• কমলা লেবুর খোসার ৭টি অসাধারণ ব্যবহার!

    কমলালেবু খাওয়ার পর সাধারণত আমরা এর খোসা ফেলে দেই। কারণ আপাত দৃষ্টিতে এর কোনো গুণাগুণ আমরা খুঁজে পাই না। কিন্তু অনেকেই জানি না যে এই কমলার খোসার রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুন ও ব্যবহার। অন্যান্য অনেক ফলের খোসার চেয়ে কমলার খোসার গুনাগুন অনেক বেশি।

  • ত্বকের দাগ দূর করার ঘরোয়া গোপন ৩ টি কৌশল

    ত্বকের রঙ যেমনই হোক না কেন ত্বক যদি পরিষ্কার থাকে তাহলেই আসল সৌন্দর্য ফুটে উঠে। রঙ ফর্সাকারী কেমিক্যাল যুক্ত ক্রিম, ফেসওয়াশ, মাস্ক ব্যবহার করে যদি শুধু ত্বকের রঙ ফর্সা করতে গিয়ে ত্বকে ব্রণের দাগ বা ছোপ ছোপ দাগ করে ফেলেন তাহলে কি তা দেখতে ভালো দেখাবে? মোটেই নয়।

  • আপনার চেহারায় ফুটে থাকুক চিরতারুণ্য

    বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার ত্বকে, আপনার মুখে তার ছাপ রেখে যাচ্ছে। আপনার কি এই বুড়োটে হয়ে যাওয়া দেখতে ভাল লাগছে? লাগছে না। বয়সের ছাপ থাকুক কিন্তু সেটা যেন বয়সের চাইতে বেশী না দেখায় । তাই আপনার চির সবুজ মনের সাথে সাথে চেহারায়ও যদি চিরতারুণ্য ধরে রাখা যায় তবে তার চাইতে ভাল আর কি হতে পারে। তারুণ্যদীপ্ত চেহারার জন্য যা কিছু করা দরকার-

জেনে নিন ফরাসি সুন্দরীদের রূপের রহস্য!


সৌন্দর্য ও ফ্যাশনের লীলাভূমি হচ্ছে ফ্রান্স। কিন্তু তাই বলে এটা ভেবে বসবেন না যে, ফ্রান্সের নারীরা তাদের ত্বক ও চুলের পরিচর্যায় আধুনিক কৌশল ব্যবহার করে। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, ফরাসি নারীরা তাদের ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে প্রাকৃতিক পদ্ধতির উপর নির্ভর করে থাকেন বেশি! তাদের ত্বক ও চুলের সৌন্দর্যের মূল ভিত্তি হচ্ছে দাদীমাদের অর্থাৎ প্রাচীন রূপের রহস্য যা তারা আজও অনুসরণ করেন। ফরাসি সুন্দরীরা সাধারণত খুবই কম মেকআপ নিয়ে থাকেন এবং  ত্বককে সূর্যের আলো থেকে রক্ষা করার জন্য তারা সব সময় হ্যাট বা ছাতা ব্যবহার করে। আসুন আজ জেনে নেই ফরাসি রমণীদের সৌন্দর্য চর্চার আরো কিছু বিষয়।

১। প্রথাগত সৌন্দর্য পদ্ধতি অনুসরণ করে

ফ্রান্সের মানুষ ছোট বেলা থেকেই পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের থেকে সৌন্দর্যের বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণ করেন যেমন- তারা ঘুমানোর আগে ভালোভাবে মুখ ধোন। তারা প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি মাস্ক ব্যবহার করেন, যেমন- চোখের উপর শশার টুকরা ১৫ মিনিট দিয়ে রাখা, স্ট্রবেরি ও মধু মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করা ইত্যাদি। তারা চুল ধোয়ার জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করে এবং চুলের উজ্জ্বলতার জন্য লেবু বা ভিনেগার ব্যবহার করে।


২। ঘুমানোর আগের সৌন্দর্য চর্চা

রাতের বেলায় মানুষ যখন ঘুমায় তখন ত্বক তার ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার কাজ করে এবং পুনর্জীবিত হয়। ফ্রান্সের রমণীরা ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার করার জন্য ক্লিঞ্জিং ও স্ক্রাবিং করে এবং ময়েশ্চারাইজিং এর জন্য অলিভ অয়েল, আমন্ড অয়েল ইত্যাদি ব্যবহার করেন।

৩। চুলে ড্রায়ার ব্যবহার করে না

ফ্রান্সের রমণীরা চুল ধোয়ার পর প্রাকৃতিক ভাবে শুকিয়ে নেন, তারা কখনোই ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকান না। কারণ ড্রায়ার দিয়ে চুল শোকালে চুল ভঙ্গুর, শুষ্ক ও নিস্তেজ হয়ে যায়।

৪। প্রচুর পানি পান করে

সার্বিক স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যের জন্য পানির অপরিহার্যতাকে ফ্রান্সের রমণীরা খুবই গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে বলে সব সময় হাইড্রেটেড থাকেন। তারা পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি প্রায়ই মুখে পানির ছিটা দেন।

৫। ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করে

ফ্রান্সের মেয়েরা সব সময় ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করেন। এর ফলে তাদের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং ত্বক উজ্জ্বল ও তরতাজা দেখায়। রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে মুখে গোলাপি আভা দেখা যায়।

৬। রোদ থেকে ত্বককে রক্ষা করে

সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য ফরাসি মেয়েরা সব সময় ছাতা ব্যবহার করেন এবং বড় হ্যাট ব্যবহার করে। এজন্য তাদের বলিরেখা পড়েনা। তারা বাইরে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিনও ব্যবহার করেন।

৭। পাতলা দেহের জন্য তাদের কোন ঘোর কাজ করেনা

ফরাসি মেয়েরা সুস্থ ও সুখি জীবনে বিশ্বাস করে। তারা সাধারণ ও স্বাস্থ্যকর খাবার খান ও খাবারকে উপভোগ করেন। পরিবারের সবার সাথে খাবার গ্রহণ করে। তারা ভোজনের সময় অনেক বেশি স্ন্যাক্স খান না। তারা তাজা ফলমূল, আস্ত শস্যদানা, অলিভ অয়েল, মাছ, মাংস এবং দুগ্ধজাত খাবার খান বেশি। তাদের ওজন বৃদ্ধি পেলেও তারা জিমে যান না বরং সাধারণ এক্সারসাইজ যেমন- হাঁটা, দৌড়ানো ও এরোবিকস ইত্যাদি নিয়মিত করেন।

৮। বেশি মেকআপ করেন না

ফ্রান্সের মেয়েরা খুব বেশি মেকআপ করেন না কারণ তারা “ন্যাচারাল বিউটি” কথাটিতে বিশ্বাস করে। তাদের মেকআপ হয় “Done but not done look” এই বিখ্যাত উক্তিটির মতোই। আসলে স্বাস্থ্যবান উজ্জ্বল ত্বকের জন্য তেমন কোন মেকআপের প্রয়োজন হয় না।

