-
কমলা লেবুর খোসার ৭টি অসাধারণ ব্যবহার!
কমলালেবু খাওয়ার পর সাধারণত আমরা এর খোসা ফেলে দেই। কারণ আপাত দৃষ্টিতে এর কোনো গুণাগুণ আমরা খুঁজে পাই না। কিন্তু অনেকেই জানি না যে এই কমলার খোসার রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুন ও ব্যবহার। অন্যান্য অনেক ফলের খোসার চেয়ে কমলার খোসার গুনাগুন অনেক বেশি।
-
ত্বকের দাগ দূর করার ঘরোয়া গোপন ৩ টি কৌশল
ত্বকের রঙ যেমনই হোক না কেন ত্বক যদি পরিষ্কার থাকে তাহলেই আসল সৌন্দর্য ফুটে উঠে। রঙ ফর্সাকারী কেমিক্যাল যুক্ত ক্রিম, ফেসওয়াশ, মাস্ক ব্যবহার করে যদি শুধু ত্বকের রঙ ফর্সা করতে গিয়ে ত্বকে ব্রণের দাগ বা ছোপ ছোপ দাগ করে ফেলেন তাহলে কি তা দেখতে ভালো দেখাবে? মোটেই নয়।
-
আপনার চেহারায় ফুটে থাকুক চিরতারুণ্য
বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার ত্বকে, আপনার মুখে তার ছাপ রেখে যাচ্ছে। আপনার কি এই বুড়োটে হয়ে যাওয়া দেখতে ভাল লাগছে? লাগছে না। বয়সের ছাপ থাকুক কিন্তু সেটা যেন বয়সের চাইতে বেশী না দেখায় । তাই আপনার চির সবুজ মনের সাথে সাথে চেহারায়ও যদি চিরতারুণ্য ধরে রাখা যায় তবে তার চাইতে ভাল আর কি হতে পারে। তারুণ্যদীপ্ত চেহারার জন্য যা কিছু করা দরকার-
পায়ে অস্বস্তিকর কালো ছোপ ছোপ দাগ! জেনে নিন এই ৮টি উপায়
চুলের যত্নে করলা
কনসিলার শুধুই কী চোখের ডার্ক সার্কেল ঢাকার জন্য?
রুক্ষ চুল থেকে মুক্তি চাই?
নারকেলের নাড়ু!
ঘরেই তৈরি করুন মজার সিঙ্গারা
অল্প মেকাপেও হয়ে উঠুন আকর্ষণীয়
নিজেই তৈরি করুন গ্রীন টি ময়েশ্চারাইজার ফেস ক্রিম
বিশেষজ্ঞের দৃষ্টিকোণ থেকে স্তন ক্যান্সার: কেন হয়?
উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত! এড়িয়ে চলুন এই খাবারগুলো
বরইয়ের ঝাল-মিষ্টি আচার
ঢোকলা
মজাদার নারকেলের চাটনির সাথে ইডলি
ত্বকের আসল রং ফিরিয়ে আনুন একটি ন্যাচারাল লোশনেই
পটল ভর্তা
রেসিপি ঃ যা লাগবেঃ–
পটল- ৫ টা,
পেয়াজ কুচি- ১ টেবিল চামচ,
শুকনা মরিচ ভাজা- ৪ টি,
সরিষার তেল- ১ চা চামচ,
লবন পরিমান মত।
যেভাবে করবেনঃ–
পটল সিদ্ধ করে নিন। ডেকে সিদ্ধ করবেন না কারন তাতে পটলের সবুজ কালারটা থাকবে না। এবার পটল মাখানোর আগে হাত দিয়ে হালকা চাপ দিয়ে পানি বের করে ফেলে দিন। পেয়াজ, শুকনা মরিচ, লবন তেল দিয়ে কচলে পটল ভর্তা মেখে নিন আর গরম গরম ভাত দিয়ে খেয়ে দেখুন কি মজা !!!
কাঁঠালের সিদ্ধ বীচির ভর্তা
যা লাগবেঃ- কাঁঠালের বীচি- ১ কাপ,
পেয়াজ কুচি- ১ টেবিল চামচ,
রসুন কুচি- ১ টেবিল চামচ,
শুকনো মরিচ – ২ টা,
লবন ও তেল আন্দাজ মত !!!
