং ঘামাচি আক্রান্ত অন্যান্য স্থানে লাগান। এটি ঘামচির চুলকানি এবং জ্বালাপোড়া হ্রাস করতে সাহায্য করবে।

৭। বাতের ব্যথা রোধে
বাত এবং বাতজনিত সবরকম ব্যথা দূর করতে মেহেদি তেল বেশ কার্যকর। ব্যথার স্থানে মেহেদি তেল ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ভাল ফল পেতে এটি প্রতিদিন এক থেকে দুই মাস করুন।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

চিনিছাড়া ব্ল্যাক কফির ৭ টি চমৎকার স্বাস্থ্যগুণ!



অনেকে ব্ল্যাক কফি পছন্দ করেন। কারও কারও আবার ধারণা ব্ল্যাক কফি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু এই ধারণাটি ভুল। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে অন্তত দু’বার চিনি ছাড়া কফি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপাকারী। সকালে ব্রেকফাস্টের পরে এক কাপ এবং সন্ধ্যাবেলায় এক কাপ কফি খাওয়া যেতে পারে। এক কাপ কফিতে ৬০% পুষ্টি, ২০% ভিটামিন এবং ১০% খনিজ ও ক্যালরি আছে। যা হৃদযন্ত্রসহ দেহের অন্যান্য অংশের উপকার করে থাকে। তবে তা অব্যশই চিনি ছাড়া হতে হবে।


১। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি

ব্ল্যাক কফি মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে। যার ফলে মনে রাখার ক্ষমতা অনেকখানি বেড়ে যায়। এছাড়া এটি নার্ভকেও সচল রাখে।


২। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে

কফির উপাদানসমূহ ব্লাড সুগার কমিয়ে দেয় এবং মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে থাকে। যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। নিয়মিত কফি পানে ৭% ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে।

 ৩। পেট পরিষ্কার করতে
কফি খেলে ঘন ঘন প্রসাব হয়। চিনি ছাড়া কফি খেলে শরীরের ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ, ব্যাকটেরিয়া প্রসাবের সাথে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। যা পেট পরিষ্কার করে থাকে।

৪। ওজন হ্রাস করতে

ব্ল্যাক কফি ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে থাকে। এটি মেটাবলিজম ৫০% বাড়িয়ে দেয় এবং এর সাথে পেটে জমে থাকা চর্বি গলাতে সাহায্য করে।

৫। ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে ব্ল্যাক কফি ২০% পুরুষের ক্যান্সার এবং ২৫% মেয়েদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে। যারা প্রতিদিন চার কাপ কফি পান করে তাদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।

৬। হার্ট সুস্থ রাখে

ব্ল্যাক কফি দেহের ইনফ্লামেশন কমিয়ে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে থাকে। চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি হার্ট সুস্থ রাখে।

৭। হাসিখুশি রাখে

এক কাপ ব্ল্যাক কফি সাথে সাথে আপনার মুড ভাল করে দেয়। ক্যাফিন নার্ভ সিস্টেমকে প্রভাবিত করে আপনার মনকে খুশি করে দেয়।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

জেনে নিন পিরিয়ড দেরিতে হওয়ার কারণগুলো



নারীদের জীবনের একটি বড় অংশ হলো পিরিয়ড বা ঋতুচক্র। প্রতি মাসের একটি নির্দিষ্ট সময়ে পিরিয়ড বেশীরভাগ নারীর। অনেক সময়ে দেখা যায়, কোনো কারণে বা কারণ ছাড়াই পিরিয়ড বেশ কিছুদিন লেট হচ্ছে। এ সময়ে অনেকেই ভয় পেয়ে যান। কেউ বা আবার একে স্বাভাবিক বলে উড়িয়ে দেন। পিরিয়ড লেট হবার কারণগুলো আসলে কী? এ ব্যাপারে আমাদেরকে প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো জানান ডাক্তার লুৎফুন্নাহার নিবিড়।


গর্ভধারণ না হলে বিভিন্ন কারণে লেট হতে পারে পিরিয়ড। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার নিবিড় জানান, এর পেছনে একটা বড় ভূমিকা পালন করে হরমোন সংক্রান্ত পরিবর্তন। পিরিয়ডের পুরো প্রক্রিয়াটা নিয়ন্ত্রণ করে কয়েকটি হরমোন, ফলে হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন এলে পিরিয়ড লেট হতে পারে। পিরিয়ড পেছনে কারণ হিসেবে থাকতে পারে জীবনযাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তন, যেমন:

– পরিবেশগত পরিবর্তন
– ওজন হঠাৎ করে কমা বা বেড়ে যাওয়া
– ডায়েট
– ভারী ব্যায়াম বা শরীরচর্চা, যেমন দৌড়ানো বা নাচের চর্চা
– ভ্রমণ করে নতুন কোথাও যাওয়া বা নতুন কোনো জায়গায় বসবাস করতে আসা
– মানসিক কোনো বড় পরিবর্তন, কোনো ধরণের মনস্তাত্ত্বিক ধাক্কা


এ ব্যপারে ডাক্তার নিবিড় জানান, অনেক সময়ে দেখা যায় বার্থ কন্ট্রোল পিল অথবা অন্য কোনো ইমার্জেন্সি পিল গ্রহণের কারণেও পিরিয়ড লেট হতে পারে।

এর মানে কি পিরিয়ড লেট হবার পেছনে কোনো অসুস্থতা নেই? ডাক্তার নিবিড় জানান, থাকতে পারে। পিরিয়ড লেট হবার পেছনে যেসব রোগের অবদান থাকতে পারে সেগুলো হলো-

– ওভারিতে প্রভাব ফেলে এমন কোনো যৌনরোগ

– ওভারিতে সিস্ট, ইউটেরাসে টিউমার থাকলে পিরিয়ড লেট হতে পারে বা খুব বেশি রক্তক্ষরণ হতে পারে

– এছাড়াও শরীরের ওপরে বড় মাত্রায় চাপ ফেলে এমন অসুস্থতার কারণে পিরিয়ড লেট হতে পারে

– কোনো রোগের কারণে হরমোন লেভেল অস্বাভাবিক হয়ে পড়লে তার জন্য পিরিয়ড লেট হতে পারে।

কোনো অসুস্থতার কারণে যদি আপনার স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে থাকে এবং এ কারণে পিরিয়ড লেট হয়, তবে রোগ সারিয়ে তলার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়া খাওয়া দাওয়া করতে হবে নিয়ম মতো। ধূমপান, ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল এর ব্যাপারে থাকতে হবে সাবধান।

পিরিয়ড লেট হলে আপনার কী চিন্তিত হবার দরকার আছে? পরিবেশগত বা জীবনযাত্রার কোনো পরিবর্তনের কারণে পিরিয়ড লেট হলে সাধারণত চিন্তার কিছু থাকে না। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তার দেখিয়ে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো। আপনার যদি তলপেটে ব্যাথা হয়ে থাকে, পরপর দুই মাস পিরিয়ড না হওয়া বা বার্থ কন্ট্রোল পিল খাবার পরেও পরপর দুই মাস পিরিয়ড না হয়, এসব ক্ষেত্রে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়াই ভালো। মনে রাখবেন, লজ্জা নয়, সচেতনতা জরুরী।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

প্রতিদিন মাত্র ১ টি এলাচ খাওয়ার অভ্যাস দূরে রাখবে ৮ টি বিরক্তিকর স্বাস্থ্য সমস্যা



খাবার খেতে বসলে মুখে এলাচ চলে গেলে মুখের স্বাদটাই মাটি হয়ে যায় অনেকের। মনে মনে ভাবতে থাকেন এলাচ খাবারে না দিলেই কি নয়? কিন্তু সত্যিই এই এলাচ রান্নাতে না ব্যবহার করলেই নয়। কারণ রান্নার স্বাদ ও গন্ধ বাড়ানো এলাচের অন্যতম কাজ। কিন্তু আপনি জানেন কি রান্না ছাড়াও আপনি এলাচ খেলে তা আপনার ১০ টি শারীরিক সমস্যা দূরে রাখবে? অনেকেই হয়তো বিষয়টি জানেন না। কিন্তু প্রতিদিন মাত্র ১ টি এলাচ খাওয়ার অভ্যাস করেই দেখুন না, নানা রকম সমস্যার সমাধান পাবেন।


১) এলাচ এবং আদা সমগোত্রীয়। আদার মতোই পেটের নানা সমস্যা এবং হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এলাচ অনেক কার্যকরী। বুক জ্বালাপোড়া, বমি ভাব, পেট ফাঁপা, অ্যাসিডিটির হাত থেকে মুক্তি পেতে এলাচ মুখে দিন।

২) দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে দিতে এলাচের জুড়ি নেই। এলাচের ডিউরেটিক উপাদান দেহের ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কারে সহায়তা করে।


৩) রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। এলাচের রক্ত পাতলা করার দারুণ গুনটি এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব সঠিক থাকে।

৪) এলাচের ডিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমিয়ে আনতে সক্ষম। দেহের বাড়তি ফ্লুইড দূর করে এলাচ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে।

৫) মুখে খুব বেশি দুর্গন্ধ হয়? একটি এলাচ নিয়ে চুষতে থাকুন। এলাচ মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।

৬) নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস মুখের দুর্গন্ধের পাশাপাশি মাড়ির ইনফেকশন, মুখের ফোঁড়া সহ দাঁত ও মাড়ির নানা সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

৭) গবেষণায় দেখা যায় নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এলাচ দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাঁধা প্রদান করে থাকে।

৮) এলাচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বয়সের ছাপ, রিংকেল, ফ্রি র্যাহডিকেল ইত্যাদি পড়তে বাঁধা প্রদান করে। এলাচ ত্বকের ক্ষতি পূরণেও বেশ সহায়ক।

সূত্রঃ হেলথডাইজেস্ট
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

রক্তস্বল্পতার হাত থেকে বাঁচাবে সহজলভ্য ৬ টি খাবার



রক্তস্বল্পতা খুব বেশী মারাত্মক পর্যায়ে না গেলে তেমন ক্ষতিকর কোনো সমস্যা মনে হয় না রোগীর কাছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, রক্তস্বল্পতার দরুন যে সকল রোগের উৎপত্তি ঘটে তা খুবই মারাত্মক। এছাড়াও রক্তস্বল্পতার রোগীদের থ্যালাসেমিয়ার বাহক ধরা হয়। তাই রক্তস্বল্পতাকে অবহেলা করা উচিত নয় মোটেই। বরং যতো দ্রুত সম্ভব এই সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। মূলত দেহের আয়রনের অভাব থেকেই এই সমস্যা বাড়তে থাকে। তাই রক্তস্বল্পতা সমস্যা দূর করতে দেহে আয়রনের পরিমাণ সঠিক রাখা প্রয়োজন। আর এর জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার। আজকে চিনে নিন এমন সহজলভ্য কিছু খাবার যা রক্তস্বল্পতার হাত থেকে রক্ষা করবে আপনাকে।


১) লাল মাংস
রক্তস্বল্পতার রোগীদের জন্য আল মাংস খুবই উপকারী একটি খাবার। প্রচুর পরিমাণে আয়রনে ভরপুর লাল মাংস রক্তস্বল্পতা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এবং সেই সাথে ত্বক ও মাংসপেশির সুরক্ষা করে।

২) চীনাবাদাম
ঘরে এনে চীনাবাদাম নিয়মিত খেতে দেখা যায় না তেমন কাউকেই। কিন্তু যদি আপনি রক্তস্বল্পতার হাত থেকে মুক্তি চান তাহলে প্রতিদিন চীনাবাদাম খান। চীনাবাদামের আয়রন আপনাকে রক্তস্বল্পতা থেকে দূরে রাখবে।


৩) ডিম
দিনে মাত্র একটি ডিম খাওয়ার অভ্যাস চিরকাল আয়রনের অভাব থেকে আপনাকে দূরে রাখবে। ডিমের মতো সহজলভ্য খাবার রাখুন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়।

৪) টমেটো
টমেটো খুবই সহজলভ্য একটি খাবার যা খুবই কার্যকরী রক্তস্বল্পতা দূর করতে। টমেটোর আয়রন, ভিটামিন সি এবং লাইকোপেন রক্তস্বল্পতা সহ নানা রোগের হাত থেকে আমাদের বাঁচায়। তাই খাদ্যতালিকায় যোগ করুন এই খাবারটিও।

৫) মধু
মধু এমনিতে খাওয়া হয়ে উঠে না। কিন্তু মধু খুবই কার্যকরী রক্তস্বল্পতা দূর করতে। চিনির পরিবর্তে নানা খাবারে যোগ করতে পারেন মধু। এতে চিনির ক্ষতিকর প্রভাব থেকেও বাচবেন এবং রক্তস্বল্পতাও দূর হবে।

৬) খেজুর
আমাদের দেশে এমন মানুষ খুবই কম রয়েছেন যারা রমজান মাস ছাড়া খেজুর খান। কিন্তু খেজুরের পুষ্টিগুণ অতুলনীয়। খেজুরে রয়েছে ভরপুর আয়রন। রক্তস্বল্পতা দূর করতে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন খেজুর।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

গরমকালের ৩ টি ফেস প্যাক,যা ত্বককে করবে ফর্সা


প্রকৃতিতে চলছে রোদ বৃষ্টির খেলা । এই প্রচন্ড রোদ্দুর তো এই ঝুম ঝুম বৃষ্টি । মেঘলা আবহাওয়া দেখে অনেকে হয়ত সানব্লক না মেখেই বেড়িয়ে গেলেন, আর গন্তব্যে পৌঁছানোর পূর্বেই দেখলেন গনগনে সূর্যের আগমন। কী আর করা,রোদের পুড়ে ট্যান পড়ল ত্বকে। চিন্তা নেই এর উপায়ও প্রকৃতিতেই আছে। গ্রীষ্মকাল এমন সব উপকারী ফল নিয়ে আসে যা দেহ-মনে প্রশান্তি নিয়ে আসে এক নিমিষে; সেই সাথে ত্বকের যত্নেও তারা অদ্বিতীয়। আজকে আপনাদের জন্য রয়েছে এমন ৩ টি ফেসপ্যাক, যেগুলো গরমে আদর্শ, যার উপকরণ ভীষণ প্রতুল, বানাতেও কম সময় লাগে আর ত্বকে এনে দেয় চমৎকার দ্যুতি।


তরমুজের প্যাক
গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে ঠান্ডা এক গ্লাস তরমুজের রস যেন যে কোনও কিছুকে হার মানায়। তৃষ্ণা মেটাতে ও শরীরের ক্লান্তি মেটাতে সক্ষম এ তরমুজের রস ত্বকের জন্যও সমান উপকারী। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও মিনারেল আমাদের ত্বককে রাখে ফ্রেশ, প্রাণবন্ত ও হাইড্রেটেড।

একটি বাটিতে এক কাপ পরিমাণ তরমুজের টুকরো নিন, টুকরো গুলো যেন বীজহীন হয়। এবার এগুলো কে এমন ভাবে চটকে নিন যাতে সব রস বেড়িয়ে না যায়। তারপর এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ১০ মিনিট পর প্যাকটি হাত দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন, পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন না।


এভাবে আধ ঘণ্টা রাখতে পারেন। ৩০ মিনিট পর নরমাল পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে আপনার ত্বকের ক্লিনিজিং ও টোনিং দুটোই হয়ে যাবে।

পাকা আমের প্যাক
আর কিছুদিন পর বাজারে প্রচুর পাকা আম পাওয়া যাচ্ছে। আম খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি স্বাস্থ্যের জন্যও খুব ভালো। এর ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইবার শরীরের জন্য দারুন উপকারী। আম ভিটামিন এ এর অনেক বড় উৎস। ভিটামিন এ ত্বক, চুল, চোখ ও নখের জন্য ভীষণ দরকারি।

ভিটামিন এ ত্বককে ফর্সা ও উজ্জ্বল করে তোলে, সেই সাথে ত্বকে এনে দেয় মসৃণতা ও লাবণ্য যা সহজে যায় না। ভিটামিন এ এর অভাবে ত্বক নির্জীব মনে হয় আর অল্প বয়সেই বয়সের ছাপ পড়ে যায়। আম এক নাগাড়ে একনে, পিম্পল, রোদে পোড়া দাগ, ব্রণের দাগ, যে কোনও কাল দাগের বিরুদ্ধে কাজ করে। রেগুলার ব্যবহারে এ সব সমস্যা থেকে পরিত্রাণ মিলতে পারে সহজেই।

এক টুকরা আম বা কিছু আমের পাল্প ব্লেন্ড করে ত্বকে ১৫ মিনিটের জন্য ব্যবহার করুন । আর স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে আমের টুকরাটি পুরো মুখে বুলিয়ে নিন। তারপর ভালো করে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন । নিয়মিত ব্যবহারে মনে হবে আপনি যেন আপনার নতুন স্কিন পেয়ছেন। কোনও রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই মাত্র ১৫ মিনিটে পেয়ে যাবেন ত্রুটিহীন সুন্দর অবয়ব।