এছাড়াও ফরাসি সুন্দরীরা তাদের সৌন্দর্যের জন্য যে কাজ গুলো করেন- প্রতিদিন চুলে শ্যাম্পু ব্যবহার করেন না, সব সময় পারফিউম ব্যবহার করেন, হাত পরিষ্কার করা ছাড়া মুখে হাত লাগান না, শ্যাম্পু করার আগে চুল আঁচড়ান ইত্যাদি।

কার জন্য কেমন উপহার, জেনে নিন কিছু টিপস


উপহার পেতে কে না ভালোবাসেন! কিন্তু যখন কারো জন্য উপহার কেনার পালা আসে, তখন পিছিয়ে আসেন অনেকেই। কারণ কী? কারণ আর কিছুই না, উপহার নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি। কেমন উপহার কিনবেন, যার জন্য কিনবেন তার পছন্দ হবে কি না, তার কাজে লাগবে কি না – এসব নিয়েই দ্বিধায় পড়ে যান অনেকে। কার জন্য কেমন উপহার কিনলে খুশি করতে পারবেন রইলো কিছু টিপস। আশা করি কাজে লাগবে।

পরিবারের সদস্যদের জন্য
– পরিবারের সদস্যদের পছন্দ-অপছন্দ জানা তুলনামূলক সহজ। তাই সে কথা মাথায় রেখেই উপহার নির্বাচন করুন। উপহার নির্বাচনের সময় এর কার্যকারিতা এবং বাজেটও মাথায় রাখুন। উপহার যে কোনো বিশেষ দিনেই দিতে হবে তার কোনো মানে নেই। কোনো কারণ ছাড়াও বাড়ির সদস্যদের জন্য উপহার কিনে এনে চমকে দিতে পারেন।
– বাড়ির বড়দের জন্য বাড়ি সাজানোর বিভিন্ন সামগ্রী যেমন ডেকোরেটিভ ক্যান্ডেল, ল্যাম্পশেড ইত্যাদি কিনে দিতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ক্রোকারিজ বা অন্যান্য গাজেটসও হতে পারে ভালো উপহার।
– ভাই-বোনের জন্য উপহার নির্বাচনের সময় তাদের পছন্দের কথা অবশ্যই মাথায় রাখুন। আজকাল বিভিন্ন বুক স্টোর, মিউজিক স্টোর, পোশাকের দোকানের গিফট ভাউচার পাওয়া যায়, উপহার হিসেবে এগুলো দিতে পারেন। পোশাক যেকোনো মানুষকে খুশি করার জন্য ভালো উপহার। অথবা ভালো পারফিউমও গিফট করতে পারেন। বোনের জন্য ট্রেন্ডি হ্যান্ডব্যাগ হতে পারে খুব ভালো উপহার।
– স্বামীকে সারপ্রাইজ দিতে কোনো হলিডে প্ল্যান করতে পারেন। টিকিট কাটা থেকে শুরু করে হোটেল বুক করা সব ব্যবস্থা নিজেই করে ফেলে স্বামীকে অবাক করে দিন। আর আপনার স্বামী যদি হন টেক স্যাভি, তাহলে লেটেস্ট মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ল্যাপটপ উপহারের জন্য আদর্শ।
– স্ত্রীকে হাউজহোল্ড গ্যাজেট যেমন ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন উপহার দিতে পারেন। ঘর সাজানোর শৌখিন শোপিস, ছোটখাট অলংকার উপহার হিসেবে খুব রোমান্টিক। আর শাড়ি তো রইলোই। স্ত্রীর যদি বাগান করার শখ থাকে তাহলে বিভিন্ন ধরনের গাছের চারাও উপহার দিতে পারেন।

বন্ধুর জন্য
– বন্ধু যদি ছোটবেলার হন তাহলে আপনাদের দুজনের পুরোনো কোনো ছবি থাকলে তা ফ্রেমে বাঁধিয়ে উপহার দিতে পারেন। আরো ভালো হয় যদি ফ্রেমটা আপনি নিজের হাতে তৈরি করেন। ছবিতে মজার কোনো কিছু লিখে দিতে পারেন।
– আপনার বন্ধু যদি চা বা কফি খেতে পছন্দ করেন তাহলে তাকে দিতে পারেন সুন্দর কোনো মগ। ভালো কোনো কফি বা তার পছন্দের ফ্লেভারের চাও উপহার দিতে পারেন। এছাড়া বন্ধুর পছন্দের লেখকের বইও হতে পারে তার জন্য চমত্‍কার উপহার।
– ব্যবহার্য বিভিন্ন জিনিস যেমন চাবির রিং, কলমদানি, নোটবুক, ডায়েরি ইত্যাদি বেশ ভালো উপহার হতে পারে। তিনি যদি গান শুনতে ভালোবাসেন তাহলে তার পছন্দের গায়ক বা গায়িকার গানের সিডি দিতে পারেন। বাজেট বেশি হলে গান শোনার কোনো গ্যাজেট উপহার দিতে পারেন।


সহকর্মীর জন্য
– অফিসের সহকর্মীর সাথে পরিচয় যেহেতু কর্মসূত্রে তাই খুব বেশি ব্যক্তিগত উপহার দেবেন না। কোনো বিশেষ উপলক্ষ হলে ফুল খুব ভালো উপহার।
– অফিস ডেস্ক অ্যাকসেসরিজ দিতে পারেন। যেমন কলমদানি, ডেস্ক অর্গানাইজার, বিজনেস কার্ড হোল্ডার, ডেস্কে রাখার মতো ঘড়ি বা পেপার ওয়েড। এর সাথে দিতে পারেন সুন্দর কোনো মেসেজ।
– কোনো বায়োগ্রাফি বই বা ভালো সিনেমার কালেকশন উপহার হিসেবে খুব ভালো। এছাড়া নোটবুক, ফর্মাল ঘড়ি বা ছোট্ট শোপিসও দিতে পারেন।

উপহার প্যাকিং
উপহার র্যাপিং পেপারে না মুড়ে পরিবেশ বান্ধব হ্যান্ডমেড পেপারে মুড়ে দিতে পারেন। অলংকার বা আকারে ছোট্ট কোনো জিনিস উপহার দেয়ার সময় প্যাকেটে না দিয়ে বাহারি পাউচ বা বটুয়ায় দিতে পারেন। দেখতে চমত্‍কার লাগবে, যাকে দেবেন তিনিও খুশি হবেন।

ভদ্র মেয়ে চিনুন ১০ লক্ষণ দেখে


ভদ্র মেয়েরা হচ্ছে সমাজের সৌন্দর্য। এমন অনেক পুরুষ আছেন যারা ভদ্র মেয়ে বিয়ে করবেন এই ভেবে বিয়েই করছেন না, অথচ বিয়ের বয়স যাচ্ছে পেরিয়ে। আসুন কিছু কমন বৈশিষ্ট্য দেখে চিনে নেই সত্যিকারের ভদ্র মেয়ে:

১) ভদ্র মেয়েরা সর্বপ্রথম তাদের পোশাক নিয়ে খুব সচেতন থাকে। এমন কিছু পরে না যাতে করে বাহিরের কেউ চোখ তুলে তাকাতে সাহস করে। অনেকে বোরখা পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
২) ভদ্র মেয়েরা প্রেমের ব্যাপার নিয়ে খুব সিরিয়াস থাকে। তারা সচারচর প্রেমে জড়াতে চায় না, কিন্তু যদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়ে যায়, তাহলে মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করে তা টিকিয়ে রাখতে।

৩) ভদ্র মেয়েরা সবসময় বন্ধু, পরিবার এবং বয়ফ্রেন্ডকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দেয়। একটির জন্য অপরটির উপর প্রভাব পড়ুক তা তারা চায় না। যার জন্য তাদের ঝামেলা পোহাতে হয় বেশি।
৪) ভদ্র মেয়েদের রাগ একটু বেশি। যার উপর রেগে যায় তাকে মুখের উপর সব বলে দেয়। মনে কোনও রকম রাগ, হিংসে লুকিয়ে রাখে না। এতে অনেকের কাছে ঝগড়াটে উপাধিও পেয়ে বসে।


৫) ভদ্র মেয়েদের রাগের ঝামেলা পোহাতে হয় বিশেষ করে তাদের বয়ফ্রেন্ডকে। এরা রেগে থাকলে অযথা বয়ফ্রেন্ডকে ঝাড়ে। পরবর্তীতে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সরি বলে। যে মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে সরি বলে তাহলে বুঝতে হবে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে খুব বেশি ভালোবাসে।

৬) ভদ্র মেয়েরা সাধারণত ফেসবুকে ছবি আপলোড দেয় না। যদি দেয় তাহলে প্রাইভেসি দিয়ে রাখে। ফেসবুকে কতিপয় লুলু পুরুষ থেকে তারা ১০০ হাত দূরে থাকে।
৭) ভদ্র মেয়েদের বন্ধু/বান্ধবের সংখ্যা খুব সীমিত থাকে ও এরা সাধারণ ঘরকুনো স্বভাবের বেশি হয়।

৮) ভদ্র মেয়েরা আড্ডা বাজিতে খুব একটা যেতে চায় না। যার জন্য তাদের বন্ধু/বান্ধব থেকে ভাব্বায়ালি/আনকালচার খেতাব পেতে হয়।
৯) ভদ্র মেয়েদের কবিতা লেখার প্রতি আগ্রহ বেশি। তারা তাদের লেখা কবিতা সচরাচর কাছের মানুষ ছাড়া কাউকে দেখাতে চায় না।
১০) ভদ্র মেয়েদের কাছে পরিবারের সম্মানটুকু সবার আগে। তারা পরিবারের সম্মানের বিরুদ্ধে কোনও কাজ কখনও করে না।

৬ রকম মানুষের সাথে বন্ধুত্বের আগে দ্বিতীয়বার ভেবে নেবেন অবশ্যই




বন্ধু ছাড়া লাইফ ইম্পসিবল- জনপ্রিয় মোবাইল কোম্পানির ট্যাগ লাইনটি অনেকটাই সত্য। কিন্তু এই বন্ধুটি যদি ভাল না হয়, তবে ঘটে যেতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটি। সবার সাথে বন্ধুত্ব করার আগে একবার ভাবুন, তারপর বন্ধুত্ব করুন। কিন্তু কিছু মানুষ এমনও আছেন, যাদের সাথে সাথে বন্ধুত্ব না করাটাই আপনার জন্য মঙ্গল। আসুন চিনে নেই কোন ধরণের মানুষকে জীবনের পথে এড়িয়ে যাওয়াটাই শ্রেয়।

১। প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব
আপনি যদি আপনার প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখার সিদ্ধান্ত নেন, সেটি হবে আপনার একটি ভুল সিদ্ধান্ত। কারণ প্রাক্তন হলেও বন্ধুত্বের হাত ধরে তারা আবার আপনার জীবনে ফেরত আসতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় সম্পর্কের নাম বন্ধুত্ব হলেও প্রাক্তন সম্পর্কের রেশ থেকে তারা সহজে বের হতে পারে না। যা কারণে আপনার জীবনে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

২। অতি সহজে মানুষকে বিচার করে থাকে যারা
ছোট খাটো কোনো ঘটনা বা বিষয় দিয়ে যারা মানুষকে বিচার করে তাদের সাথে বন্ধুত্ব না করাটাই ভাল। কারণ তারা কোন ঘটনার মূল না জেনেই কোন মানুষ সম্পর্কে ধারণা তৈরি করে ফেলে। দেখা যায় পরে তারা ভুল প্রমাণিত হন। সমস্যাটা হয় এই ধরণের বন্ধু থাকলে কোনও না কোনও ভাবে আপনার নিজস্ব চিন্তাভাবনাও প্রভাবিত হবে। আপনিও তাদের মতো করে ভাবতে শুরু করতে পারেন, যা আপনার জন্য মোটেও মঙ্গলকর হবে না।


৩। নেতিবাচক মানুষ
নেতিবাচক মানুষদেরকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। কারণ তাদের কথার মধ্যে সবসময় যে নেতিবাচক আচরণ লক্ষ্য করা যায়, তাদের সেই নেতিবাচক আচরণ আপনার অজান্তে আপনার মনে বাসা বাঁধবে।

৪। স্বার্থপর মানুষ
আমাদের চারপাশে এই রকম মানুষের সংখ্যাটাই বেশি। যারা শুধুমাত্র নিজেদের কথা চিন্তা করে, নিজেদের সুবিধার জন্য বন্ধুত্ব করেন। তারা আপনার সুসময়ে আপনার পাশে বন্ধু হয়ে থাকে। কিন্তু আপনার খারাপ সময় আপনাকে ফেলে চলে যায়। এই সব মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করার আগে কয়েকবার ভেবে নিন।

৫। পরনিন্দা করা
যে সকল মানুষ অন্য কাউকে নিয়ে বেশি আলোচনা বা চর্চা করে তাদের থেকে দূরে থাকুন। কারণ সে যেমন অন্যের কথা আপনাকে বলছে ঠিক তেমনি আপনার কথাও অন্যকে সে বলছে।

৬। চাহিদা বেশি যেসব মানুষদের
আপনার যেসকল বন্ধু শুধু প্রয়োজনের সময় আপনার কাছে এবং আপনার সাথে যোগাযোগ করে। কিংবা কোন কাজের বিনিময় আপনার কাছ থেকে কোন কিছু চায়, তবে তাদেরকে এড়িয়ে চলাই মঙ্গল।

ব্লাউজ যেমন হওয়া দরকার



শপিং করতে গেলে শাড়ি সহজেই পছন্দ হয়ে যায় কিন্তু তার সাথে মানানসই ব্লাউজ খোঁজা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। আর যাই হোক এ ব্যাপারটি কোন মতেই বেমানান হলে চলবে না। কারণ এর মধ্যে জড়িয়ে আছে আপনার সৌন্দর্য এবং রুচি। একজন রুচিশীল নারী হিসেবে তাই জেনে নিন কিরকম ব্লাউজ পরিধান করা উচিত।