যেভাবে করবেনঃ- কাঁঠালের বীচি ছিলে পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে লাল চামড়া উঠিয়ে নিন। এবার পানি দিয়ে সিদ্ধ করুন যেন ভালভাবে সিদ্ধ হয়। পেনে তেল দিয়ে শুকনা মরিচ, পেয়াজ, রসুন কুচি লাল করে ভাজুন। এবার সব পাটায় বেটে তেল, লবন দিয়ে মাখিয়ে ভর্তা করে নিন।।
লাউয়ের খোসা ভর্তা
লাউয়ের খোসা ভর্তা
উপকরণ: লাউ এর সিলকা-৩ কাপ, শুকনা মরিচ পোড়ানো-৪/৫টি, লবণ-পরিমাণ মতো, ধনে পাতা-সিকি কাপ, পিঁয়াজ কুচি-সিকি কাপ, সরিষার তেল-২ টেঃ চামচ।
প্রণালী: লাউ-এর সিলকা ধুয়ে পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। এবার তেলের মধ্যে লাউ এর সিলকা ভেজে নিন। শুকনা মরিচ ভেজে নিন, পিঁয়াজ ভেজে নিন। ধনে পাতা কুচি করে নিন। এবার লাউ এর সিলকা, শুকনা মরিচ, পিঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা কুচি সব এক সাথে পাটায় মিহি করে বেটে নিন। হয়ে গেল লাউ এর সিলকা ভর্তা।
ইলিশ ভর্তা
ইলিশ ভর্তা
উপকরণ: ইলিশ মাছের পেটি বা মোটা
অংশ ৪-৫ টুকরা।
লবণ পরিমাণমতো।
হলুদগুঁড়া অল্প।
মরিচগুঁড়া অল্প। সরিষার
তেল প্রয়োজনমতো
ধনেপাতার কুচি ২টেবিল-চামচ
কাঁচামরিচ বা শুকনামরিচ তেলে টেলে নেওয়া৪-৫টি।
পেঁয়াজকুচি ১টি তেলে টেলে নেওয়া
ভাজা জিরাগুঁড়া অল্প।
পদ্ধতি: প্রথমে মাছে হলুদ, মরিচগুঁড়া ও
লবণ দিয়ে মেখে সরিষার তেল ১
টেবিল-চামচ দিয়ে বাদামি করে
ভেজে নিন। এখন বাকি উপকরণগুলো
কেটে পাশে রাখুন। তারপর মাছের
কাঁটা বেছে নিন।
একটি বাটিতে কাঁটা ছাড়ানো মাছ
নিয়ে একে একে সব উপকরণ নিন এবং
একসঙ্গে মেখে নিন।কাঁটা বাছতে না চাইলে সব একসাথে বেটে নিন হয়ে গেল ইলিশ
ভর্তা।
ছানার পাটিসাপটা
চালের গুড়া ১/২ কাপ
ময়দা ২ টেবিলচামচ
সুজি ৪ টেবি চামচ
বেকিং পাওডার ১/৪ চা চামচ
খেজুর গুড় ২-৩ টে চামচ (এটার কারণেই কালার টা গোল্ডেন হবে )
লবন ১ চিমটি
দুধ ১/২ কাপ
ঘি ৪/৫ টেবিলচামচ
ক্ষীর তৈরিতেঃ
নারকেল কোরা ২ টে চামচ
ছানা ১ কাপ
মাওয়া ১/২ কাপ
ফ্রেশ ক্রীম ১/৪ কাপ
পাওডার সুগার ১/২ কাপ
এলাচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ
প্রণালি
১। প্রথম লিস্টের সব উপকরণ মিশিয়ে মাঝারি পাতলা গোলা তৈরি করে রাখুন।
২। প্রথমে একটি প্যানে ছানা ও মাওয়া মাঝারি আঁচে নাড়তে থাকুন। কিছুক্ষন নাড়ার পর দেখবেন কালারটা একটু চেঞ্জ হতে থাকবে আর খুব সুন্দর একটা সুগন্ধ বের হবে। ঠিক এই সময়ে চুলা বন্ধ করে ক্রীম , নারকেল ও এলাচ গুঁড়া দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। ব্যাস ছানার পুর তৈরী।