পেঁপে-আনারসের প্যাক
আনারসের রস যে কোনও দাগ ও ব্রণ সারাতে সাহায্য করে আর পাকা পেঁপে রঙ উজ্জ্বল করে। এ দুটি উপাদান একসাথে মিশে কার্যকর ফল দিতে পারে। আনারস ও পেঁপে গরম কালে দারুন সহজলভ্য।

উপকরণ
-১ কাপ ফ্রেশ আনারস কুচি

-১/২ কাপ পাকা পেঁপে

-১ টেবিল চামচ মধু

ব্লেন্ডার পদ্ধতি
ব্লেন্ডারে পরিমাণ মত আনারস ও পেঁপে ভালো ভাবে চটকে নিন। তারপর এতে মধু দিন, আবার মেশান। ঠিকমত হয়ে গেলে পরিষ্কার হাতে ভালো মত মুখে লাগিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন যেন চোখের চারপাশে না যায়। ১৫-২০ মিনিট পর পর্যায়ক্রমে কুসুম গরম পানি ও ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এবার টোনার ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এই গরমেও ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রাখতে নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিন, বেছে নিন যে কোনও একটি ফেস প্যাক কিংবা একেক সপ্তাহে একেকটা ব্যবহার করেও দেখতে পারেন।তবে যেটি আপনাকে বেশি স্যুট করবে সেটিও চালিয়ে নেয়া উচিত। সবাই ভালো থাকবেন এবং সবার পাশাপাশি নিজের যত্ন নিতেও ভুলবেন না ।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

কীভাবে পাবেন গাঢ় আর দীর্ঘস্থায়ী মেহেদির রঙ

আমাদের কালচারে মেহেদি কত ইম্পরট্যান্ট, তা বোঝা যায় এই ঈদের আর বিয়ের মৌসুমে। আর মেহেদির রঙ কতটা গাঢ় হল তা নিয়েও আছে নানা সংস্কার, কৌতুক! মেহেদি দেয়া খুবই ধৈর্য্যের এক শিল্প। আর আজকাল মেহেদি আর্টিস্টদের কাছ থেকে নজরকাড়া ডিজাইনের জন্য সবাই কম অর্থ ব্যয় করেন না! কিন্তু, এত শখের মেহেদিতে যদি ঠিক মত রঙ না হয় তবে?? পুরো সময়, টাকা সবই যায় জলে। সুতরাং, ঈদ আর বিয়ের মৌসুমের আগে আগেই আপনাদের জানিয়ে দেই ন্যাচারাল মেহেদি (যা কিনা বেশিরভাগ মেহেদি আর্টিস্টরাই ব্যবহার করতে ভালোবাসেন!) তার রঙ আরও লাল, গাঢ় আর দীর্ঘস্থায়ী কীভাবে করবেন-


কিছু প্রয়োজনীয় কথা –

প্রথমে আপনার পছন্দের ডিজাইন সিলেক্ট করুন। আর্টিস্টের কাছে গেলেও তাকে ভালোভাবে বুঝিয়ে বলুন, আপনি বিশেষ দিনটির জন্য কী চাচ্ছেন। ছবির মাধ্যমেও বুঝাতে পারেন। কমিউনিকেশন গ্যাপ হয়ে গেলে আর্টিস্ট যত সুন্দর করেই কাজ করুক না কেন আপনার পছন্দ নাও হতে পারে।
চেষ্টা করুন ন্যাচারাল মেহেদি ব্যবহার করতে। এখন প্রায় সব আর্টিস্ট নিজের হাতে বানানো মেহেদি কোন ইউজ করে আবার বিক্রিও করে। বাজারে খুঁজে না পেলে তাদের কাছ থেকে কিনতে পারেন।
এক ঢিলে দুই পাখি মারার আশায় গোল্ড, একটিভ নামক কেমিকেলের ডিব্বা ব্যবহার করলে নিজের রিস্কে করবেন। কিন্তু খবরদার নিজের বাচ্চার হাতে ঈদের আগের রাতে এগুলো দেবেন না যেন!
হাত রাঙানোর আগে-



হাতের আর পায়ের যে অংশে মেহেদি দেবেন তা ভালো ভাবে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন। সাবান দিয়ে না ধুলে স্কিনে রঙ বসে না।
একটা পুরনো কাপড় (কোথাও ভুল হয়ে গেলে তাড়াতাড়ি মোছার জন্য), একটা সুঁই (কোনের নজেল বন্ধ হয়ে গেলে পরিষ্কারের জন্য) আগে থেকে কাছে নিয়ে বসুন।
মেহেদি দেবার ঠিক আগে আগে ওয়াক্সিং, ম্যানিকিওর, পেডিকিওর করাবেন না। দেখা গেছে, এসবের ঠিক পর পর মেহেদি দিলে রঙটা পানশে বাদামি হয়ে যায়।
বেশ ভালো আলো আছে এমন জায়গায় বসুন। এতে ভুল কম হবে। আর আর্টিস্টের কাছে দিলে বারবার নড়াচড়া করবেন না। এতে ডিজাইন নষ্ট হয় আর্টিস্টও বিরক্ত হয়! (ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা)
মেহেদির মধ্যে কচি পেয়ারা পাতা, লেবুর রস, চা ইত্যাদি ব্যবহার করলে রঙ অনেক গাঢ় হয় কারণ এগুলো মেহেদির কালারিং প্রপার্টি একটিভেট করে। নিজে বানালে একটু করে মিশিয়ে নিতে পারেন। আর্টিস্টকেও বলতে পারেন যাতে এগুলো ব্যবহার করে।
গাঢ়, লাল রাঙ্গা হাতের জন্য-

গাঢ় রঙ পেতে চাইলে অবশ্যই বিশেষ দিনের অন্তত ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন আগে হাতে মেহেদি দেবেন। ভালো ন্যাচারাল মেহেদির আসল রঙ ২৪ ঘণ্টা পর দেখা যায়।
ন্যাচারাল মেহেদি হাতে যতক্ষণ রাখতে পারেন তত ভালো। আমি ছোট বেলা থেকে হাতে মেহেদি দিয়ে ঘুমাতে যাই। মিনিমাম ৬ ঘণ্টা মেহেদি হাতে রাখতে হবে।
মেহেদি শুকানোর পর উঠানোর জন্য পানি দিয়ে ধোবেন না যেন!! অন্তত ১২ ঘণ্টা মেহেদি দেয়া জায়গায় পানি লাগাবেন না। নরমাল তেল, বা আচারের তেল দিয়ে মেহেদি উঠাবেন। ধুয়ে ফেললে রঙ ২-৩ শেড হালকা হয়ে যায়।
এটা আমার দাদির কাছ থেকে শোনা, একটা প্যানে কয়েকটা লবঙ্গ দিন, এবার ধোঁয়া বেরনো শুরু করলে এর উপরে দুই হাতের তালু ধরে রাখুন। ১০ সেকেন্ড পর হাত সরিয়ে নিন। (ট্রাই করতে চাইলে সাবধানে করবেন)
একটু লেবুর রসে চিনি মেশান, মেহেদি শুকানোর পর উঠে গেলে হাতে এই মিশ্রণ লাগান।
অতিরিক্ত লেবু-চিনি দিয়ে ঘষাঘষি শুরু করবেন না যেন! এতে পানি দিয়ে ধুলে যা হয় তাই হবে, ডিজাইন হালকা হয়ে নষ্ট হয়ে যাবে। কয়েক ফোঁটাই যথেষ্ট।
আশা করি টিপসগুলো উৎসবের দিনে কাজে লাগবে। আগে সবাই এই ট্রিক গুলো জানত, কিন্তু এখন কেমিকেল মেহেদির যুগে আস্তে আস্তে এর চল উঠেই যাচ্ছে। মনে রাখবেন, ন্যাচারাল উপায় যত সময়সাপেক্ষ হোক না কেন, সবসময়ই সম্পূর্ণ নিরাপদ। বড়, বাচ্চা সবার জন্য। নিশ্চয়ই আপনি চান না মেহেদির মত আমাদের সংস্কৃতির এত সুন্দর একটা অংশের অপব্যবহার করে বিশেষ দিনটিকে নষ্ট করতে!
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