১। শাড়ির সঙ্গে কেমন ব্লাউজ মানাবে বিষয়টি নির্ভর করবে পাড়ের ডিজাইন এবং কোন অনুষ্ঠানে শাড়ি পরা হবে তার ওপর।

২। শাড়ির ডিজাইন যাই হোক না কেন ব্লাউজের রঙটা হবে কন্ট্রাস্ট।


৩। স্থূলকায় হলে হাতাকাটা বা ছোট হাতার ব্লাউজ পরা ঠিক নয়।

৪। বেশি ক্ষীণকায় হলেও হাতাকাটা ব্লাউজ ভালো দেখাবে না।

৫। পিঠে দাগ থাকলে বন্ধগলার ব্লাউজ পরাই ভালো।

৬। শাড়ি ও ব্লাউজ দুটোই জমকালো হলে চলবে না।

৭। ব্লাউজের ডিজাইন কেমন হবে তা শাড়ির কথা মাথায় রেখে নির্ধারণ করুন।

৮। ব্লাউজের কাজ বেশি হলে শাড়ির কাজ কম হবে, একইভাবে বিপরীত নিয়ম

৯। মেনে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

১০। শারীরিক গঠনের সঙ্গে মিলিয়ে ব্লাউজ তৈরি করুন।

১১। শাড়ি ও ব্লাউজে যে ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হবে, গয়নাতেও একই মিল রাখার চেষ্টা করুন।

১২। ব্যাগের মধ্যেও কাজটি যেন শাড়ি ও ব্লাউজের সঙ্গে মানানসই হয়।

১৩। কাজ করা দামি ব্লাউজগুলো আলমারীতে হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখুন।

জনপ্রিয় কিছু ব্লাউজের মধ্যে রয়েছেঃ

হল্টারনেক
হাতাছাড়া এ ধরনের ব্লাউজে শুধু কলার থাকে। দুই কাঁধের ফিতা ঘাড়ের পেছনে কলারের মতো জুড়ে থাকে। যাদের দৈহিক গড়ন সুন্দর, তারা গলা, কাঁধ ও পিঠের সৌন্দর্য প্রকাশ করতে এ ব্লাউজ পরতে পারেন।

টিউব চোলি
এই ব্লাউজে কোনো শোল্ডার বা স্লিভ থাকে না। মাপজোখ হতে হবে নিখুঁত। এর প্রধান অংশ ব্লাউজের। সেটা পেছনে বা সামনেও হতে পারে। গলার মাপ খানিকটা বড় হবে।
কলার স্টাইল। এ ব্লাউজে হাতা থাকে না, তবে কাঁধের অংশ খানিকটা চওড়া হয় আর কলার থাকে। সবাইকেই এ ব্লাউজে ভালো মানাবে।

সিঙ্গল শোল্ডার
যাদের কাঁধ বড়, এ ব্লাউজ তার জন্য উপযোগী। এতে একটিমাত্র শোল্ডার বা ফিতা থাকে, আর কাঁধ কিছুতা খোলা রাখা থাকে। শারীরিক গঠন বেশ ভালো হলে এ ধরনের ব্লাউজ বেশ আকর্ষণীয় লাগে।

করসেট
এ ব্লাউজের কাঁধে সরু স্ট্রাইপ থাকে এবং নিচের অংশ ফিটিং থাকে। যাদের দেহের গড়ন চ্যাপ্টা, তারা করসেট পরতে পারেন। করসেট বানাতে হয় ঠিক মাপে। সঠিক মাপেই এ ব্লাউজের সৌন্দর্য।

বিয়ের আগে কনের প্রস্তুতি

বিয়ের আগে কনের প্রস্তুতি

বিয়ে আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোর একটি। যে দিনটি ঘিরে থাকে আমাদের অনেক স্বপ্ন। নতুন জীবনে প্রবেশের সময় প্রিয় মুহূর্তগুলোতে আমরা প্রত্যেকেই চাই নিজেকে সবচেয়ে সুন্দর করে উপস্থাপন করতে। সামনেই বিয়ের মৌসুম। কদিন পরেই লেগে যাবে বিয়ের ধুম। আর তাই একটু সময় নিয়েই শুরু করতে হবে রূপচর্চা। কারণ আগে থেকে যদি আমরা নিজেদের ত্বক, হাত, পা বা চুলের যত্ন না নেই তবে, শুধু বিয়ের দিন মেকআপ করে সৌন্দর্য পুরোটা বের করে আনা সম্ভব হয় না। পার্লারে যেতে না পারলে, ঘরেই বিশেষ দিনটির জন্য যেভাবে তৈরি করবেন নিজেকে:

পানি ও ফল
ত্বক সতেজ এবং সুন্দর রাখতে হলে আদ্রতা রক্ষা করতে হয়। পানির প্রয়োজনীয়তা নিশ্চয় আর নতুন করে বলতে হবে না। তাই বিয়ের আগে শরীর এবং ত্বকের সুস্থতায় প্রতিদিন যত বেশি সম্ভব পানি পান করুন ও ফল খান।

ত্বক
কমলা লেবুর খোসা শুকিয়ে গুঁড়া করে একটি বোতলে ভরে রাখুন। গোসলের সময় কাঁচা দুধে গুড়া মিশিয়ে মুখে, কাঁধে ও গলায় মেখে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহার করবেন। অথবা ২ চা চামচ বেসন, ২চা চামচ ময়দা, ২চা চামচ বাদাম তেল, ২ চা চামচ গোলাপ পানি মিশিয়ে মুখ ও গলায় লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ দিন।


পেডিকিওর-মেনিকিওর
হাত-পায়ের নখগুলো পছন্দ মতো শেপে কেটে নিন। তারপর নখে ক্রিম লাগিয়ে নিন। একটি পাত্রে গরম পানিতে শ্যাম্পু, লবণও লেবুর রস মিশিয়ে তাতে হাত ও পা ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। তারপর তোয়ালে দিয়ে হাত ও পা মুছে নিন।
নখে ক্রিম দিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। সতর্কতার সঙ্গে নখের গোড়ায় জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে স্ক্র্যাব ঘষে মৃত কোষ তুলে ফেলুন । এরপর মুলতানি মাটি মধু এবং গোলাপ জলের পেস্ট তৈরি করে হাত পায়ে মেখে ১৫ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। হাত-পা মুছে মশ্চারাইজিং লোশন লাগিয়ে নিন।

বিয়ের আগে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার পেডিকিওর-মেনিকিওর করুন।

দাঁত
প্রতিদিন সকালে নাস্তার পরে ও রাতে শোয়ার আগে সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করুন। কোমল পানীয় পানেও সতর্ক থাকেতে হবে। কেননা, এসবেও দাঁতে দাগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দাঁত ঝকঝকে সাদা করতে সপ্তাহে একবার পেস্টের সঙ্গে সামান্য বেকিং পাউডার ব্যবহার করুন। টুথপেস্টের সঙ্গে লবণ ব্যবহার করুন দাঁতের দাগ হালকা হবে । আর দাঁত ও মাড়িতে কোনো সমস্যা থাকলে আগেই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