৩। গরম তাওয়া বা নন-স্টিক প্যানে কয়েক ফোঁটা তেল বা ঘি ব্রাশ করে তাতে ডালের চামচের এক চামচ গোলা ঢেলে ছড়িয়ে রুটির মত করে নিন। এবার একপাশে খানিকটা ছানার পুর দিয়ে একপাশ থেকে মুড়িয়ে দিন। ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সেঁকে নামিয়ে ফেলুন।
এভাবে বাকি গোলা ও পুর দিয়ে পাটিসাপটা তৈরি করুন। সবমিলিয়ে ১০-১২ তা মতো হবে।
যেভাবে সহজেই তৈরি করবেন চিকেন রেজালা
যেভাবে সহজেই তৈরি করবেন চিকেন রেজালা
ছবি ও রেসিপিঃ বিথী জগলুল
যা প্রয়োজনঃ
দেশী চিকেন– ১টি
টকদই– ১/২ কাপ
সেদ্ধ আলু– ৭-৮টি (ইচ্ছা)
পিয়াজ কুচি– ২ টে চামচ
আস্ত গরমমসলা– দরকারমতো
হলুদ,মরিচ গুড়া– ১ চা চামচ করে
জিরা, ধনে গুড়া– ১/২ চা চামচ করে
পিয়াজ বাটা– ২ টে চামচ
জিরা বাটা– ১ চা চামচ
আদা, রসুন বাটা– ১ টে চামচ করে
জায়ফল, জয়ত্রি বাটা– ১/২ চা চামচ করে
বেরেস্তা– ১/২ কাপ
কাচামরিচ ফালি– ৫-৬টি
তেল, লবন– পরিমানমতো
ঘি– সামান্য
চিনি– সাদমতো
যেভাবে করবেনঃ
– মুরগী পছন্দমতো টুকরা করে ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। মুরগীর সাথে ফেটানো টকদই দিয়ে মাখিয়ে রাখুন কমপক্ষে ১ ঘন্টা।
– হাড়িতে তেল গরম করে পিয়াজ কুচি ভেজে অল্প পানিতে জায়ফল-জয়ত্রি বাটা ছাড়া অন্য সব মসলাগুলি ভালোভাবে কষিয়ে নিন।
– এইবার টকদইসহ মুরগী ঢেলে জায়ফল-জয়ত্রি বাটা সহ আবার কষান। খুব ভালোভাবে কষানো হলে বেরেস্তা গুড়া করে ও সেদ্ধ আলু মিশিয়ে পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন।
– পছন্দমতো ঘন হলে ঢাকনা খুলে কাচামরিচ ফালি, চিনি ও ঘি দিয়ে কিছুক্ষন দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন।
পরিবেশনঃ
** পরিবেশন করুন আপনার পছন্দের চাপাতি, নান, পরোটা অথবা পোলাউ দিয়ে।
** সবাই খুব ভালো থাকুন, সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন। আর সবসময় আমাদের সাথেই থাকুন। কারন, আপনাদেরকে নিয়ে আমরা যেতে চাই আরও বহুদুর!! ধন্যবাদ।
এই রেসিপি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন
চিংড়ি-চিচিংগার চচ্চড়ি
উপকরণঃ
চিংড়ি মাছ– ২৫০ গ্রাম
চিচিংগা– ২৫০ গ্রাম
কাঁঠালের বিচি– ১/২ কাপ (কুচি করা)
টমাটো কুচি– ১ টি
পিয়াজ কুচি– ১/৪ কাপ
হলুদ-মরিচ-ধনে গুঁড়া– ১/২ চা চামচ করে
কাঁচামরিচ– ৪-৫টি
লবণ– স্বাদমতো
তেল– পরিমাণমতো
** চিংড়ি স্টাফ করার জন্যে চিচিংগা ভাপ দিয়ে নেয়া। আমি জাস্ট প্ল্যাটারের জন্যে করেছি। আপনারা না করলেও পারেন।
যেভাবে করবেনঃ