৩০ সেকেন্ডে শিখে নিন পার্লারের মতো দুটি নেইল আর্ট


কিছুদিন আগেও নেইল আর্টের সাথে অনেকেই পরিচিত ছিলেন না। কিন্তু বর্তমানে এই নেইল আর্টের জনপ্রিয়তা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। এখন আর কেউই সোজা-শাপটা এক রঙের নেলপলিশে নখ রাঙাতে পছন্দ করেন না। নখে কিছু কারুকাজ না করা থাকলে যেনো নখের সৌন্দর্যই প্রকাশ পায় না। আর সে কারণেই অনেকে পার্লারে ছুটে যান বিভিন্ন ধরণের নেইল আর্ট করতে। কিন্তু পার্লারে গিয়ে এতো টাকা খরচ করে নেইল আর্ট করার প্রয়োজন নেই একেবারেই। বরং পার্লারে যাওয়ার সময়টুকু ব্যয় করে ঘরেই নিজের নখ নিজের মতো করে রাঙিয়ে নিতে পারেন খুব সহজেই। আর আপনার এই কাজটিকে সহজ করে দেয়ার জন্য আজ নিয়ে এলাম অপূর্ব সুন্দর দুটি নেইল আর্ট করার খুবই সহজ উপায়। চলুন তাহলে শিখে নেয়া যাক।


হাফ ফ্লাওয়ার নেইল আর্ট
যা যা লাগবে:
– দুটি কনট্রাস্ট রঙের নেইলপলিশ (এখানে সাদা কালো ব্যবহার করা হয়েছে)
– ১ টি টুথপিক
– ট্রান্সপারেন্ট নেইলপলিশ

পদ্ধতি:
– প্রথমে নখ পরিষ্কার করে নতুন করে সাদা রঙের প্রথম কোট নেইলপ্লিশ লাগান পুরো নখে।
– শুকিয়ে যাওয়ার আগেই কালো রঙের নেইল পলিশ দিয়ে নখের এক কর্নার হতে অর্ধেকটা জুড়ে আলতো করে ব্রাশ বুলিয়ে দুটি আধা গোল দাগ টানুন। একটি গাঢ় এবং একটি অপরক্তি কিছুটা হালকা করে দাগ টানবেন।
– এরপর শুকিয়ে যাওয়ার আগেই টুথপিক দিয়ে ছড়ানো অংশ থেকে টেনে এক অংশে ফুলের মতো করে টেনে ডিজাইন করে নিন ৫-৬ টি দাগ দিয়ে।
– টুথপিকটি কালো রঙের নেইলপলিশে ডুবিয়ে ফুলের পাপড়ি হয়ে আসা অংশের ঠিক উপরে ডট দিন।
– এবারে পুরোপুরি শুকিয়ে যেতে দিন এবং ভালো করে শুকিয়ে গেলে ট্রান্সপারেন্ট নেইনপলিশ দিয়ে কোট করে সিল করে দিন। ব্যস, হয়ে গেলো হাফ ফ্লাওয়ার নেইল আর্ট।


জিওমেট্রি অ্যাঙ্গেল নেইল আর্ট
যা যা লাগবে:
– নিজের পছন্দের ৩ টি নেইল পলিশ
– স্টিকার বা স্কচ টেপ
– একটি চিমটা
– ট্রান্সপারেন্ট নেইলপলিশ

পদ্ধতি:
– প্রথমে একটি স্টিকার বা স্কচ টেপ ৪৫ ডিগ্রী কোন করে কেটে নিন।
– এরপর প্রথমে নখে এক কোট নেইল পলিশ দিয়ে শুকোতে দিন। শুকিয়ে গেলে এর উপরে সাবধানে সত্যিকারটি নখে নিজের পছন্দ করে লাগিয়ে নিন।
– এরপর অপর দুটি নেইলপলিশ দিয়ে স্টিকার লাগানোর পর বিভক্ত হওয়া নখের দুই অংশ রাঙিয়ে নিন।
– তারপর চিমটা দিয়ে সাবধানে স্টিকারটি তুলে ফেলুন এবং ভালো করে শুকিয়ে যেতে দিন।
– শুকিয়ে গেলে ট্রান্সপারেন্ট নেইলপলিশ দিয়ে কোট করে সিল করে নিন।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

গরমেও আরামে থাকুন হিজাবে


গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত- স্বস্তি নেই ফ্যানের নিচে কিংবা এসি রুমেও। ঘর থেকে বেরুলেই তো সূর্যের অকৃপন দয়া। একটু আরামের জন্য পোশাকের বহরে চলতে থাকে খোঁজ- কি কাপড়ে আরাম মিলবে? কোন রঙে গরম কম লাগবে? কোন পোশাকে স্বচ্ছন্দে কাটবে দিন? এতসব প্রশ্নের ভিড়ে গুরুত্বপূর্ণ জিজ্ঞাসা- এই গরমে পর্দা মেনে চলা কি কঠিন?
না। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে যারা হিজাব ব্যবহার করেন- এই গরমটাও কাটাতে পারেন আরামে। হিজাব কেনার সময় কাপড়ের দিকে একটু খেয়াল রাখতে হবে। সুতিটাই মূলত উপযোগী, কারণ সুতি তাপ শোষন করে না। তবে ধুপিয়ান, ভয়েল, চিকেন ও তাঁতের কাপড় গরমের সময় বেশ আরামদায়ক। আর হাতের নাগালে হিজাবে যদি কাপড়ের বৈচিত্র না থাকে, তবে ওড়নাকেও ব্যবহার করা যায় হিজাব হিসেবে।


হিজাব কিংবা ওড়না ব্যবহারে কিছুটা পরিবর্তন আনলেই গরমেও থাকা যায় সতেজ।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

নারীদের বয়স লুকানোর গোপন রহস্য


আপনার বয়স কত? আপনি যদি পুরুষকে প্রশ্ন করেন তার বয়স কত? তবে সে দ্রুতই বলে দিবে সঠিক উত্তরটি। কিন্তু এই একই প্রশ্ন যদি কোন মহিলাকে করেন, তাহলে হয়তো আপনি এর কোনো উত্তরই পাবেন না। কিংবা ভুল উত্তর পাবেন। কারণ, অধিকাংশ মহিলারা নিজের প্রকৃত বয়স না বলে লুকাতে চান। কিন্তু কেন? জেনে নিন মহিলাদের বয়স লুকানোর পিছনের রহস্যটি।


বিয়ে সমস্যা
পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বিয়ে করার ক্ষেত্রে কম বয়সী মহিলাদেরই জয়-জয়কার। আর তাই বিয়ের উপযুক্ত পাত্রী হয়ে ওঠার জন্য অনেক মহিলাই নিজের বয়স লুকিয়ে রাখেন। এমনকি খুব কাছের বন্ধুবান্ধবের কাছেও নিজের সঠিক বয়সটা বলেন না অনেকেই।

কম বয়সী দেখানো
অনেক মহিলাই মনে করেন যে বয়স কম বললে তাদেরকে দেখতেও কম বয়সী দেখাবে। আর এই ভ্রান্ত ধারণা থেকে অনেক নারী বয়স লুকিয়ে থাকেন।


পুরুষের মন পাওয়া
পুরুষের মন পাওয়ার ইচ্ছা তো সব নারীরই গোপন বাসনা। আর তাই তারা ভাবেন নিজের বয়স কমিয়ে বললে পুরুষের মন পাওয়া বেশ সহজ হবে এবং পুরুষের কাছে আরও বেশি আকর্ষণীয় হতে পারবেন। আবার অনেক সময় নিজের চাইতে বয়সে ছোট পুরুষের মনোযোগ আকর্ষণের জন্যও নারীরা সঠিক বয়সটা বলতে চান না।

 পরিবারের কাছ থেকে শিক্ষা
সমাজে একটি প্রচলিত বিষয় হলো, মা-দাদী তাদের সন্তানদের আসল বয়স বলতে মানা করেন। তাদের মধ্যে এই বিষয়টি নিয়ে নানান রকম কুসংস্কার কাজ করে। আর তাই মেয়েরা বড় হতে হতে এই বিষয়টি নিজের মনে গেঁথে রেখে দেয়। ফলে তারা তাদের সঠিক বয়সটি কাউকে বলতে চায় না।
বুড়িয়ে যাওয়ার ভয়
অধিকাংশ নারীর মনে সাধারণ একটি ফোবিয়া থাকে। আর তা হলো, বুড়িয়ে যাওয়ার ভয়। বয়স কম দেখাতে তারা নানান রকম রূপচর্চা, প্লাস্টিক সার্জারি এবং যোগ ব্যায়াম করে থাকেন। আর নিজের সঠিক বয়সটাও বলতে চান না মানুষকে।

হিংসা
নিজের পরিচিত কোনো কম বয়সী সুন্দরী মহিলার পাশে থাকলে অধিকাংশ মহিলাই নিজের বয়স লুকাতে চান। হিংসা থেকেই হোক আর নিরাপত্তাহীনতা থেকেই হোক এই প্রবণতাটি কম বেশি বেশ কিছু মহিলার মধ্যেই লক্ষ্য করা যায়।