চুল
আমাদের দেশে এখনো দেখা যায় নতুন বউয়ের চুল নিয়ে শ্বশুরবাড়ির অনেকের মধ্যেই বেশ আগ্রহ থাকে। তাই চুলের যত্ন নিন এখন থেকেই যেন কেউ চুল দেখতে চাইলে আপনি বিব্রত না হয়ে মুখ টিপে হাসতে পারেন। যা করবেন-শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার লাগাতে ভুলবেন না। নিয়মিত তেল ম্যাসাজ করতে হবে। সপ্তাহে একদিন মেহেদি, ডিম এবং টক দই দিয়ে প্যাক তৈরি করে মাথায় লাগিয়ে এক ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করুন।

তেলের সঙ্গে জবাফুল এবং আমলকি দিয়ে ১০ মিনিট জ্বালান। তেল ঠাণ্ডা হলে ছেকে রেখে দিন। এই তেল ব্যবহারে আপনার চুল পড়া বন্ধ হবে। আর এই কয়েক দিনেই চুল হবে কোমল, মসৃণ।

চোখ
আমাদের অনেকেরই ত্বকের অন্য অংশের চেয়ে চোখের চারপাশের ত্বক কালো থাকে। চোখের কালো দাগ ও ক্লান্তিভাব দূর করে সতেজ প্রাণোচ্ছল দেখাতে, আলু বা শশা থেঁতো করে চোখের ওপর দিয়ে ৩০ মিনিট শুয়ে থাকুন।

কোমল ঠোঁট
ঠোঁটের কালো ভাব দূর করতে কাঁচা দুধ তুলায় নিয়ে প্রতিদিন কয়েকবার আলতো করে ঘষে কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ঠোঁট মসৃণ করতে দুধের সর ও চিনি দিয়ে প্রতিদিন মাত্র দুই মিনিট ম্যাসাজ করুন, চমৎকার ফল পাবেন।

চাপমুক্ত থাকুন
সারাক্ষণ মানসিক চাপ আমাদের শরীর, মন এবং ত্বকের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। মানসিক চাপমুক্ত থাকুন। বিয়ের আগে এবং পরে আমাদের জীবনে বেশ বড় পরিবর্তন হয়। তাই এই সময়টি পরিবারের সবার সঙ্গে উপভোগ করুন।

সাজ-পোশাকের রিহার্সেল
রূপচর্চা, চুলচর্চা করে তো আপনি আরো সুন্দর হয়ে উঠছেন। বিয়ের কয়েকদিন আগে কীভাবে সাজবেন, পোশাকটিতেই বা আপনাকে কেমন লাগছে তার একটা মহড়া হয়ে যাক।

এভাবে যদি নিয়মিত চর্চা করনে এবং নিজের জন্য কিছু সময় রাখেন, তবে বিয়ের সাজে আপনি পাবেন কাঙ্ক্ষিত লুক।

হিজাবে পর্দা ও ফ্যাশন দুটোই

হিজাব যেমন পর্দা করার জন্য উপকারি, ঠিক তেমনি এর রয়েছে আরও অনেক উপকারি দিকও। শুধু বোরকার সাথে নয়, হিজাব পরতে পারেন শাড়ি, কামিজ, কুর্তা বা অন্য যে কোনো পোশাকের সাথে। স্কুল কলেজ সহ সকল কর্মস্থলে মেয়েরা অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন হিজাব।

একটা সময় ছিল যখন নারীরা পর্দা করার উদ্দেশ্যে বোরকার সাথে হিজাব ব্যবহার করতেন। তবে বর্তমানে হিজাব শুধু গুটিকয়েক নারীর মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি ফ্যাশন ট্রেন্ড হিসাবে ছড়িয়ে পড়েছে সব বয়সের নারী ও তরুনীদের মাঝে।

হিজাব যেমন পর্দা করার জন্য উপকারি, ঠিক তেমনি এর রয়েছে আরও অনেক উপকারি দিকও। বাইরে বের হলে আপনার ত্বক এবং চুলের সব থেকে বড় শত্রু হল ধূলাবালি ও ক্ষতিকর সূর্যকিরণ। আপনার ত্বক এবং চুলকে রক্ষা করার একটি ভাল উপায় হতে পারে হিজাব ব্যবহার। শুধু বোরকার সাথে নয়, হিজাব পরতে পারেন শাড়ি, কামিজ, কুর্তা বা অন্য যে কোনো পোশাকের সাথে। স্কুল কলেজ সহ সকল কর্মস্থলে মেয়েরা অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন হিজাব।


হিজাব ব্যবহারের ক্ষেত্রে পোশাকের রং ও ধরণকে মাথায় রেখে হিজাব বাছাই করতে হবে। পোশাকের রঙের সাথে মিলিয়ে বা বিপরীত রঙের হিজাব ব্যবহার করতে পারেন। যদি পোশাকটি বেশী নকশা করা বা প্রিন্টের হয় তবে সে ক্ষেএে একরঙা হিজাব নির্বাচন করুন। আবার পোশাকটি হালকা কাজের বা একরঙা হলে তার জন্য বেছে নিন বিপরীত রঙের বা নকশা করা ও পিন্টের হিজাব।

হিজাব পড়ার আগে অবশ্যই পোশাকের হাতের দিক নজর দিন । পোশাকের হাতা যেন অবশ্যই ফুলহাতা বা থ্রি কোয়াটার হাতা হয় । কারণ হিজাবের সাথে ছোট হাতার পোশাক একদমই বেমানান । বাজার ঘুরে কটন,লেস,জর্জেট ও সাটিনসহ নানা ধরনের কাপড়ের হিজাব দেখা যায় । কাপড়ের মান ও নকশার উপর ভিওি করে এগুলোর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বেছে নিন নিজের বাজেটের মাঝে।
হিজাবে পর্দা ও ফ্যাশন দুটোই

হিজাব শুধু পর্দা করার ক্ষেত্রেই না, নারীদের সৌন্দর্য বর্ধনেও পিছিয়ে নেই। ইন্টারনেটে রয়েছে বিভিন্ন পেজ, সাইট, ভিডিও ইত্তাদ যেখানে নানাভাবে হিজাব পরার পদ্ধতি ছবিসহ বর্ননা করা থাকে। চাইলেই হিজাব পড়ার আগে চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন এসব পেজগুলোতে । সেখান থেকেই পেয়ে যাবেন আপনার রুচিমত একটি স্টাইল ।

প্রতিদিনের কর্মস্থলে আর স্কুল কলেজে তো আছেই,আজকাল অনেক বিয়ের অনুষ্ঠানে কণেকে হিজাব পড়ে উপস্থিত হতে দেখা যায়। তাই বুঝতেই পারচ্ছেন প্রতিনিয়ত হাল ফ্যাশনের সাথে তাল মিলিয়ে হিজাবও কিন্তু পিছিয়ে নেই। তাই নতুন ট্রেন্ডের সাথে তাল মিলিয়ে বাজার ঘুরে আপনিও বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দমত হিজাবটি। আর পর্দা করার পাশাপাশি নিজেকে দিতে পারেন ফ্যাশানেবল একটি লুক। আর নিজেকে করে তুলতে পারেন মার্জিত আর অনেকটাই আলাদা ।