প্যানে তেল গরম করে পিয়াজ দিন। পিয়াজ নরম হয়ে আসলে অল্প পানিতে মসলা ও কাঁঠালের বিচি কষিয়ে নিন।
কষানোর মধ্যেই কাঁঠালের বিচি প্রায় সেদ্ধ হয়ে আসলে চিচিংগা কুচি ও চিংড়ি মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন।
সব কিছু সেদ্ধ হয়ে গেলে টমাটো কুচি ও কাঁচামরিচ মিশিয়ে কিছুক্ষন দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন।
প্ল্যাটার রেডিঃ
চিচিংগা লম্বা-লম্বি মাঝ বরাবর কেটে ভেতরের অংশ পরিষ্কার করে নিন।
এবার ফুটন্ত গরম পানিতে মিনিটখানেক ভাপ দিয়ে পানি ঝরিয়ে মুছে নিন।
এই ভাপ দেয়া চিচিংগার ভেতরে রান্না করা চিংড়ির পুর ভরে সাজিয়ে পরিবেশন করুন চচ্চড়ি ।
আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।
চিংড়ী- পুইশাক আলু ভাজি
চিংড়ি দিয়ে পুইশাক -আলু ভাজি। সাথে কচকচে কাচাঁমরিচ ! অনেক মজার এই রান্নাটি করতে পারেন সাহরিতে বা যে কোন সময়।
রেসিপি ও ছবিঃ আনার’স কিচেন এন্ড রেসিপি
উপকরণ:
পুইশাক এক আটিঁ
আলু কুচি মিড়িয়াম ১টি
মাঝারি চিংড়ী কুচি ১/২কাপ
কাচাঁমরিচ ফালি ২-৩টি
রসুন ছেচাঁ ৫-৬ টি কোয়া
পেয়াজঁ কুচি ১টি
হলুদ গুড়াঁ ১/২ চা চামচ
মরিচ গুড়াঁ ১/২ চা চামচ
আদ-রসুন বাটা ১চা চামচ
মিক্স মশলা ১/২ চা চামচের কম
লবণ স্বাদ মত
তেল ২ টেবিল চামচ
ধনেপাতা কুচি
পদ্ধতি:-
প্রথমে পুইশাক ও আলু কুচি করে নিতে হবে আলাদা করে। ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
চিংড়ি মাঝারি খোসা ছিলে ময়লা পরিস্কার করে কুচি করে রাখুন।
বাকি উপকরণ পাশে তৈরি করে রাখুন।
এখন রসুন ছেচাঁ ,কাচাঁমরিচ কুচি ও পেয়াজঁ হাওয়ান দিস্তকায় থেতলে নিন।
এবার কড়াইতে তেল গরম করে রসুন পেয়াজের মিশ্রণটা দিন । নেড়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। চিংড়ি মাছ দিন। নেড়ে কয়েক সেকেন্ড পর বাটাও গুড়া মশলা দিন । লবণ ও অল্প পানি দিয়ে কষিয়ে নিন।
এবার আলু দিন আগে । নেড়ে ভেজে নিন কিছুক্ষণ। তারপর পুইশাক দিন।নেড়ে নেড়ে ভাজতে হবে।
এবার অল্প পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করতে হবে ৫ মিনিট। যখন দেখবেন শাক -আলু ভাজা ভাজা হয়ে আসছে তখন ধনেপাতা দিয়ে নেড়ে কয়েক সেকেন্ড পর নামিয়ে নিন।
ধোয়া উঠা গরম ভাতে পরিবেশন করুন ফ্রেশ কাচাঁমরিচ দিয়ে !
আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।
তাওয়া তে তৈরি করুন নান রুটি

উপকরণঃ
২ কাপ ময়দা,
আধা চা চামচ কালো জিরা( ইচ্ছার উপর)
এক চা চামচ ইষ্ট (প্যাকেট এর গায়ে নিয়মাবলী অনুসরণ করুন).