চাকরি
চাকরি পাওয়ার জন্য অনেকসময় বয়স সীমা নির্ধারণ করা থাকে। আর এই বয়সের ভিতরে থাকার জন্য অনেক মহিলাই নিজের প্রকৃত বয়সটি লুকানোর চেষ্টা করেন।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

কম উচ্চতার নারীদের জন্য কয়েক টি ফ্যাশন টিপস্‌



লম্বা নয় এমন নারীরাও আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী হতে পারেন। আর তাদের ফ্যাশনেরও বহু সুযোগ রয়েছে। কিন্তু অনেকেই এসব বিষয় ঠিকঠাক না জানার কারণে তা ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেন না। এ লেখায় রয়েছে তেমন কয়েকটি বিষয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।


১. অনেকেই উঁচু হিল জুতা পরে স্টাইল করতে পছন্দ করেন। যদিও বিষয়টি সব সময় যে প্রয়োজনীয়, তা নয়। আপনার উঁচু জুতার প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রয়োজনে বেরিয়ে আসতে পারেন। মাঝারি উঁচু জুতা কিংবা ফ্ল্যাট জুতাও অনেক কম লম্বা মেয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে পায়ের আরাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

২. থাই হাই বুট বা উঁচু জুতা সব সময় যে আপনার জন্য কাজ হবে এমনটা নয়। এ ক্ষেত্রে হিডেন হিল সহ হাই বুট হতে পারে একটি ভালো সমাধান।


 ৩. বহু কাপড় বা বেশভূষা অতিরিক্ত বড় দেখা যায়? নিজের জন্য পছন্দনীয় কাপড় পান না? পেটিট সেকশন থেকে বা কিডস সেকশনের বড় পোশাকগুলো খুঁজে দেখুন।
৪. অ্যাক্সেসরিজ বিরক্ত করে? এ ক্ষেত্রে বাড়তি অ্যাক্সেসরিজ ব্যবহার বাদ দিন। জুয়েলারি যেন আপনাকে মাত্রাতিরিক্ত ঢেকে না রাখে, এ জন্য নজর দিন।

৫. কাপড় একবার কেনার পর তা পাল্টানো অনেকের পক্ষেই ঝামেলার বিষয়। এ ক্ষেত্রে পোশাক কেনার সময়েই সাইজের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন। এতে আপনার অনেক ঝামেলা ও অর্থ বাঁচবে।

৬. ম্যাক্সি, স্কার্ট ও অন্যান্য ড্রেসগুলো আপনার ভীতির কারণ? এ ক্ষেত্রে হলিউডের অভিনেত্রী সালমা হায়েক কিংবা ইভা লঙ্গোরিয়াকে অনুসরণ করুন।

৭. বড় আকারের টি-শার্ট ও সোয়েটার আপনার জন্য সমস্যার? এ ক্ষেত্রে বড় সাইজের বদলে রেগুলারই সঠিক মাপের নিতে হবে। এ ছাড়া বড় টপের সঙ্গে স্লিক লেগিং ও হিল পরা যেতে পারে।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

জেনে নিন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বিশ্বসেরা ৫টি ফাউন্ডেশনের কথা


সুন্দর ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য প্রয়োজন সঠিক মেকআপ। আর সঠিক মেকআপের জন্য প্রয়োজন সঠিক কসমেটিকস এবং তার সঠিক ব্যবহার। মেকআপের একটি গুরুত্বপূণ অংশ হল ফাউন্ডেশন। ত্বকের ধরণ বুঝে বেছে নিতে হয় ফাউন্ডেশন। শুষ্ক, স্বাভাবিক ও মিশ্র ত্বকের জন্য ফাউন্ডেশন বেছে নেওয়াটা যতটা সহজ তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সেটা ঠিক ততটাই কঠিন। এই কঠিন কাজটা সহজ় করার জন্য জ়েনে নিন বিশ্ব বিখ্যাত ৫ টি ফাউন্ডেশন যা শুধু তৈলাক্ত ত্বকের জন্য প্রযোজ্য।

১। রিম্মেল লাস্টিং ফিনিশিং ফাউন্ডেশন (Rimmel Lasting Finish Foundation)
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য রিম্মেল লাস্টিং ফিনিশিং ফাউন্ডেশনটি খুবই উপকারী। ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত এটি ত্বকের ম্যাট লুক ধরে রাখে। ৭টি শেডের এই ফাউন্ডেশনটি ট্রান্সফারপ্রুফ হওয়ায় দীর্ঘসময় পর্যন্ত নিখুঁত স্কীন টোন দেয়।


২। ব্যারেমিনারেলস ম্যাট এসপিএফ১৫ ফাউন্ডেশন (Bareminerals Matte SPF15 Foundation)
লিক্যুইড ফাউন্ডেশনের চেয়ে পাউডার ফাউন্ডেশন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বেশী কার্যকরী। ব্যারেমিনারেলস এর পাউডার ফাউন্ডেশনের ক্রিমি টেক্সচার ত্বকের সম্পূণ তেল শুষে না নিয়ে হালকা একটু তেলতেল ভাব রেখে দেয়। এতে ত্বক খুব বেশী ড্রাই ও দেখায় না আবার তেলে চিটচিটেও করে না। ব্যারেমিনারেলসের ২০টি শেডের ফাউন্ডেশন বাজারে পাওয়া যায়।

৩। ববি ব্রাউন লং ওয়্যার ইভেন ফিনিশ কম্প্যাক্ট ফাউন্ডেশন (Bobbi Brown Long-Wear Even Finish Compact Foundation)
বিশ্ব বিখ্যাত মেকআপ ব্র্যান্ড ববি ব্রাউনের লং ওয়্যার ইভেন ফিনিশ ফাউন্ডেশনটি ত্বকে ঝরঝরে লুক দেয়। আবার খুব বেশী ড্রাইও করে না ত্বককে। এর এসপিএফ সূর্য এর ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে থাকে। ১০টি নেচারাল শেডের ফাউন্ডেশন বাজারে পাওয়া যায়।

৪। লরা মার্চিয়ার অয়েল ফ্রি ফাউন্ডেশন (Laura Mercier Oil-Free Foundation)
আপনি যদি লিক্যুইড ফাউন্ডেশনে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন তবে এই ফাউন্ডেশনটি আপনার জন্য পারফেক্ট। এটি অয়েল ফ্রি হওয়ায় খুব সহজ়ে ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নেয়। ত্বককে আরও পলিস এবং স্মুথ করে তোলে।

৫। রেভলন কালার স্টে মেকআপ ফর অয়েলি স্কীন (Revlon ColorStay Makeup for Oily/Combination Skin)
সারাদিনের জন্য কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন? অথবা মেকআপে থাকতে হবে লম্বা সময়? তাহলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন রেভলনের কালার স্টে ফাউন্ডেশনটি। তৈলাক্ত ত্বকের প্রধান সমস্যা হল কিছুক্ষণ পর মুখ তেলতেল হয়ে যাওয়া। রেভলনের সফটফ্লেক্স টেকনোলজি অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে মুখ আনে ন্যাচারাল একটা লুক। এসপিএফ ৬ সমৃদ্ধ ২০ টি শেডে রেভলন ফাউন্ডেশন বাজারে পাওয়া যায়।

লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

ফাউন্ডেশনের সাত সতেরো



সাজগোজ করতে কে না ভালবাসে? আমরা সবাই কম বেশি এ কাজটি করে থাকি। আর সাজগোজের ক্ষেত্রে মেকআপ নেওয়ার সময় যে নামটি সর্বপ্রথমে আমাদের মাথায় আসে তা হল ফাউন্ডেশন । তবে আপনি কি জানেন কোন ফাউন্ডেশনটি আপনার ত্বকের জন্য মানানসই? অথবা ফাউন্ডেশনের শেড বাছাই করতে গিয়ে কি পড়ে যান বিপাকে? যদি এমন হয়ে থাকে আপনার সমস্যাগুলো তাহলে আর চিন্তা না করে পড়ে নিন আর্টিকেলটি ।আশা করি সে সমস্যার সমাধান হবে সহজেই।


জেনে নিন ফাউন্ডেশনের ধরণ :
বাজারে অনেক রকমের ফাউন্ডেশন পাওয়া যায় । এর মধ্যে রয়েছে
লিকুইড,স্টিক,ক্রীম,মুজ,ম্যাট লিকুইড,পাউডার,,বিবি ক্রীম ইত্যাদি ।