বয়স কম দেখাতে ছেলেরা করতে পারেন যে ১২ টি কাজ
















ছেলেদের লাইফস্টাইল বিষয়ে কিছু পরামর্শ

গবেষণায় দেখা গেছে, এ সময়ের ইয়াং জেনারেশন নিজেদের আকর্ষণীয়, সুন্দর করে তোলার ব্যাপারে দারুণ সচেতন। বাস্তব জীবনেও এ চিত্র অদেখা নয়। অনেকের ধারণা, শুধু মেয়েরাই এ ব্যাপারে এগিয়ে। কিন্তু বর্তমানের চিত্র বলে ভিন্ন কথা। পরিবর্তনটা বেশি দিনের নয়, মাত্র কয়েক বছরের। কিছুদিন আগেও পুরুষের রূপচর্চা ব্যাপারটি অনেকের কাছে হাস্যকর বিষয় ছিল। এখন সে ধারণা সম্পূর্ণ পাল্টেছে। পাল্টেছে বলেই পুরুষরা এটাকে স্বাভাবিকভাবে নিতেও লজ্জাবোধ করছে না। সৃষ্টিকর্তার নিজস্ব সৃষ্টিকে আরো একটু মোহনীয়, আকর্ষণীয় করতে তো দোষ নেই। এক্ষেত্রে নারী-পুরুষের ভেদাভেদই বা কেন থাকবে? আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে, নারীদের সৌন্দর্য চর্চার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সুযোগ এবং অনুকূল পরিবেশ রয়েছে; কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে তা খুবই সামান্য। এজন্য সহজ উপায়ে পুরুষের রূপচর্চার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় টিপস দেয়া হলো।
ছেলেদের লাইফস্টাইল বিষয়ে কিছু পরামর্শ
সাধারণ সতর্কতা
হাত এবং পায়ের ফ্যাশনেবল নখ অনেকাংশেই সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলে। কিন্তু এ ব্যাপারে যথেষ্ট যত্নবান হওয়া জরুরি। বড় এবং ফ্যাশনেবল করলে অবশ্যই সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। তাছাড়া সবসময় ছোট রাখার চেষ্টা রাখুন।
বড় কোনো পার্টি, অফিস কিংবা ক্লায়েন্টের সঙ্গে মিটিং করার আগে নাকের লোম অবশ্যই খেয়াল করে কাটবেন। না হলে লজ্জায় পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
যে কাপড়টি পরবেন অবশ্যই সেটাকে আগে ইস্ত্রি করে নেবেন। ভালো হয় রুটিন করে আগেভাগেই এসব কাজ গুছিয়ে ফেলতে পারলে।
গরমকালে হাল্কা রঙ এবং সুতি কাপড় ও মোজা পরার চেষ্টা করুন। কেননা এগুলো সূর্য থেকে কম তাপ শোষণ করে এবং শরীরে ঘাম কম হয়।
বগলের লোম নিয়মিত পরিষ্কার করুন। না হলে গরমের দিনে এটি বেশ যন্ত্রণা দেবে। লোম বড় থাকলে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা বেশি আক্রান্ত হয়। ফলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে।
চোখের নিচের বাড়তি বা দলছাড়া ভ্রু ছেঁটে ফেলুন।
ওরাল সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কোনো মিটিং, পার্টি কিংবা অ্যাপয়নমেন্টের আগে মাউথওয়াশ বা মাউথফ্রেশনার ব্যবহার করুন।
দাঁত ব্রাশ করার সময় জিহ্বা পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। কারণ জিহ্বা পরিষ্কার না করলে তা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়ে মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করতে পারে।
ত্বকের যত্ন
বাইরে বের হওয়ার আগে সানগ্লাস নিতে ভুলবেন না। কেননা সূর্যের আলোয় শুধু চোখের চারপাশের ত্বকের ক্ষতিই হয় না, দীর্ঘক্ষণ থাকলে ত্বকের সংবেদী কোষগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ত্বকের ধরন বুঝে লোশন কিংবা ক্রিম ব্যবহার করুন। বিশেষ করে শীতকালে এ বিষয়ের ওপর বেশি জোর দেবেন।
নারীদের মতো পুরুষের ত্বকের জন্যও ময়েশ্চারাইজার এবং সানস্ক্রিন প্রয়োজন। যদি স্কিন কেয়ারের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে থাকুন, দেরি না করে এক্ষুণি শুরু করুন।
যে কোনো সময় শরীরের যে কোনো স্থান থেকে অাঁচিল, ফোঁড়া ইত্যাদিতে হাত দেবেন না। খুব বেশি সমস্যা হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। বছরে অন্তত একবার তার সঙ্গে ত্বকের সার্বিক অবস্থা নিয়ে কথা বলুন।
ধূমপানের অভ্যাস থাকলে ছেড়ে দিন।
বাইরে থেকে ফিরে আসে অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল সাবান কিংবা ফেস ওয়াশ দিয়ে ভালোমতো মুখ ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়াও দিনে অন্তত দু’বার এ কাজটি করুন।
মুখের ত্বক তৈলাক্ত হলে ভালোমানের ক্রিম কিংবা লোশন ব্যবহার করুন।
ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করতে লিপজেল, পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করুন।
এ ছাড়াও নিয়মিত বিশুদ্ধ পানি পান করতে ভুলবেন না

ছেলেদের চুলপড়ার কারণ ও করণীয়


চুল পড়ে যাচ্ছে? চিন্তা হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত মাথায় একটা চকচকে টাকই না বসে যায়? সাধারণত প্রতিদিনই মানুষের কিছু চুল পড়ে যায় আবার নতুন চুল গজায়। কিন্তু সেটা যদি মাত্রাতিরিক্ত হয়, তবে সেটা অবশ্যই চিন্তার বিষয়।তাহলে আপনাকে প্রথমে নির্ণয় করে নিতে হবে কেন আপনার মাথার চুল পড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে টাক পড়ার সমস্যাটা পুরুষের মাঝেই বেশি। পুরুষের চুল পড়া বা টাক পড়া সাধারণত ২০ বছর থেকেই শুরু হতে পারে। এটিকে বলে মেল প্যাটার্ন অব হেয়ার লস।

চুল কেন পড়ছে?

• অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন যেমন টেস্টোস্টেরন, অ্যান্ড্রোস্ট্রেনডিয়ন, ডিএইচটি হরমোনগুলো সাধারণত পুরুষের বেশি ও মহিলাদের কম পরিমাণে থাকে। এ হরমোনগুলো হেয়ার ফলিকলের ওপর কাজ করে ও চুল পড়া ত্বরান্বিত করে। সে কারণে পুরুষের চুল বেশি পড়ে।
• দুশ্চিন্তায় ভুগলে বা মানসিক সমস্যা থাকলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি করে চুল পড়তে পারে। তবে এ চুল পড়া সাময়িক এবং পুনরায় চুল গজায়। কিন্তু দীর্ঘদিন মানসিক দুশ্চিন্তায় থাকলে এবং দুশ্চিন্তা কাটিয়ে উঠতে না পারলে অনেক বেশি চুল পড়ে যেতে পারে।
• চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন না হলে, অ্যানিমিয়া থাকলে চুল পড়া শুরু হতে পারে।
• বংশগত সমস্যার কারণে চুল পড়ে যেতে পারে। হয়তো আপনার দাদা-বাবা-চাচার কিংবা নানা-মামার কারো টাক নেই। কিন্তু আপনার বাবা বা মায়ের মামা-চাচার টাক থাকায় বংশগত কারণে আপনারও টাক পড়তে পারে।
• রোগের প্রকোপে মাথার চুল পড়তে পারে। যেমন, অনেকে টাইফয়েড জ্বরে চুল হারিয়েছেন বলে জানা যায়।
• মাথায় খুশকি ও স্ক্যাল্পের রোগে মাথার চুল পড়তে পারে।
• অনেক সময় ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়ও মাথার চুল পড়ে যেতে পারে।
আপনার চুলের বৃদ্ধি এবং গজানোর জন্য সহায়ক।
কী করণীয়:

যে কারণেই চুল পড়ুক না কেন, চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ছাড়াও যে যে বিষয়গুলোর প্রতি আপনার দৃষ্টি দেয়া জরুরি, সেগুলো হলো:
১। সুষম খাদ্যে গ্রহণ:

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় থাকা চাই প্রচুর শাক-সবজি ও মৌসুমী ফল আর আমিষের মধ্যে দুধ, ডিম, মাছ তো থাকছেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন – আমাদের চুল মূলত কেরাটিন দিয়ে গঠিত। এটি অ্যামিনো এসিড দিয়ে তৈরি এক ধরণের প্রোটিন। তাই নতুন চুল গজানোর জন্যে অবশ্যই আপনার শরীরকে পর্যাপ্ত অ্যামিনো এসিড সরবরাহ করতে হবে।
মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম – আপনার খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনই এগুলোর অন্তত একটি রাখার চেষ্টা করুন। সয়াবিন, মটরশুঁটি, কলা, বাদাম ইত্যাদি থেকেও পেতে পারেন। তবে নন-ভেজিটেরিয়ান খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।
আয়রন আর জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার আপনার মাথার কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে, নতুন টিস্যু তৈরিতে এবং ক্ষয়রোধে সহায়তা করবে। মটরশুঁটি, বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধে আপনার প্রয়োজনীয় জিংক আর আয়রন বিদ্যমান। ভিটামিন সি যুক্ত ফলমূল খান। ভিটামিন সি
২। পরিমিত ঘুম:

ঘুম ঠিক মতো না হলে শরীর সুস্থ রাখা সম্ভব নয়। তাই ঘুম হতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণের। এছাড়া চুল পড়া রোধে মেডিটেশনও করা যেতে পারে।
৩। চুলের যত্নে প্রসাধনী:

সপ্তাহে অন্তত তিন দিন চুল ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে শ্যাম্পু করতে পারেন। তবে শ্যাম্পু করার আগে অবশ্যই তেল দিয়ে এক ঘণ্টা রাখতে হবে। নাহলে চুল রুক্ষ হয়ে যাবে।
৪। চুলের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান:

সপ্তাহে এক দিন হট অয়েল ম্যাসাজ করুন আর সাথে লেবুর রস দিতে পারলে আরও ভালো। আমলকী,বহেরা,হরিতকী ও মেথি একসাথে গুঁড়ো করে নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। কালোজিরা নতুন চুল গজানোর জন্যে সহায়ক। মাথায় কালোজিরার তেল ব্যবহার করা আর খাবারে কালোজিরা ব্যবহার খুব ভালো ফল দেয়।
মাথায় একরাশ স্বাস্থ্যকর চুল আপনার সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না শুধু, এটি আপনার ব্যক্তিত্বকেও আলাদা মাত্রা দেয়। তাই চুলের যত্ন নিন। সুস্থ থাকুন।লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

তৈরি করে ফেলুন ঘরদোরের ক্লিনার মাত্র তিনটি উপাদানে
















জানালার গ্লাস বা টেবিলের গ্লাস বা অন্য কোন গ্লাস পরিষ্কার করার জন্য গ্লাস ক্লিনার ব্যবহার করা হয়। গ্লাস ক্লিনারে দিয়ে শুধু গ্লাস পরিষ্কার করা হয় না। আসবাবপত্র, বুক সেলফ, দেওয়াল ঘরে আরও অন্যান্য জিনিস পরিষ্কার করতে গ্লাস ক্লিনার ব্যবহার করা হয়। এই গ্লাস ক্লিনার কি শতভাগ নিরাপদ? অনেক সময় গ্লাস ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করার পরও জীবাণু থেকে যায়। রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে তৈরি গ্লাস ক্লিনার ব্যবহার করার চেয়ে ঘরে তৈরি করে নিন গ্লাস ক্লিনার। খুব সহজে অল্প কিছু উপাদান দিয়ে তৈরি করা সম্ভব গ্লাস ক্লিনার। এই ক্লিনারটি শুধু গ্লাস পরিষ্কার করবে না। আপনার ঘরের অন্যান্য জিনিসপত্র পরিষ্কারের কাজেও এটি ব্যবহার করা যায়।

যা যা লাগবে

- ১/৪ থেকে ১/২ কাপ সাদা ভিনেগার
- ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা
- কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল বা এসেন্সিয়াল অয়েল
- পানি
- স্প্রে বোতল
যেভাবে তৈরি করবেন

স্প্রে বোতলে সাদা ভিনেগার এবং বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন।
এর সাথে কয়েক ফোঁটা এসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন।
এবার স্প্রে বোতলটি পানি দিয়ে ভরে নিন।  
তারপর বোতলটি ভাল করে ঝাঁকিয়ে নিন। এমনভাবে ঝাঁকাবেন যাতে সব উপাদান ভালভাবে মিশে যায়।
যেভাবে কাজ করে

ভিনেগার পানির দাগসহ যেকোন প্রকারের দাগ দূর করে থাকে। ভেজা অবস্থায় হয়তো ভিনেগারের গন্ধ লাগবে, কিন্তু শুকিয়ে গেলে এই গন্ধ আর থাকবে না। বেকিং সোডাতে শক্তিশালী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে যা জীবাণু ধ্বংস করে থাকে। এসেন্সিয়াল অয়েল ক্লিনারে একটি সুন্দর গন্ধ দিয়ে থাকে। আর এর অ্যান্টি- মাইক্রোবিয়াল উপাদান বিভিন্ন জীবাণু বংশবৃদ্ধি রোধ করে থাকে।