লবন সাধ অনুযায়ী
আধা চামচ চিনি
২ টেবিল চামচ টক দই
দেড় টেবিল চামচ তেল
কুসুম গরম পানি পরিমান মতো
রুটি তৈরি করার সময় আরও ময়দা লাগবে।
প্রনালিঃ-
সব শুকনো উপকরন এক সাথে নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর দই আর পরিমান মতো পানি দিয়ে নরম খামির তৈরি করে নিয়ে ভেজা কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে কোন গরম জায়গায় ৪ ঘণ্টা রেখে দিন খামির।
খামির ৪ ঘণ্টা পর ফুলে উঠবে, আবার ভালো করে মথে নিন। রুটি গুলো নরমাল রুটি থেকে একটু মোটা হয় তাই সেই রকম আন্দাজে খামির গুলো টুকরা করে নিন।
পরে রুটি বানানোর আগে যে জায়গায় উপর রুটি বানাবেন সে জায়গায় ময়দা ছিটিয়ে নিয়ে আপনার পছন্দ অনুযায়ী রুটির আকার দিন।
তাওয়া গরম করতে দিন মাঝারী আঁচে, এখন রুটির এক পাশে পানি ছিটিয়ে দিন। তাওয়া গরম হলে রুটি দিয়ে দিন ছেকার জন্য।
রুটির যে পাশে পানি দিয়েসেন ওই পাশ টা যাতে নিচে থাকে। যখন রুটি একটু ফুলতে থাকবে আর রুটি শুকাতে থাকবে তখন তাওয়া সহ রুটি উলটিয়ে ধরুন চুলার আগুনের ২/৩ ইঞ্চি উপর,চিন্তার কারন নাই রুটি পরবেনা, রুটি তাওয়ার সাথে আটকিয়ে থাকবে।
যখন রুটির রং হাল্কা বাদামি হবে তাওয়া থেকে নামিয়ে প্লেট রেখে কিছু দিয়ে ঢেকে দিন। নান রুটি তৈরী খাওয়ার জন্য।
আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।
সকালের ১টি কাজে ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও ঝলমলে

সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি ত্বকে তেলতেল ভাবের আধিক্য সেইসাথে ছোপ ছোপ দাগ দেখতে পান তাহলে নিশ্চয়ই ভালো লাগে না। এছাড়াও সারারাত ঘুমানোর পর চোখের নিচের ফোলা ভাব কিংবা রাতে ভালো ঘুম না হলে চোখের নিচে কালো দাগ পরা খুব স্বাভাবিক। যদি দিনের বেলায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রোগ্রাম থাকে তাহলে কি এভাবে কাটাতে ভালো লাগবে? মোটেই নয়। তাই সকালে মাত্র ১০ মিনিট বের করে মাত্র ১ টি কাজ করে দেখুন। দেখবেন পুরোদিনই ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও ঝলমলে। সেই সাথে চিরকাল ত্বকে ফুটে থাকবে স্নিগ্ধতা।
যা যা লাগবেঃ
৬-৭ চা চামচ চা পাতা
১০-১২ ফোঁটা লেবুর রস
১ লিটার পানি
পদ্ধতি ও ব্যবহার বিধিঃ
– ১ লিটার পানি চুলায় ফুটতে দিয়ে এতে চা পাতা দিয়ে জ্বাল দিয়ে লিকার করে নিন। লিকার মাঝারি ধরণের গাঢ় হবে।
– এরপর লিকার ঠাণ্ডা করতে দিন। ঠাণ্ডা হয়ে এলে এতে লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন এবং বরফের ট্রে তে মিশ্রণটি ঢেলে বরফ জমতে দিন। সবচাইতে ভালো হয় যদি এই কাজটুকু রাতে করে রাখেন। পুরো রাতে বরফ জমে যাবে।
– এরপর সকালে উঠে প্রথমে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। চাইতে প্রাকৃতিক একটি স্ক্রাবার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিন। চালের গুঁড়ো এবং দুধ মিশিয়ে তা দিয়ে ত্বক স্ক্রাব করে নিন।
– তারপর বানিয়ে রাখা বরফের মাত্র ২ টি খণ্ড নিয়ে একটি সুতি পাতলা কাপড়ে পেঁচিয়ে নিয়ে তা দিয়ে বরফ না গলা পর্যন্ত আলতো করে ঘষে নিন পুরো ত্বকে।
– চোখের নিচের দিকে ভালো ভাবে সতর্কতার সাথে ঘষে নিন। এতে চোখের নিচের ফোলা ভাব ও কালো দাগ অনেকাংশে দূর হয়ে যাবে।
– এরপর মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন এবং ভালো করে ময়েসচারাইজার ও সানস্ক্রিন লাগান। এরপর অন্যান্য প্রসাধনী ব্যবহার করে নিন।
উপকারিতাঃ
– এই কাজটি করার ফলে চায়ের অ্যান্টিএইজিং উপাদান ত্বকের বয়সের ছাপ দূর করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
– লেবুর ব্লিচিং এজেন্ট ত্বকের নানা রকম দাগ ফিকে করে ফেলতে সহায়তা করে। ২ তেলতেলে ভাব দূর করতে সহায়তা করে।
– অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বক হলে বরফ জমানোর আগে মিশ্রনে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন।
নিয়মিত বিউটি টিপস ও রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।




