এবার আপনাদের মনে প্রশ্নের উদয় হতেই পারে কে কোনটি ব্যবহার করবেন । তাই চলুন প্রতিটি টাইপ সম্পর্কে জেনে নেই বিষদভাবে –


# লিকুইড ফাউন্ডেশন :
লিকুইড ফাউন্ডেশন হচ্ছে ফাউন্ডেশনের চিরাচরিত রূপ । যখন থেকে বাজারে ফাউন্ডেশন আসতে শুরু করেছিল,তার শুরুই হয়েছিল লিকুইড ফাউন্ডেশন দিয়ে। আজ যত রকমের ফাউন্ডেশন আমরা বাজারে দেখি তার সবই লিকুইড ফাউন্ডেশনের রূপভেদ । লিকুইড ফাউন্ডেশনও কয়েক প্রকারের হয়ে থাকে,ভিন্ন ভিন্ন ত্বকের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি হয় একেকটি। এটি লিকুইড থাকার কারণে ব্যবহার করা অনেক সহজ। তবে প্রচলিত লিকুইড ফাউন্ডেশন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কিছুটা অনুপযোগী ,কিছু সময় পরে ত্বককে আরো তেলতেলে করে দেয় যদি না ফাউন্ডেশনের গায়ে ওয়েল ফ্রি কথাটা লেখা থাকে ।তবে শুষ্ক ত্বকে তা আদর্শ । মিশ্র ত্বকেও মানিয়ে যায় সহজেই।

# ক্রিম ফাউন্ডেশন :
ক্রিম ফাউন্ডেশন অনেকটা লিকুইড ফাউন্ডেশনের মতই। এটি আরেকটু থিক হয়। সাধারণ ক্রিমের মতই ব্যবহার করা যার ।শুষ্ক ত্বকে এ ধরণের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা হয় । তবে শীতে অন্যান্য ত্বকেও ব্যবহার করা যাবে ।

# পাউডার ফাউন্ডেশন :
আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাজারে এসেছে পাউডার ফাউন্ডেশন । এটি ব্যবহার করা যেমন সহজ,তেমনি কম সময় সাপেক্ষ ।তাই এই ব্যস্ত জীবনে পাউডার ফাউন্ডেশন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । আর এর সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে ব্যবহার করলে এতে পাওয়া যায় লিকুইড ফাউন্ডেশনের ইফেক্ট । তবে কভারেজ পাওয়া যায় একটু কম । পাউডার ফাউন্ডেশন সব ধরণের ত্বকে মানানসই,শুষ্ক ত্বক হলে আগে একটু ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিলেই হবে । গরমের দিনে এর চেয়ে ভাল কিছু হতে পারে না ।

# মুজ ফাউন্ডেশন :
তৈরির প্রযুক্তিগত দিক থেকে মুজ ফাউন্ডেশন এখনো পর্যন্ত সব গুলোর শীর্ষে । এটি যেমন কভারেজও দেয় ভাল তেমনি সব সময় সবখানে ব্যবহার করা যায় সহজেই । আর সব ধরণের ত্বকেও মানিয়ে যায় । এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ । অনেকেই তৈলাক্ত ত্বকে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে চান না,তাদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই মুজ ফাউন্ডেশন। এর গঠন অনেক মসৃণ হয়,তাই ত্বকের সাথে খুব সহজেই মানিয়ে যায়।

# বিবি ক্রিম :
বিবি ক্রিমএকটি আধুনিক ফাউন্ডেশন ।খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিবি ক্রিম । এটি খুবই আরামদায়ক এবং হালকা অনুভূতিপূর্ণ । এটি যেমন ফাউন্ডেশনের ঝক্কি কমায় তেমনি চেহারায় আনে প্রাকৃতিক কোমলতা ও মসৃণতা যার জন্য এটি এত বেশি সমাদৃত । সব ধরণের ত্বকেই মানানসই এই বিবি ক্রিম । ভাল ব্র্যান্ডের বিবি ক্রিমগুলোতে শেডও পাওয়া যায়।

# স্টিক ফাউন্ডেশন :
স্টিক ফাউন্ডেশনের একটি অসুবিধা হচ্ছে এটি লাগানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই কেকি হয়ে যায় ,আর সাদা সাদা হয়ে ত্বককে অসুন্দর করে দেয়। তাই যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা এই ফাউন্ডেশনটি এড়িয়ে চলাই ভালো। এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য বেশি ভাল । অনেক ভারী মেকআপ নিতে গেলে প্রয়োজন পড়ে স্টিক ফাউন্ডেশনের।

তাহলে আর দেরি না করে বেছে নিন আপনার ত্বক উপযোগী ফাউন্ডেশনটি আর সাজুন আপনার মনমতো।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

ত্বক তৈলাক্ত? মেকাপ বসেনা? গলে যায়? কী করনীয়?



মেয়েদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ত  ত্বক নিয়ে।  অনেকেরই অনেকটা  সময়  ঘরের বাইরে কাটাতে হয়। যেহতু গরমকাল চলছে এখন মেয়েদের সবচেয়ে বড় চিন্তা হচ্ছে মেকআপ নষ্ট হয়ে যাওয়া বা গলে যাওয়া। অতিরিক্ত তাপমাত্রায় ঘেমে যাওয়ার  কারণে মেকআপ গলে যায়। যাদের স্কিনটাইপ ন্যাচারালি অয়েলি তাদের দুশ্চিন্তার কথা আর নাইবা বললাম। যত গরমই হোক আর স্কিন যতোই তৈলাক্ত হোক কে না চায় নিজেকে সুন্দরভাবে সবার সামনে উপস্থাপন করতে? কিন্তু সুন্দর লাগতে গিয়ে মেকআপ করে সেই মেকআপ গলে গেলে  বিড়ম্বনা যেন আরও বেড়ে যায়। আজকে গরমে মেকআপ লং লাস্টং করার পদ্ধতি নিয়ে কথা বলব।


বিউটি গুরুরা মেকাপ লং লাস্টিং এবং সোয়েটপ্রুফ রাখার উপায় হিসেবে অনেক নিয়মই বলেন যার মধ্যে মেকাপ ব্যবহার করার আগে বরফ কুচি দিয়ে চেহারা ধুয়ে নেওয়া এবং রকমারি প্রাইমার ব্যবহার করা সবচেয়ে বেশি পপুলার। বরফকুচি যা করে সেটা হচ্ছে ত্বকের যেসব পোর উন্মুক্ত বা খোলা থাকে  সেগুলো বন্ধ করে এবং ত্বকে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণে ব্রণ, র‍্যাশ  ইত্যাদি হওয়া থেকে রক্ষা করে। প্রাইমার ব্যবহার করলে ফাউন্ডেশনটা সুন্দরভাবে স্কিনে বসে যায় এবং পোরস ও অন্যান্য অসামঞ্জস্যতা কিছুটা ঢেকে দেয়। তবে কিছু কিছু প্রাইমারের  বেশি পরিমাণে সিলিকা থাকে যা  রিংকেলস গুলোর জায়গায় ফাউন্ডেশনের আস্তর কে চির ধরিয়ে দেয় বা ফাটিয়ে দেয়।

এক্ষেত্রে আমি মনে করি  খুব ভালো  প্রাইমার না থাকলে  যেকোন ভালো ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করে নেওয়া। এটা প্রাইমারের মতোই কাজ করবে।


তাছাড়া গরম আবাহাওয়ায় উপযোগী  এমন ফাউন্ডেশন সিলেক্ট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাট ফাউন্ডেশনের ফর্মুলায় তেল জাতীয় উপাদান খুব কম থাকে তাই  ম্যাট ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে  ১০-১২ ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে।

আমার পছন্দের পাঁচটি  ফাউন্ডেশনের কথা শেয়ার করব যা গরমে ব্যবহার উপযোগী।

১। Rimmel London Stay Matte Liquid Mousse Foundation

এই ফাউন্ডেশন্টা ওজনে খুবই হালকা হলেও এর কভারেজ অসাধারণ। ফাউন্ডেশনটা এতোই  কভারেজ দেয় যে অতিরিক্ত কন্সিলার ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে না। আর যেহেতু ম্যাট ফিনিশ তাই সেট করার জন্য পাউডার ব্যবহার না করলেও চলে।

ন্যুনতম দাম ৭৫০-৮০০ টাকা। বাঙালি মেয়েদের উপযুক্ত শেডগুলো হলো  Classic Beige, True Beige, True Nude, and Natural Beige।  এর লাস্টিং টাইম ন্যুনতম ১০-১২ ঘণ্টা।