ছেলেদের ব্রণ দূর করতে টিপস



মেয়েদের মতো ছেলেরাও ত্বকের যে সমস্যাটিতে বেশি ভুগে থাকেন তা হলো ব্রণ। নানা কারণেই ব্রণ হতে পারে। তরুণদের মধ্যে ব্রণের সমস্যা বেশি দেখা যায়। ব্রণ থেকে বাঁচার জন্য নানাজন নানাভাবে চেষ্টা করেন। চলুন জেনে নেয়া যাক, ব্রণের সমস্যা এড়াতে ছেলেরা কী করবেন

যে কারণে ব্রণ হয় :
১. হরমনের পরিবর্তন
২. ত্বকে ধুলোময়লা জমে থাকা
৩. বংশগত কারণ
৪. ত্বকে ভিটামিনের অভাব
৫. কোষ্ঠকাঠিন্য।
ব্রণ থেকে বাঁচার উপায় :
১. সাধারণত তৈলাক্ত ত্বকেই ব্রণের সংক্রমণ বেশি হয়। তাই সবসময় মুখ পরিষ্কার রাখুন।
বাইরে থেকে ঘরে ফিরে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন।
২. দিনে কমপে দু বার গোসল করুন।
৩. প্রতিদিন অন্তত তিন-চার বার মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন। ব্রণের উৎপাত অনেকটা কমে যাবে।
৪. মুখে সাবান ব্যবহার না করে ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন
ত্বকে নিয়মিত ময়দা, দুধ ও মধুর পেস্ট লাগান, ব্রণের দাগ চলে যাবে এবং ত্বক উজ্বল হবে।
৫. মুখে ব্রণ দেখা দিলে তা নখ দিয়ে খোঁটাখুঁটি করা একদম ঠিক না। এতে ত্বকে ব্রণের দাগ স্থায়ী হয়ে যাবে ।
যা খাবেন :
১. তৈলাক্ত খাবার, ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।
২. বেশি করে শাকসবজি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
৩. পেট পরিষ্কার রাখা খুবই জরুরি। অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে ত্বকে ব্রণ দেখা দেয়।
৪. নিয়মিত সবুজ শাকসবজি আর টাটকা ফলমূল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে প্রতিকার পাওয়া যায়।
৫. সব থেকে প্রচুর পানি খেতে হবে।

শেভ করার পর যে কাজটি আপনার ত্বকের ক্ষতি করে চলেছে

প্রতিটি ছেলেই শেভিং এর পর একটি কাজ করে থাকে আর তা হলো আফটারশেভ গালে লাগানো বাংলাদেশের ছেলেরা অ্যালকোহল বেসডআফটারশেভই ব্যবহার করে বেশি কিন্তু এই কাজটির ফলে যে তাদের ত্বকের ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে তারা ঘুণাক্ষরেও টের পাচ্ছেন না ক্ষতির দায়টি হলো এইঅ্যালকোহলের

আফটারশেভের মূল উপাদান দুইটি। একটি হলো স্পিরিট বা অ্যালকোহল। অপরটি হলো ভারীপুরুষালী একটি সুগন্ধি। এই স্পিরিট বা অ্যালকোহলকাজ করে অ্যাসট্রিনজেন্ট হিসেবে। শেভের পর এটি ব্যবহারে ত্বকে একটা ঠাণ্ডা জ্বলুনির ভাব আসে এবং ত্বক টানটান মনে হয়। এছাড়াও সুগন্ধি থাকায়অনেকে এটাকে পারফিউমের বদলে ব্যবহার করে থাকেন। তবে আফটারশেভের যে কাজটিকে মার্কেটিং করার সময়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয় তা হলোএর জীবাণুনাশক কাজ। শেভের সময়ে ছোটখাটো কাটাকুটি থেকে যেন ইনফেকশন না হয় তার জন্যই বেশীরভাগ পুরুষ আফটারশেভ ব্যবহার করেথাকেন। কিন্তু এই আফটারশেভ আসলে ত্বকের উপকারের বদলে ক্ষতি করতে সক্ষম। নাএটা আমাদের কথা নয়। বরং বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড Dove এরMen+ Care line এর সাথে সংশ্লিষ্ট ডক্টর টেরেন্স কিনির কথা এটা
ডক্টর কিনির মতেঅ্যালকোহল আসলে আমাদের ত্বক শুষ্ক করে দেয়। এর পাশাপাশি এতে যে সুগন্ধ থাকেসেটাও ত্বকে ব্যবহারের জন্য ভালো নয়।বিশেষ করে শেভিং এর পর আমাদের ত্বক থেকে প্রাকৃতিক তেল চলে যায়।  সময়ে এই আফটারশেভ ব্যবহার আসলে ত্বকের জন্য ক্ষতিকরই
প্রিয়.কমের সাথে কথা বলার সময়ে একই মতামত দেন ডাক্তার লুৎফুন্নাহার নিবিড় তিনিও বলেনঅ্যালকোহলের মতো একটি উপাদান ত্বকে ব্যবহারকরলে ত্বকের কাঁটাছেঁড়া থেকে ইনফেকশন হবার সম্ভাবনা কমে যায় সত্যি। কিন্তু এটাও ঠিক যে ত্বক অনেকটা শুষ্ক হয়ে যায়
কিন্তু এখন কথা হলোআফটারশেভ কি তাহলে একেবারেই ব্যবহার করা যাবে নাযাবে অবশ্যই। তবে আপনার ত্বক যদি সংবেদনশীল হয়ে থাকে তবেঅ্যালকোহল-বেসড আফটারশেভ ব্যবহারে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এক্ষেত্রে তাদের জন্য ডক্টর কিনির পরামর্শ হলোময়েশ্চারাইজিং আফটারশেভব্যবহার। এগুলো ব্যবহারে ত্বকে ঠাণ্ডা জ্বলুনির অনুভুতি আসবে না ঠিকই। কিন্তু শেভ করার সময়ে ত্বক থেকে যে আর্দ্রতাটা চলে যায়তা আবার ফিরেআসবে। এছাড়া এগুলোতেও সুগন্ধি থাকে তাই পারফিউমের প্রয়োজন হবে না
কিছু কিছু আফটারশেভে এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করা হয়। যেমন টি ট্রি অয়েল। এগুলো অ্যাসট্রিনজেন্ট হিসেবে কার্যকর। এর পাশাপাশিময়েশ্চারাইজার হিসেবে থাকতে পারে গ্লিসারিন বা অলিভ অয়েল। ত্বককে আরাম দেবার জন্য থাকতে পারে অ্যালো ভেরার নির্যাস। আফটারশেভকেনার সময়ে এসব উপাদান দেখে কিনলে আপনি বুঝতে পারবেন এগুলো ত্বকের জন্য আরামদায়ক। যদি উপাদানের মাঝে বিভিন্ন অ্যালকোহল,আর্টিফিশিয়াল কালার এগুলো থাকতে পারে। এছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে পারফিউমটাও আপনার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই বুঝেশুনে কিনুন।এছাড়াও বাড়িতে অ্যালো ভেরা জেল অথবা অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ব্যবহার করে দেখতে পারেন আফটারশেভের বদলে
পরামর্শ দিয়েছেন-
ডাক্তার লুৎফুন্নাহার নিবিড়
এমবিবিএস
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হসপিটাল