২। L’oreal Paris Magic Nude Liquid Powder Bare Skin Perfecting Makeup Foundation

নাম দেখেই নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এটা লিকুইড টু পাউডার ফাউন্ডেশন। এর অর্থ হলো ফাউন্ডেশনটা লিকুউড কিন্তু এটি একবার অ্যাপলাই করার পরে পাউডার ফিনিশিং পাওয়া যায়। ফাউন্ডেশন্টা ফুল কভারেজ হওয়া সত্বেও খুবই পাতলা। এর ফিনিশিং একেবারেই ন্যাচারাল। লিকুইড টু পাউডার ফাউন্ডেশন হওয়ার কারণে সম্পূর্ন ম্যাট লুক পাওয়া যায়। ন্যুনতম দাম ১৪০০-১৫০০ টাকা। বাঙালি মেয়েদের উপযুক্ত শেডগুলো হলো  Nude Beige, Natural Beige, Natural Buff and Sun Beige. এর লাস্টিং টাইম ন্যুনতম ৮-১০ ঘণ্টা।

৩। Revlon Colorstay 24hours Foundation

ড্রাগস্টোর ফাউন্ডেশন গুলোর মধ্যে টপ লিস্টে সবসময় পাওয়া যায় এই ফাউন্ডেশনের নাম। এর সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে এটি ফুল কভারেজ হলেও ব্যবহারের পর কখনো কেকি লাগেনা, জায়গা থেকে কখনো সরে যায়না বা মুছেও যায়না। স্পেশালি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য তৈরি এই ফাউন্ডেশন। ওজনে খুবই হালকা। চেহারার অতিরিক্ত তেল এবসরভ করে নেয় এবং চেহারা শাইনি হতে দেয়না। ন্যুনতম দাম ১২৫০-১৫০০ টাকা। বাঙালি মেয়েদের উপযুক্ত শেডগুলো হলো  Golden Beige, Warm Golden, Golden Caramel andToast. এর লাস্টিং টাইম ন্যুনতম ১০-১২ ঘণ্টা।

এবার যে ফাউন্ডেশন দুটির কথা বলবো সেগুলো হল হাই-এন্ড ফাউন্ডেশন। দামি হলেও এদের ফিনিশিং চমৎকার

৪। Kat Von D Lock It Tattoo Foundation

হাই এন্ড বিউটি ওয়ার্ল্ডের পরিচিত নাম কেট ভন ডি। এই ফাউন্ডেশনটি হাইলি পিগমেন্টেড এবং এটা দিয়ে ট্যাটু পর্যন্ত ঢেকে ফেলা যায়। এই ফাউন্ডেশন্টা অনেকটা রিমেল stay matte  এর মতোই। অতিরিক্ত কনসিলার বা পাউডারের প্রয়োজন পড়েনা। এর ফিনিশিং খুবই স্মুথ এবং ভেলভেটি। এই ফর্মুলাটা কোন ধরনের প্রোডাক্ট ট্রান্সফার প্রিভেন্ট করার পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা লাস্ট করে। বাঙালি মেয়েদের উপযুক্ত শেডগুলো হলো Light 45, Medium 53, Medium 57 and Medium 62. ন্যুনতম দাম ২৮০০-৩২০০ টাকা।

৫। Estee Lauder Double Wear Stay-In-Place Foundation

এই ফাউন্ডেশনটা বিউটি ওয়ার্ল্ডে  বেশ আলোচিত ফাউন্ডেশনের একটি। পাখির পালকের চেয়েও হালকা সুন্দর ফিনিশিং সম্পূর্ণ কভারেজ অনেকটা এয়ারব্রাশ ফিনিশিং দেয়। Olive Oil ছাড়া এই ফাউন্ডেশন তোলা অসম্ভব। স্কিনের সাথে গ্লু এর মতো এটে যায়। গরমকালের জন্য ভাল। একবার এটা ব্যবহার করলে অন্য কোন ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে ইচ্ছেই করবেনা। যারা এটি এফোর্ড করতে পারবেন আমি তাদের সাজেস্ট করবো চোখ বন্ধ করে কিনে ফেলুন। ১৫ ঘণ্টা গ্যারান্টি দিলেও এই ফাউন্ডেশন  ১৮-২০ ঘণ্টা লাস্টিং করে। ন্যুনতম দাম ৩২০০-৩৫০০ টাকা। বাঙালি মেয়েদের উপযুক্ত শেডগুলো  Cashew 3W2, Honey Bronze 4W1, Toasty Toffee 4W2 and Henna 4W3
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

লিপস্টিক দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখার কৌশল


ঠোঁট রাঙানো সব মেয়েরাই পছন্দ করেন। নিজের ঠোঁটকে আকর্ষণীয় করতে নানা রঙে রাঙিয়ে তোলেন। কিন্তু মাঝে মাঝে লিপস্টিকের সঠিক ব্যবহার না জানায় পরতে হয় বিড়ম্বনায়। লিপস্টিক নষ্ট হয়ে গিয়ে বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। আবার ঠোঁটে বেশিক্ষণ লিপস্টিক থাকেনা বলে বার বার ব্যবহার করতে হয়, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ। যদি লিপস্টিক দীর্ঘক্ষণ ঠোঁটে ধরে রাখতে চান তবে অবলম্বন করতে পারেন নিচের কিছু ট্রিকস্‌।


• প্রথমে লিপস্টিক লাগান। তার ওপরে পাউডার দিন। এবার হালকা করে টিস্যু পেপার দিয়ে দুই ঠোটেঁর মাঝে চাপা দিন।

• লিপস্টিক এর ব্যবহার যথার্থ হতে হবে। আপনার ত্বক, পোশাক, ব্যক্তিত্ব, দিনের সময়, চেহারা এই সবকিছু মাথায় রেখেই লিপস্টিক বেছে নিতে হবে।


• মনে রাখতে হবে, যে লিপস্টিকই লাগান না কেন সরাসরি কখনো ঠোটেঁর ওপর লাগাবেন না। লিপব্রাশ দিয়ে হালকা ভাবে লাগাবেন।

• লিপস্টিক লাগানোর আগে জিভ দিয়ে ঠোঁট সামান্য ভিজেয়ে নেবেন। লিপস্টিক ডানদিক থেকে বামদিকে লাগাবেন। ঠোটেঁর কোণের জন্য সামান্য ফাঁক রাখবেন।

• যাদের ঠোঁট মোটা তারা লিপস্টিক লাগানোর আগে লিপ পেন্সিল দিয়ে ঠোঁটের বাইরের অংশ কিছুটা ছোড়ে একে নিন।

• লিপ পেন্সিল লাইনারের বাইরের অংশ কভার স্টিক ফাউন্ডেশন ও পাউডার দিয়ে ত্বকের রঙের সাথে মিলিয়ে দিনভর রাখতে পারেন।

• এরপর লিপ লাইন দিয়ে আঁকা ঠোঁটের ভেতরের অংশ ভরে দিন পছন্দসই বা মানানসই লিপস্টিক দিয়ে।

• পাতলা ঠোঁট যাদের তারা ঠিক ঠোঁটের বর্ডার ধরে ভিতরটা রঙ করুন। যদি লিপস্টিক বর্ডার ছাপিয়ে বেরিয়েও যায় খুব একটা খারাপ লাগবে না। বরং ঠোঁটটা আরও ভরাট ও মোহনিয় দেখাবে।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

বাড়িতেই হোক হেয়ার স্পা




বাড়িতে হেয়ার স্পা করতে প্রয়োজন মাইল্ড হারবাল শ্যাম্পু, প্লাস্টিক শাওয়ার ক্যাপ, হেয়ার মাস্ক তোয়ালে, বড় দাঁতের চিরুনি ও হেয়ার কন্ডিশনিংয়ের উপকরণ।


হেয়ার স্পা শুরুঃ

* চুল নোংরা হলে প্রথমেই অল্প পরিমাণ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করুন। কারণ চুল পরিষ্কার থাকলে হেয়ার কন্ডিশনিংয়ের উপকরণগুলো সহজে চুলের গোড়ায় প্রবেশ করবে।


* এবার মাথায় তোয়ালে জড়িয়ে রাখুন। চুলের ভিজে ভাব কমে গেলে চুল আঁচড়ান।

* চুলের ডগা থেকে জট ছাড়াতে শুরু করুন। প্রথমেই চুলের ওপরের অংশ থেকে জোরে জোরে চুল আঁচড়াবেন না।

* হেয়ার মাস্ক বাড়িতেও তৈরি করে নিতে পারেন। একটি ডিম, এক টেবিল চামচ ক্যাস্টার অয়েল, একটি লেবুর রস, এক চা চামচ গ্লিসারিন বা এক টেবিল চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে নিন। স্ক্যাল্পে ও চুলে এই মিশ্রণ ভালো করে লাগান। তারপর প্লাস্টিকের শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন। এক ঘণ্টা থাকুন। এবার শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

* চার কাপ পানির মধ্যে দুই টেবিল চামচ চা পাতা দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে লেবুর রস মেশান। মিশ্রণ ঠাণ্ডা হলে শ্যাম্পু করার পর হেয়ার রিন্স হিসেবে এটা ব্যবহার করুন। চুল চকচকে ও পরিষ্কার হবে।

স্পা করার পরঃ

* শুষ্ক চুলে সপ্তাহে অন্তত দুদিন অয়েল ম্যাসাজ করুন।

* তারপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। বেশি কেমিক্যালসমৃদ্ধ শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুলের ন্যাচারাল অয়েল ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

* শ্যাম্পুর পর নারিশিং ময়েশ্চারাইজিং কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। মাসে একবার ডিপ কন্ডিশনিং মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।

* হেয়ার ড্রায়ার বেশি ব্যবহার করলে চুল আরো শুষ্ক হয়ে যায়।

উপকারিতাঃ

* অয়েল ম্যাসাজের ফলে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। চুল নরম ও মসৃণ হয়। স্ক্যাল্পে সমস্যা থাকলে বা সেনসেটিভ স্ক্যাল্প হলে হেয়ার স্পা করুন। তৈলাক্ত স্ক্যাল্পের সমস্যা কমাতেও হেয়ার স্পা সমানভাবে কার্যকর।

* অতিরিক্ত শুষ্ক চুল, ভঙ্গুর চুল বা খুশকির সমস্যায় হেয়ার স্পা দারুণ উপযোগী।

* চুল রিবন্ডিং বা কালার করার কারণে বা পানি ভালো না হওয়ার কারণে চুল খারাপ হয়ে গেলে হেয়ার স্পা ভালো চুল ফিরিয়ে দেবে।

* চুল পড়ার সমস্যায়ও হেয়ার স্পা কার্যকর। মানসিক চাপ, হরমোনে পরিবর্তন, অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা গরম, অসুস্থতা- যে কারণেই চুলপড়া শুরু হোক না কেন, চুলপড়া নিয়ন্ত্রণ করতে হেয়ার স্পা সাহায্য করে।

* তিন সপ্তাহে একবার হেয়ার স্পা করতে পারেন। তবে কত দিন পর পর হেয়ার স্পো করবেন তা নির্ভর করবে চুলের ধরনের ওপর।

হেয়ার স্পা কখন দরকার পড়েঃ

* স্ক্যাল্প প্রায়ই চুলকালে এমনকি শ্যাম্পু করার পরও

* চুলের ডগা ফেটে গিয়ে রুক্ষ হয়ে পড়লে

* প্রায়ই চুলে জট পাকালে, চুল এলোমেলো হয়ে পড়লে

* খুব মানসিক চাপে ভুগলে

* হঠাৎ করে চুলে খুশকি হলে

* চুলে কালার বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট করলে।





লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

৩টি দারুণ উপায় পারফিউমের সুগন্ধ অনেকটা সময় ধরে রাখুন



আমসুগন্ধি আইসক্রিম




হুইপডক্রিম/ রেসিপিদুধ, মৃদু গরম২কাপ
আমের শাঁস ওরস/ কাপঘন দুধ/ কাপ
ডিমের কুসুম৪টিলিকুইড গ্লুকোজ/ টে.চা
চিনি/ কাপলাল রংসামান্য
করনফ্লাওয়ার২চা চা
১। পাকা আমের শাঁস ও রস বের করে মোটা চালনিতে চেলে নাও।
২। ডিমের কুসুম, চিনি ও করনফ্লাওয়ার ও আধা কাপ দুধ একসঙ্গে মিশাও। করণফ্লাওয়ার ভালভাবে মিশলে বাকি দুধ ও ঘন দুধ মিশাও। চুলায় দিয়ে নাড়। ফুটে উঠলে আঁচ কমিয়ে নাড়। ঘন হলে নামাও। লিকুইড গ্লুকোজ দিয়ে নাড় এবং ঠান্ডা কর। রেফ্রিজারেটরে রাখ।
৩। আধা ঘন্টা পরে  রেফ্রিজারেটর থেকে নামিয়ে হুইপডক্রিম মিশাও। আম দিয়ে মিশাও। লাল রং মিশাও। ক্যারামেল আইসক্রিমের পদ্ধতিতে জমাও।

আমের চার আচার



কাঁচা আমের আচার বানানোর এই তো সময়। সারা বছরই খাওয়া হবে এই আচার। আমের কয়েক রকম আচার তৈরির প্রণালি দিয়েছেন জেবুন্নেসা বেগম
আম-রসুনের আচার
উপকরণ: আমের টুকরো ২ কাপ, এক কোয়া রসুন ১৫ থেকে ২০টা, লবণ ২ চা-চামচ (স্বাদমতো), সরষে ১ চা-চামচ, পাঁচফোড়ন আধা চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, সিরকা ৪ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ২টা, সরষের তেল দেড় কাপ।
প্রণালি: আম পরিষ্কার করে ধুয়ে খোসা ফেলে টুকরো করে নিন। এবার আমে হলুদ ও লবণ মাখিয়ে এক দিন রোদে রাখুন। সব মসলা সিরকা দিয়ে বেটে আমের সঙ্গে মেখে আবার রোদে দিন। বোতলে আম ঢুকিয়ে রসুন ও শুকনা মরিচ দিন। তেল গরম করে ঠান্ডা হলে আচারের বোতলে ঢেলে কয়েক দিন রোদে দিন।
আমের নোনতা আচার
উপকরণ: আমের টুকরো ৪ কাপ, লবণ ২ চামচ, কালোজিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, শুকনা মরিচ ৩টা, মৌরি গুঁড়া আধা চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, পাঁচফোড়ন ১ চা- চামচ, সরষের তেল ২ কাপ।
প্রণালি: আমের খোসা ফেলে লম্বা টুকরো করে লবণ পানিতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পানি ঝরিয়ে এতে হলুদ ও প্রয়োজনমতো লবণ দিয়ে কড়া রোদে কয়েক ঘণ্টা রেখে মৌরি গুঁড়া ও কালোজিরার গুঁড়া দিয়ে আবার রোদে দিন। শুকনা নরম আম বোতলে ঢুকিয়ে নিন। গরম তেলে পাঁচফোড়ন ভেজে তেল ও পাঁচফোড়ন আমের বোতলে ঢেলে দিয়ে কয়েক দিন বোতলের মুখে পাতলা কাপড়ে বেঁধে রোদে দিন।
খোসাসহ আমের আচার
উপকরণ: আম ১০টা, সরষে বাটা ২ চামচ, পাঁচফোড়ন বাটা ১ চামচ, সিরকা আধা কাপ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ কাপ, তেজপাতা ২টা, শুকনা মরিচ ৩টা, সরষের তেল ১ কাপ।
প্রণালি: আম খোসাসহ টুকরো করে হলুদ ও লবণ মাখিয়ে ৮-১০ ঘণ্টা রোদে দিন। এবার হলুদ, মরিচ, সরষে, পাঁচফোড়ন ও অর্ধেক সিরকা আমের সঙ্গে মিশিয়ে আবার রোদে দিন। শুকিয়ে এলে বাকি সিরকা, চিনি, তেজপাতা ও শুকনা মরিচ দিয়ে বোতলে ঢুকিয়ে রোদে দিন। তেল ভালোভাবে গরম করে ঠান্ডা হলে আচারের বোতলে ঢেলে কয়েক সপ্তাহ রোদে দিন।
আমের মোরব্বা
উপকরণ: আম ১০টা, চিনি ২ কাপ, পানি ১ কাপ, লবণ আধা চা-চামচ, এলাচ ৩টা, দারচিনি ২ টুকরো, তেজপাতা ২টা, চুন ১ চা-চামচ।
প্রণালি: আমের খোসা ফেলে দুই টুকরো করে নিন। এবার টুথপিক দিয়ে আমের টুকরো ভালোভাবে ছিদ্র করে নিন। চুনের পানিতে আম ৭-৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আম তুলে পরিষ্কার পানিতে কয়েকবার ধুয়ে নিন। এবার চিনির সিরায় সব উপকরণ দিয়ে ফুটে উঠলে আম ছেড়ে দিন। অল্প আঁচে রাখুন। আম নরম হলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে বোতলে ঢুকিয়ে রাখুন।